পৌরনীতি ও নাগরিকতা • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০২৪

পৌরনীতি ও নাগরিকতা প্রশ্ন

হক-'ক' | হক-'খ'
১. জাতীয় কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু। | ১. কার্য পরিচালনার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ স্বাধীন।
২. গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুর সমাধান স্থল। | ২. প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেন।
৩. সমাজ ও রাষ্ট্রের চাহিদানুযায়ী নতুন ও প্রচলিত বিষয় সংশোধন, প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠান। | ৩. রাষ্ট্রপতি কোনো ব্যাখ্যা চাইলে পরামর্শ দিয়ে থাকে।
| ৪. নাগরিকের মৌলিক অধিকার রক্ষায় নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে।

  1. ক)

    বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠিত হয় কবে?

    (1)
  2. খ)

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যাবলি ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    ছক 'ক'-এ উল্লিখিত বিভাগের গঠন প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    ছক 'খ'-এর প্রতিষ্ঠানের গঠন কাঠামো ও ক্ষমতা বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠিত হয় ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল (শপথ গ্রহণ ১৭ এপ্রিল)।

  2. খ)

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (UNO) উপজেলা প্রশাসনের প্রধান কর্মকর্তা। তিনি উপজেলার বিভিন্ন বিভাগের কাজের সমন্বয় করেন এবং উপজেলা পরিষদের সচিবের দায়িত্ব পালন করেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, সরকারি নির্দেশ বাস্তবায়ন, উন্নয়নমূলক প্রকল্প তদারকি ও রাজস্ব সংক্রান্ত কাজেও তিনি ভূমিকা রাখেন। এছাড়া ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাসহ প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেন।

  3. গ)

    ছক 'ক'-এ উল্লিখিত বিভাগটি হলো আইন বিভাগ বা জাতীয় সংসদ। এটি আইন প্রণয়ন ও সংশোধনকারী প্রতিষ্ঠান।

    ১. সদস্য সংখ্যা: বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন ৩৫০টি। এর মধ্যে ৩০০টি আসনে জনগণ সরাসরি ভোটে সদস্য নির্বাচন করে।
    ২. সংরক্ষিত আসন: ৫০টি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত। নির্বাচিত সদস্যদের সংখ্যানুপাতে রাজনৈতিক দলগুলো এসব আসনে সদস্য মনোনীত করে।
    ৩. মেয়াদ: সংসদের মেয়াদ সাধারণত পাঁচ বছর।

    প্রাপ্তবয়স্ক ভোটাধিকারের ভিত্তিতে প্রতি নির্বাচনী এলাকা থেকে একজন করে সদস্য নির্বাচিত হন।

  4. ঘ)

    ছক 'খ'-এর প্রতিষ্ঠানটি হলো সুপ্রিম কোর্ট (বিচার বিভাগ)। এর গঠন ও ক্ষমতা নিচে বিশ্লেষণ করা হলো।

    গঠন কাঠামো: সুপ্রিম কোর্ট দুটি বিভাগ নিয়ে গঠিত: আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ। রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন। প্রধান বিচারপতির সঙ্গে পরামর্শ করে রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারক নিয়োগ দেন।

    ক্ষমতা:
    ১. আপিল ক্ষমতা: নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল শোনা।
    ২. রিট এখতিয়ার: নাগরিকের মৌলিক অধিকার রক্ষায় নিষেধাজ্ঞাসহ বিভিন্ন আদেশ দেওয়া।
    ৩. পরামর্শমূলক ক্ষমতা: রাষ্ট্রপতি আইনগত বিষয়ে মতামত চাইলে পরামর্শ দেওয়া।
    ৪. অধস্তন আদালতের তত্ত্বাবধান: নিম্ন আদালত নিয়ন্ত্রণ ও নজরদারি করা।

    সুতরাং, স্বাধীনভাবে কাজ করা সুপ্রিম কোর্ট ন্যায়বিচার ও সংবিধান রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন