ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং • Barishal Board • বরিশাল বোর্ড ২০২০

ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং প্রশ্ন

কক্সবাজারে মৎস্য চাষীদের সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার জন্য ২০০০ সালে 'দোয়েল ব্যাংক' নামে একটি বিশেয়ায়িত ব্যাংক স্থাপিত হয়। ব্যাংকটি স্থাপনের পর সারা দেশের মাছ ব্যবসায়ীদের অর্থ লেনদেন সহজ হয়। ২ বছর পর 'দোয়েল ব্যাংক' আর্থিক সংকটে পড়লে দেশের একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ২ কোটি টাকা ঋণ নেয়।

  1. ক)

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী প্রধান কে?

    (1)
  2. খ)

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখ্য উদ্দেশ্য কী? বর্ণনা করো।

    (2)
  3. গ)

    কার্যভিত্তিক শ্রেণিকরণে 'দোয়েল ব্যাংক' কোন ধরনের ব্যাংক? বর্ণনা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    'দোয়েল ব্যাংক' যে প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিয়েছিল, দেশের ব্যাংক ব্যবস্থার উন্নয়নে তার ভূমিকা মূল্যায়ন করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী প্রধান হলেন গভর্নর (Governor)।

  2. খ)

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখ্য উদ্দেশ্য হলো দেশের মুদ্রা ও ঋণ ব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রণ করে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা।

    এ ব্যাংক দেশের একমাত্র নোট ও মুদ্রা প্রচলনকারী প্রতিষ্ঠান। এটি অন্য ব্যাংকগুলোকে নিয়ন্ত্রণ ও তদারকি করে এবং মুদ্রার মান ও মূল্যস্তর স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করে। এভাবে দেশের ব্যাংক ব্যবস্থার সুষ্ঠু বিকাশে ভূমিকা রাখে।

  3. গ)

    কার্যভিত্তিক শ্রেণিকরণে ‘দোয়েল ব্যাংক’ একটি বিশেষায়িত ব্যাংক (Specialized Bank)।

    যে ব্যাংক কোনো নির্দিষ্ট খাত বা শ্রেণির মানুষের প্রয়োজন মেটানোর জন্য প্রতিষ্ঠিত হয় এবং সেই খাতেই বিশেষ সেবা প্রদান করে, তাকে বিশেষায়িত ব্যাংক বলে। উদ্দীপকে ‘দোয়েল ব্যাংক’ কক্সবাজারের মৎস্য চাষীদের সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার জন্য স্থাপিত হয়েছে। অর্থাৎ ব্যাংকটি মৎস্য খাতের জন্য নির্দিষ্ট, তাই এটি বিশেষায়িত ব্যাংক।

  4. ঘ)

    ‘দোয়েল ব্যাংক’ আর্থিক সংকটে পড়ে দেশের যে প্রতিষ্ঠান থেকে ২ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে, তা হলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ব্যাংক ব্যবস্থার উন্নয়নে এর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    ১. ঋণের সর্বশেষ আশ্রয়স্থল: সংকটে পড়া ব্যাংকগুলোকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণ দিয়ে সহায়তা করে। এতে ব্যাংক বন্ধ হওয়া বা গ্রাহকের আস্থা হারানোর ঝুঁকি কমে।
    ২. নিয়ন্ত্রণ ও তদারকি: কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাণিজ্যিক ও অন্যান্য ব্যাংকের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ ও তদারকি করে, যাতে ব্যাংকগুলো নিয়ম মেনে চলে।
    ৩. মুদ্রা ও ঋণ নিয়ন্ত্রণ: এটি দেশের মুদ্রা সরবরাহ ও ঋণের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে অর্থনীতির স্থিতিশীলতা রক্ষা করে।
    ৪. ক্লিয়ারিং হাউসের কাজ: ব্যাংকগুলোর মধ্যকার লেনদেনের নিষ্পত্তিতে সহায়তা করে।

    সুতরাং, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এসব ভূমিকার ফলে দেশের ব্যাংক ব্যবস্থা সুদৃঢ় ও নিরাপদ থাকে এবং উন্নয়ন ঘটে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন