বাংলা ১ম পত্র • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০২৪
বাংলা ১ম পত্র প্রশ্ন
(i) সুরমার তীরে হয়নি বসাসে তো অনেক কালহয় না দেখা উথাল হাওয়ায়উড়ছে নায়ের পাল ।(ii) একটা নদী কলকলিয়ে দুলদুলিয়ে চলে দুই কূলে তার দুঃখ, সুখের হাজার কথা বলে।রাগলে নদী গর্জনে তার বুক কাঁপে থরথর শান্ত হলে অনেক সুখে জাগায় বুকে চর । চরের বুকে বাঁধলে সে ঘর প্রাণের মেলায় হাসে শান্ত নদী যমুনা সে জীবন ভালোবাসে ।
- ক)(1)
সনেটের অষ্টকে কী থাকে?
- খ)(2)
“জুড়াই এ কান আমি ভ্রান্তির ছলনে!'— বুঝিয়ে লেখো ।
- গ)(3)
উদ্দীপকের (i)-এ 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার যে দিকটি ফুটে উঠেছে তা ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
“উদ্দীপকের (ii)-এ 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার মূল চেতনার প্রতিফলন ঘটেছে।”— উক্তিটির যথার্থতা বিচার করো ।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
সনেটের অষ্টকে ভাবের প্রবর্তনা বা মূল ভাবের সূচনা থাকে।
- খ)
কবি প্রবাসে বসে কপোতাক্ষ নদের কলতান শুনতে পান না। তবু মনে হয় যেন তিনি নদের ধ্বনি শুনছেন, যদিও এটি মায়া বা কল্পনামাত্র। কবি সেই ভ্রান্তি বা মায়ার ছলনায় কান জুড়ান। এতে প্রিয় নদের প্রতি তাঁর গভীর আকুলতা প্রকাশ পেয়েছে।
- গ)
উদ্দীপকের (i)-এ 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার প্রিয় নদের জন্য স্মৃতিকাতরতা ও প্রবাসে বিরহবেদনার দিকটি ফুটে উঠেছে।
১. উদ্দীপকে বহুকাল সুরমা নদীর তীরে বসা হয়নি, তাই নদী দেখার জন্য মন আকুল।
২. কবিতায়ও কবি প্রিয় কপোতাক্ষ নদকে বহুদিন দেখতে পাননি এবং তার জন্য ব্যাকুল।
৩. দুটিতেই প্রিয় নদীর সঙ্গে দূরত্বের বেদনা প্রধান। - ঘ)
উক্তিটি আংশিক যথার্থ। উদ্দীপকের (ii)-এ নদীর সঙ্গে মানুষের জীবনের নিবিড় সম্পর্ক প্রকাশ পেলেও কবিতার মূল চেতনা এর চেয়ে ভিন্ন।
১. সাদৃশ্য: উদ্দীপকে নদী মানুষের সুখ-দুঃখের সঙ্গী এবং জীবনের আশ্রয়। কবিতায়ও কপোতাক্ষ নদ কবির প্রাণের প্রিয়।
২. পার্থক্য: উদ্দীপকে নদীর রূপ, প্রকৃতি ও মানুষের জীবনযাপন বর্ণিত হয়েছে। কিন্তু কবিতার মূলভাব প্রবাসী কবির স্মৃতিকাতরতা, বিরহ ও স্বদেশপ্রেম।
৩. অনুপস্থিত দিক: উদ্দীপকে প্রবাসজনিত বেদনা বা নদীর জন্য ব্যাকুলতা নেই।সুতরাং, উদ্দীপকে নদীর সঙ্গে জীবনের সম্পর্ক আছে, কিন্তু কবিতার মূল চেতনার পূর্ণ প্রতিফলন ঘটেনি।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও