বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা • Mymensingh Board • ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৬
বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা প্রশ্ন
ছক-ক | ছক-খ
রাজ্য প্রতিষ্ঠাতা ↓ মহাসামন্ত ↓ ৬৩৭ | ধর্ম নিরপেক্ষ ↓ পরমেশ্বর ↓ ৮২১
- ক)(1)
'গঙ্গারিডাই' কী?
- খ)(2)
বল্লাল সেনকে সুপণ্ডিত বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
'ছক-ক'-তে সন্নিবেশিত তথ্যসমূহ প্রাচীন বাংলার কোন শাসককে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
'ছক-খ'-এর তথ্যমতে রাজা ধর্মপালকে তুমি পালবংশের সর্বশ্রেষ্ঠ রাজা মনে কর কি? উত্তরের সপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
'গঙ্গারিডাই' হলো গ্রিক ও রোমান লেখকদের বর্ণনায় প্রাচীন বাংলার একটি শক্তিশালী জনপদ।
- খ)
বল্লাল সেন নিজে বিদ্যানুরাগী ও জ্ঞানী ছিলেন। তিনি 'দানসাগর' ও 'অদ্ভুতসাগর' নামে দুটি গ্রন্থ রচনা করেন বা রচনা শুরু করেন। এসব গ্রন্থ থেকে তাঁর পাণ্ডিত্য ও সাহিত্যপ্রীতির পরিচয় পাওয়া যায়। এজন্য ঐতিহাসিকরা তাঁকে সুপণ্ডিত বলেছেন।
- গ)
'ছক-ক'-তে সন্নিবেশিত তথ্যসমূহ প্রাচীন বাংলার শাসক শশাঙ্ককে নির্দেশ করে।
শশাঙ্ক প্রথমে গৌড়ের মহাসামন্ত ছিলেন। পরে তিনি স্বাধীন গৌড় রাজ্যের প্রতিষ্ঠা করেন। তিনিই প্রাচীন বাংলার প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম নরপতি হিসেবে স্বীকৃত। ছকে দেওয়া ৬৩৭ খ্রিষ্টাব্দ তাঁর মৃত্যুসন নির্দেশ করে। রাজ্য প্রতিষ্ঠাতা, মহাসামন্ত ও ৬৩৭ সনের এই তথ্যগুলো শশাঙ্কের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ।
- ঘ)
'ছক-খ'-এর তথ্যমতে ধর্মপালকে আমি পালবংশের সর্বশ্রেষ্ঠ রাজা মনে করি।
ছক-খ-তে ধর্মনিরপেক্ষ, পরমেশ্বর ও ৮২১ খ্রিষ্টাব্দ উল্লেখ আছে, যা ধর্মপালের কীর্তি ও রাজত্বকালকে নির্দেশ করে।
১. ধর্মপাল 'পরমেশ্বর পরমভট্টারক মহারাজাধিরাজ' উপাধি ধারণ করেছিলেন। এটি তাঁর ক্ষমতা ও প্রভাবের পরিচায়ক।
২. তিনি কনৌজ জয় করে সেখানে নিজের মনোনীত শাসককে সিংহাসনে বসান। এর ফলে পাল সাম্রাজ্য উত্তর ভারত পর্যন্ত প্রভাব বিস্তার করে।
৩. তিনি বৌদ্ধধর্মের পৃষ্ঠপোষক হলেও অন্য ধর্মের প্রতি উদার ছিলেন। বিক্রমশীলা ও সোমপুর বিহার প্রতিষ্ঠা এবং শিক্ষা-সংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষকতাও তাঁর কৃতিত্ব।সুতরাং, সামরিক সাফল্য, ধর্মীয় উদারতা ও শিক্ষা-সংস্কৃতির বিকাশের জন্য ধর্মপালকে পাল বংশের সর্বশ্রেষ্ঠ রাজা বলা যায়।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও