অর্থনীতি • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২৩

অর্থনীতি প্রশ্ন

ছক-ক | ছক-খ
বৃষ্টিপাত, ভ-গর্ভস্ত পানি | কম্পিউটার এর দক্ষতা
নদী ও সমুদ্রের পানি | কবির কাব্য প্রতিভা

  1. ক)

    মূলধনী দ্রব্য কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    শক্তি সম্পদ বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে 'ক'ছকের বিযয়টির গুরুত্ব বর্ণনা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    ছক-খ এর বিষয়গুলো অর্থনীতির পরিভাষায় সম্পদ কি? পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    যেসব দ্রব্য নিজে সরাসরি ভোগের জন্য নয়, বরং অন্য দ্রব্য উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়, তাদেরকে মূলধনী দ্রব্য (Capital Goods) বলে, যেমন যন্ত্রপাতি ও কলকারখানা।

  2. খ)

    যেসব সম্পদ থেকে শক্তি পাওয়া যায় এবং যা যন্ত্র চালানো, আলো-তাপ উৎপাদন ও পরিবহনে ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে শক্তি সম্পদ (Energy Resource) বলে। উদাহরণ হলো কয়লা, খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস ও বিদ্যুৎ। শিল্প-কারখানা, যানবাহন ও ঘরের কাজে শক্তি সম্পদ অপরিহার্য। এটি দেশের উৎপাদন ও উন্নয়ন কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করে।

  3. গ)

    ছক-ক-এর বিষয়গুলো বৃষ্টিপাত, ভূগর্ভস্থ পানি এবং নদী ও সমুদ্রের পানি, যা প্রাকৃতিক সম্পদ। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে এর গুরুত্ব নিচে বর্ণনা করা হলো।

    ১. কৃষি ও সেচ: বৃষ্টিপাত ও ভূগর্ভস্থ পানি সেচের মাধ্যমে ফসল উৎপাদনে সহায়তা করে, ফলে কৃষি উৎপাদন বাড়ে।
    ২. মৎস্য সম্পদ: নদী ও সমুদ্রের পানি থেকে প্রচুর মাছ পাওয়া যায়, যা খাদ্যের চাহিদা মেটায় ও আয় সৃষ্টি করে।
    ৩. যোগাযোগ ও পরিবহন: নদীপথ ও সমুদ্রপথ দেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক পরিবহন ও বাণিজ্যে ভূমিকা রাখে।
    ৪. পানীয় ও গৃহস্থালির কাজ: ভূগর্ভস্থ পানি মানুষের পানীয় ও দৈনন্দিন কাজের চাহিদা মেটায়।

    এভাবে প্রাকৃতিক সম্পদ কৃষি, মৎস্য ও পরিবহন খাতের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।

  4. ঘ)

    ছক-খ-এর বিষয়গুলো হলো কম্পিউটারে দক্ষতা এবং কবির কাব্যপ্রতিভা। অর্থনীতির পরিভাষায় এগুলো মানবিক সম্পদ (Human Resource), তাই এগুলো সম্পদ বলে গণ্য। পাঠ্যপুস্তকের আলোকে কারণগুলো নিচে দেওয়া হলো।

    ১. উপযোগ সৃষ্টি: কম্পিউটার-দক্ষতা কাজে লাগিয়ে সেবা দেওয়া যায় এবং কাব্যপ্রতিভা দিয়ে কবিতা রচনা করা যায়। এসব মানুষের অভাব পূরণ করে, অর্থাৎ উপযোগ সৃষ্টি করে।
    ২. দুষ্প্রাপ্যতা: এই দক্ষতা ও প্রতিভা সবার মধ্যে নেই এবং অর্জন করতে সময়, শ্রম ও প্রশিক্ষণ দরকার হয়, তাই এগুলো দুষ্প্রাপ্য।
    ৩. আয় ও উৎপাদনে অবদান: এসব গুণাবলি কাজে লাগিয়ে মানুষ আয় করে এবং উৎপাদন বাড়ায়। দক্ষতার সেবা বিনিময় বা বিক্রয়যোগ্যও।

    সুতরাং, উপযোগ, দুষ্প্রাপ্যতা ও আয় সৃষ্টির ক্ষমতা থাকায় ছক-খ-এর বিষয়গুলো অর্থনীতির পরিভাষায় সম্পদ।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন