বাংলা ১ম পত্র • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২০
বাংলা ১ম পত্র প্রশ্ন
অষ্টম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় সালমার বাবা সালমাকে বিয়ে দিতে চাইলে সে স্কুলের শিক্ষকদের সাহায্য নিয়ে বিয়ে ভেঙে দেয়। উপবৃত্তির অর্থ দিয়ে তার পড়াশোন চালিয়ে যেতে থাকে। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করে এখন সে বিশ্ববিদ্যালে পড়ার স্বপ্ন দেখছে। সালমার বাবা তার ভুল বুঝতে পেরে মেয়েকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার জন্য উৎসাহ জোগায়।
- ক)(1)
সামান্য স্নেহ না থাকলে কী মারা যায়?
- খ)(2)
'আমি কি বকরি-ঈদের গরু-ছাগল নাকি?' এ উক্তির কারণ কী?
- গ)(3)
উদ্দীপকের সালমা 'বহিপীর' নাটকের তাহেরার যে মানসিকতাকে ধারণ করে' ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
"উদ্দীপকটি 'বহিপীর' নাটকের মূল ভাবধারাকে স্পর্শ করতে পারেনি।” মন্তব বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- খ)
তাহেরাকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে পীরের সঙ্গে বিয়ের জন্য ঠিক করা হয়েছিল, যেন সে কোনো মানুষ নয়, একটি পশু যাকে কোরবানির বাজারে বেচাকেনা করা যায়। নিজের মতামত ও আত্মমর্যাদাকে অবহেলিত দেখে তাহেরা ক্ষুব্ধ হয়ে এ কথা বলেছিল। এতে তার প্রতিবাদী মনোভাব ও আত্মসম্মানবোধ প্রকাশ পেয়েছে।
- গ)
উদ্দীপকের সালমা বাবার বিয়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে শিক্ষকদের সাহায্য নিয়ে বিয়ে ভেঙে দিয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যায়। 'বহিপীর' নাটকের তাহেরাও অনিচ্ছাকৃত বিয়ে মেনে নেয়নি এবং নিজের জীবনের সিদ্ধান্ত নিজে নিতে চেয়েছে। তাই সালমা তাহেরার প্রতিবাদী, আত্মনির্ভরশীল ও স্বাধীনচেতা মানসিকতাকে ধারণ করে।
- ঘ)
উদ্দীপকটি 'বহিপীর' নাটকের মূল ভাবধারাকে স্পর্শ করতে পারেনি, মন্তব্যটি যথার্থ নয়।
১. 'বহিপীর' নাটকের একটি মূল ভাবধারা হলো জোর করে বিয়ে ও নারীর ইচ্ছার অবমাননার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ। উদ্দীপকে সালমা বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে একই ভাব প্রকাশ করেছে।
২. তাহেরার মতো সালমাও নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নিয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত সফল হয়েছে।
৩. তবে নাটকে ধর্মীয় ভণ্ডামি, জমিদারি-সংকটের মতো বিষয়ও আছে, যা উদ্দীপকে নেই। তাই উদ্দীপক নাটকের একটি দিককে স্পর্শ করেছে।সুতরাং, উদ্দীপক নাটকের নারীর স্বাধীনতা ও প্রতিবাদের ভাবকে স্পর্শ করেছে; মন্তব্যটি পুরোপুরি যথার্থ নয়।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও