বাংলা ১ম পত্র • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০২৪
বাংলা ১ম পত্র প্রশ্ন
৭ই মার্চ ভাষণ দিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ওই ভাষণে তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামের ডাক দেন। মোস্তফা কামাল তখন চব্বিশ বছরের যুবক। বঙ্গবন্ধুর ভাষণ শুনে তাঁর বুক ফুলে ওঠে। এপ্রিল ১৯৭১। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এগিয়ে আসছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দিকে। তাদের ঠেকানোর জন্য মোস্তফা কামালসহ মুক্তিযোদ্ধারা অবস্থান নিয়েছে দরুইন গ্রামে।
- ক)(1)
মুক্তিবাহিনীর কমান্ডার কে?
- খ)(2)
বুধার মাটি কাটার দলে যোগদানের কারণ কী? ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
উদ্দীপকে 'কাকতাড়ুয়া' উপন্যাসের যে দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। তা বর্ণনা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকের মোস্তফা কামালকে 'কাকতাড়ুয়া' উপন্যাসের বুধার চরিত্রের সার্থক প্রতিনিধি বলা যায় কি? তোমার স্বপক্ষে যুক্তি দাও।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- খ)
বুধা দেখেছিল পাকিস্তানি হানাদাররা নিরীহ মানুষের ওপর অত্যাচার ও হত্যা চালাচ্ছে। দেশের স্বাধীনতার জন্য সে নিজেকে এই সংগ্রামের অংশ মনে করেছিল। শত্রুর অগ্রযাত্রা ঠেকাতে মাটি কেটে প্রতিরোধ গড়ার কাজে অংশ নিয়ে সে মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখতে চেয়েছিল। তাই সে মাটি কাটার দলে যোগ দেয়।
- গ)
উদ্দীপকে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ শুনে মোস্তফা কামাল উদ্দীপ্ত হন এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে হানাদার বাহিনীকে ঠেকাতে দরুইন গ্রামে অবস্থান নেন। 'কাকতাড়ুয়া' উপন্যাসেও বুধা দেশপ্রেমে অনুপ্রাণিত হয়ে হানাদারদের ঠেকানোর প্রতিরোধে অংশ নেয়। তাই উদ্দীপকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ ও প্রতিরোধের দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে।
- ঘ)
উদ্দীপকের মোস্তফা কামালকে 'কাকতাড়ুয়া' উপন্যাসের বুধার সার্থক প্রতিনিধি বলা যায়, এই মত আমি সমর্থন করি।
১. মোস্তফা কামাল বঙ্গবন্ধুর ডাকে অনুপ্রাণিত হয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। বুধাও দেশের স্বাধীনতার জন্য মাটি কাটার দলে যোগ দিয়ে প্রতিরোধে অংশ নিয়েছে।
২. দুজনই হানাদারদের ঠেকানোর জন্য প্রস্তুত এবং কেউই ভয় পেয়ে সরে যায়নি।
৩. উভয়ের মধ্যেই দেশপ্রেম, সাহস ও ত্যাগের মনোভাব প্রবল।সুতরাং, দেশপ্রেম ও প্রতিরোধের চেতনার দিক থেকে মোস্তফা কামাল বুধার সার্থক প্রতিনিধি।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও