পৌরনীতি ও নাগরিকতা • Chattogram Board • চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৩

পৌরনীতি ও নাগরিকতা প্রশ্ন

A রাষ্ট্র | A রাষ্ট্র
ক. সুস্পষ্ট নিয়মনীতির মাধ্যমে পরিচালিত | ক. নিয়মনীতিগুলি সহজে পরিবর্তন করা যায়
খ. নিয়মনীতিগুলি সহজে পরিবর্তন করা যায় পরিবর্তযোগ্য নয় | খ. জরুরি প্রয়োজন মেটাতে সক্ষম
গ. নিয়মনীতি সম্পর্কে জনগণ স্পষ্ট ধারণা পায় | গ. বিপ্লবের সম্ভাবনা কম

  1. ক)

    ম্যাগনাকার্টা' কী?

    (1)
  2. খ)

    সংবিধানকে রাষ্ট্রের দর্পণ বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের 'A' রাষ্ট্রের উল্লিখিত বৈশিষ্ট্য যে সংবিধানকে নির্দেশ করে তার উপযোগিতা ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকের 'A' রাষ্ট্রের উল্লিখিত বৈশিষ্ট্য যে সংবিধানকে নির্দেশ করে তার উপযোগিতা ব্যাখ্যা করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    ম্যাগনাকার্টা হলো ১২১৫ সালে ইংল্যান্ডের রাজা জনের স্বাক্ষরিত অধিকারসনদ, যা ইংরেজ জনগণের অধিকার ও রাজার ক্ষমতার সীমা নির্ধারণ করেছিল।

  2. খ)

    সংবিধান হলো রাষ্ট্রের মৌলিক আইন। এতে রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থার কাঠামো, সরকারের বিভিন্ন বিভাগের ক্ষমতা ও কার্যাবলি এবং নাগরিকের অধিকার ও কর্তব্য লিপিবদ্ধ থাকে। দর্পণে যেমন কোনো বস্তুর প্রতিচ্ছবি দেখা যায়, তেমনি সংবিধান পাঠ করলে রাষ্ট্রের আদর্শ, লক্ষ্য ও শাসনপদ্ধতির পূর্ণ চিত্র পাওয়া যায়। তাই সংবিধানকে রাষ্ট্রের দর্পণ বলা হয়।

  3. গ)

    উদ্দীপকের বাম অংশের বৈশিষ্ট্যগুলো (সুস্পষ্ট নিয়মনীতির মাধ্যমে পরিচালিত, নিয়মনীতি পরিবর্তনযোগ্য নয় এবং নিয়মনীতি সম্পর্কে জনগণের স্পষ্ট ধারণা) লিখিত সংবিধানকে নির্দেশ করে।

    উপযোগিতা:
    ১. লিখিত সংবিধানে সরকারের ক্ষমতা ও নাগরিকের অধিকার সুস্পষ্টভাবে লেখা থাকে, ফলে জনগণ সহজে জানতে পারে।
    ২. এটি দুষ্পরিবর্তনীয় হওয়ায় সরকার খেয়ালখুশিমতো একে বদলাতে পারে না, ফলে স্থিতিশীলতা বজায় থাকে।
    ৩. সরকারের বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে ক্ষমতার সীমা নির্দিষ্ট থাকায় বিরোধ ও স্বৈরাচারের আশঙ্কা কমে।

    অতএব, লিখিত সংবিধান রাষ্ট্রে সুশাসন ও নাগরিক অধিকার রক্ষায় বিশেষ উপযোগী।

  4. ঘ)

    উদ্দীপকের উল্লিখিত বৈশিষ্ট্যগুলো (সুস্পষ্ট নিয়মনীতি, পরিবর্তনের কঠিনতা ও জনগণের স্পষ্ট ধারণা) লিখিত সংবিধানের। রাষ্ট্র পরিচালনায় এর উপযোগিতা বিশ্লেষণ করা হলো।

    ১. স্পষ্টতা ও নিশ্চয়তা: সরকারের ক্ষমতা, নাগরিকের অধিকার ও কর্তব্য লিখিত থাকায় কোনো বিভ্রান্তি থাকে না। জনগণ নিজের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হতে পারে।
    ২. স্থায়িত্ব: দুষ্পরিবর্তনীয় হওয়ায় শাসকগোষ্ঠী সহজে সংবিধান পরিবর্তন করে ক্ষমতার অপব্যবহার করতে পারে না। ফলে রাষ্ট্রে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা থাকে।
    ৩. ক্ষমতার ভারসাম্য: আইন, শাসন ও বিচার বিভাগের ক্ষমতা ও সীমা নির্ধারিত থাকায় কেউ সীমা লঙ্ঘন করলে প্রতিকার পাওয়া যায়।
    ৪. অধিকার সংরক্ষণ: নাগরিকের মৌলিক অধিকার সংবিধানে লিপিবদ্ধ থাকায় আদালতের মাধ্যমে তা রক্ষা করা যায়।

    সুতরাং, উদ্দীপকে নির্দেশিত লিখিত সংবিধান রাষ্ট্রে আইনের শাসন, স্থিতিশীলতা ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করার জন্য অত্যন্ত উপযোগী।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন