কৃষিশিক্ষা • Chattogram Board • চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৩
কৃষিশিক্ষা প্রশ্ন
নিচের চিত্র দুটি ভালোভাবে লক্ষ করো এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
- ক)(1)
উদ্ভিদতাত্ত্বিক বীজ কাকে বলে?
- খ)(2)
রগিং এর প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
চিত্র: খ এর পরীক্ষা পদ্ধতিটি ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
মাছের কাঙ্ক্ষিত উৎপাদন পেতে হলে উদ্দীপকে উল্লিখিত পরীক্ষা পদ্ধতি দুটির গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
যে বীজ ফুলের নিষেক ঘটার পর ফলের ভেতর ডিম্বক থেকে গঠিত হয় এবং যা থেকে নতুন গাছ জন্মায়, তাকে উদ্ভিদতাত্ত্বিক বীজ বলে।
- খ)
রগিং হলো বীজ উৎপাদন ক্ষেত থেকে রোগাক্রান্ত, ভিন্ন জাতের ও অবাঞ্ছিত গাছ তুলে ফেলা। এর প্রয়োজনীয়তা হলো বীজের বিশুদ্ধতা রক্ষা করা। ভিন্ন জাতের বা রোগাক্রান্ত গাছ থাকলে পরাগায়ন ও বীজের মাধ্যমে মান নষ্ট হয় এবং রোগ ছড়ায়। তাই ভালো বীজ পেতে রগিং আবশ্যক।
- গ)
চিত্র 'খ'-এ পুকুরে জাল ফেলে মাছ ধরার দৃশ্য দেখানো হয়েছে, যা জাল টেনে মাছের বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার পদ্ধতি।
পদ্ধতি:
১. নির্দিষ্ট সময় পরপর (যেমন প্রতি মাসে) পুকুরে জাল টানা হয়।
২. জালে ধরা নমুনা মাছগুলোর ওজন ও দৈর্ঘ্য মাপা হয় এবং বৃদ্ধির হার হিসাব করা হয়।
৩. মাছের গায়ে রোগের লক্ষণ বা পরজীবী আছে কি না দেখা হয়।
৪. ফলাফল অনুযায়ী খাদ্য ও সারের পরিমাণ, প্রয়োজনে চিকিৎসার ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
৫. পরীক্ষা শেষে মাছ সাবধানে পুকুরে ছেড়ে দেওয়া হয়। - ঘ)
উদ্দীপকের চিত্র 'ক' (গ্লাসে পানি নিয়ে সূর্যের আলোয় পরীক্ষা) পুকুরের পানির গুণাগুণ বা প্লাংকটনের পরিমাণ পরীক্ষা, আর চিত্র 'খ' জাল টেনে মাছের বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা। কাঙ্ক্ষিত মাছের উৎপাদনে দুটির গুরুত্ব:
১. পানির গুণাগুণ পরীক্ষা করে প্লাংকটনের পরিমাণ জানা যায়। প্লাংকটন কম থাকলে সার প্রয়োগ এবং বেশি হলে নিয়ন্ত্রণ করে মাছের স্বাভাবিক খাদ্য নিশ্চিত করা যায়।
২. জাল টেনে মাছের বৃদ্ধি দেখে সঠিক পরিমাণে সম্পূরক খাদ্য দেওয়া যায়, ফলে খাদ্যের অপচয় কমে।
৩. মাছের রোগ ও অসুস্থতা সময়মতো ধরা পড়ায় ক্ষতি কমানো যায়।
৪. দুটি পদ্ধতি একসাথে প্রয়োগ করলে মাছের স্বাস্থ্য ভালো থাকে ও মৃত্যুহার কমে।সুতরাং, কাঙ্ক্ষিত উৎপাদন পেতে দুটি পরীক্ষাই অপরিহার্য।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও