সমাজকর্ম ২য় পত্র • সামাজিক প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা • Combined Board • ঢাকা, রাজশাহী, সিলেট, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৫
সমাজকর্ম ২য় পত্র প্রশ্ন
- ক)(1)
জলবায়ু পরিবর্তনের একটি প্রভাব লেখো।
- খ)(2)
ধর্ম কীভাবে মানুষের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে? ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
উদ্দীপকে কোন সামাজিক প্রতিষ্ঠানকে বোঝানো হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উক্ত ধারণাটি সামাজিক সমস্যা প্রতিরোধে কীভাবে ভূমিকা রাখছে? বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
জলবায়ু পরিবর্তনের একটি উল্লেখযোগ্য প্রভাব হলো সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পাওয়া, যার ফলে উপকূলীয় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ধর্ম মূলত বিশ্বাস, অনুশাসন এবং পাপ-পুণ্যের ধারণার মাধ্যমে মানুষের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে। প্রতিটি ধর্মে সত্যবাদিতা, সততা, পরোপকার ইত্যাদিকে উৎসাহিত করা হয় এবং অন্যায়, অবিচার ও অপরাধমূলক কাজ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়। মানুষ যখন বিশ্বাস করে যে ভালো বা মন্দ কাজের জন্য তাকে স্রষ্টার কাছে জবাবদিহি করতে হবে, তখন সে সচেতনভাবেই অনৈতিক ও ক্ষতিকর কাজ থেকে বিরত থাকে এবং সমাজে সুশৃঙ্খল আচরণ বজায় রাখে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে 'গণমাধ্যম' (Mass Media) নামক সামাজিক প্রতিষ্ঠানকে বোঝানো হয়েছে।
গণমাধ্যম হলো তথ্য, শিক্ষা, বিনোদন ও মতামত বৃহৎ জনগোষ্ঠীর কাছে দ্রুত পৌঁছে দেওয়ার এক শক্তিশালী মাধ্যম। আধুনিক সমাজে এটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচিত হয়।
উদ্দীপকের ছকে সামাজিক প্রতিষ্ঠানের চারপাশে টেলিভিশন, রেডিও, সংবাদপত্র ও চলচ্চিত্র উল্লেখ করা হয়েছে। এগুলো সবই গণমাধ্যমের প্রধান ও ঐতিহ্যবাহী উপাদান। জনমত গঠন, সামাজিকীকরণ এবং সমকালীন ঘটনাবলি প্রচারের মাধ্যমে এই মাধ্যমগুলো মানুষের চিন্তাভাবনা ও জীবনধারাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। তাই উদ্দীপকে গণমাধ্যম সামাজিক প্রতিষ্ঠানটিকে নির্দেশ করা হয়েছে। - ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে নির্দেশিত ধারণাটি হলো 'গণমাধ্যম'। সামাজিক সমস্যা প্রতিরোধ ও প্রতিকারে গণমাধ্যম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকর ভূমিকা রাখছে। নিচে এর বিশ্লেষণ তুলে ধরা হলো:
১. জনসচেতনতা সৃষ্টি: বাল্যবিয়ে, যৌতুক প্রথা, মাদকাসক্তি, নারী নির্যাতন এবং দুর্নীতির মতো সামাজিক সমস্যাগুলোর ক্ষতিকর দিক টেলিভিশন, রেডিও ও সংবাদপত্রের মাধ্যমে তুলে ধরে ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টি করা হয়।
২. জনমত গঠন: কোনো সামাজিক অপরাধ বা অসংগতির বিরুদ্ধে গণমাধ্যম শক্তিশালী জনমত তৈরি করে। ফলে নীতিনির্ধারক ও প্রশাসনের ওপর দ্রুত আইনগত বা প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়ার চাপ সৃষ্টি হয়।
৩. কুসংস্কার দূরীকরণ: শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান, প্রামাণ্যচিত্র ও চলচ্চিত্র প্রচারের মাধ্যমে সমাজে প্রচলিত অন্ধবিশ্বাস, অপসংস্কৃতি ও কুসংস্কার দূর করতে গণমাধ্যম ভূমিকা রাখে।
৪. গঠনমূলক সামাজিকীকরণ: সুস্থ বিনোদন এবং শিক্ষণীয় বিষয়বস্তু পরিবেশনের মাধ্যমে শিশু-কিশোর ও যুবসমাজকে সঠিক মূল্যবোধ ও নৈতিকতায় গড়ে তুলতে গণমাধ্যম সহায়তা করে, যা অপরাধপ্রবণতা প্রতিরোধ করে।সুতরাং, সামাজিক অসংগতি ও ক্ষতিকর বিষয়গুলো চিহ্নিত করে সমাজকে সচেতন ও দায়বদ্ধ করার মাধ্যমে গণমাধ্যম সামাজিক সমস্যা প্রতিরোধে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও