ভূগোল এবং পরিবেশ • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২৩

ভূগোল এবং পরিবেশ প্রশ্ন

  1. ক)

    অক্ষাংশ কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    ছুটন্ত তারা বলতে কী বোঝ? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    চিত্রে 'A' চিহ্নিত স্থানে সকাল ৮টা হলে 'B' চিহ্নিত স্থানে স্থানীয় সময় কত?

    (3)
  4. ঘ)

    চিত্রের MN ও PQ রেখার মাধ্যমে কোনো দেশের অবস্থান নির্ণয় করা যাবে কি না? যুক্তি দিয়ে বুঝিয়ে দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    নিরক্ষরেখা থেকে উত্তর বা দক্ষিণে কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্বকে অক্ষাংশ বলে।

  2. খ)

    রাতের মেঘমুক্ত আকাশে অনেক সময় মনে হয় নক্ষত্র ছুটে যাচ্ছে বা খসে পড়ছে। একে ছুটন্ত তারা বা তারা খসা বলে। আসলে এগুলো নক্ষত্র নয়, এদের নাম উল্কা। মহাশূন্যের জড়পিণ্ড অভিকর্ষ বলের টানে প্রচণ্ড গতিতে পৃথিবীর দিকে ছুটে আসে এবং বায়ুর সাথে ঘর্ষণে জ্বলে ওঠে, ফলে আলোর রেখা দেখা যায়।

  3. গ)

    প্রতি ১° দ্রাঘিমার পার্থক্যে স্থানীয় সময়ের পার্থক্য ৪ মিনিট। চিত্র অনুযায়ী A স্থানের দ্রাঘিমা ৪৫° পূর্ব এবং B স্থানের দ্রাঘিমা ৭৫° পূর্ব।

    দ্রাঘিমার পার্থক্য =75°−45°=30°= 75° - 45° = 30°

    সময়ের পার্থক্য =30×4=120= 30 \times 4 = 120 মিনিট =2= 2 ঘণ্টা

    B স্থান A-এর পূর্বে অবস্থিত, তাই B-এর সময় এগিয়ে থাকবে।

    B-এর স্থানীয় সময় =8:00+2:00== 8:00 + 2:00 = সকাল ১০টা।

  4. ঘ)

    হ্যাঁ, MN ও PQ রেখার মাধ্যমে কোনো দেশের অবস্থান নির্ণয় করা যাবে। চিত্রে MN হলো নিরক্ষরেখা (০° অক্ষরেখা) এবং PQ হলো মেরু থেকে মেরু পর্যন্ত বিস্তৃত দ্রাঘিমা পরিমাপের ভিত্তি মধ্যরেখা।

    ১. MN দ্বারা অক্ষাংশ: নিরক্ষরেখা থেকে উত্তর বা দক্ষিণে কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্ব মেপে তার অক্ষাংশ জানা যায়।
    ২. PQ দ্বারা দ্রাঘিমা: মূল মধ্যরেখা থেকে পূর্ব বা পশ্চিমে কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্ব মেপে তার দ্রাঘিমা জানা যায়।
    ৩. সংযোগ বিন্দু: কোনো স্থানের অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমারেখা যেখানে ছেদ করে সেটিই ওই স্থানের নির্দিষ্ট অবস্থান। যেমন, বাংলাদেশ নিরক্ষরেখার উত্তরে ও মূল মধ্যরেখার পূর্বে (প্রায় ৯০° পূর্বে) অবস্থিত।

    সুতরাং, নিরক্ষরেখা ও মূল মধ্যরেখাকে ভিত্তি ধরে অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমা নির্ণয় করে যেকোনো দেশের অবস্থান নির্ধারণ করা সম্ভব।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন