ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং • Rajshahi Board • রাজশাহী বোর্ড ২০২১

ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং প্রশ্ন

পলাশ ব্যাংক বৈধ অনুমোদন নিয়ে ২০১৮ সালে গঠিত হয়। বর্তমানে নন্দীবাড়ী গ্রামের সুমন মিয়া ৩.২৫ লক্ষ টাকা ঋণের জন্য এই প্রতিষ্ঠানের কাছে আবেদন করেন। তিনি ঋণ পরিশোধ করতে সক্ষম, জমি বন্ধক রাখতে আগ্রহী। কিন্তু তার সরবরাহকৃত তথ্য ও দলিলপত্রাদির মধ্যে যথেষ্ট অমিল রয়েছে।

  1. ক)

    স্কুল ব্যাংক কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?

    (1)
  2. খ)

    স্বল্প ব্যয়ে অধিক মুনাফা ব্যাংকের কোন নীতি? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    পলাশ ব্যাংক প্রতিষ্ঠায় কোন প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন প্রয়োজন হয়েছিল? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    সুমন মিয়াকে বন্ধকী ঋণ দেওয়া ব্যাংকের পক্ষে যুক্তিসঙ্গত হবে কিনা? মূল্যায়ন করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    বাংলাদেশে স্কুল ব্যাংকিং কার্যক্রম বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় ২০১০ সালে শুরু হয়।

  2. খ)

    স্বল্প ব্যয়ে অধিক মুনাফা অর্জন ব্যাংকের লাভজনকতার নীতি। ব্যাংক আমানতকারীদের সুদ ও পরিচালন ব্যয় মিটিয়ে মুনাফা অর্জনের জন্য ঋণ ও বিনিয়োগ করে। ব্যয় যত কম হবে এবং আয় যত বেশি হবে, ব্যাংকের মুনাফা তত বাড়বে। তবে মুনাফার জন্য নিরাপত্তা ও তারল্যকে উপেক্ষা করা উচিত নয়।

  3. গ)

    পলাশ ব্যাংক প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ ব্যাংকের (কেন্দ্রীয় ব্যাংকের) অনুমোদন প্রয়োজন হয়েছিল।

    বাংলাদেশে কোনো নতুন ব্যাংক চালু করতে হলে ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছ থেকে লাইসেন্স বা অনুমোদন নিতে হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকই ব্যাংকিং ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রক ও তদারককারী প্রতিষ্ঠান। উদ্দীপকে পলাশ ব্যাংক বৈধ অনুমোদন নিয়ে গঠিত হয়েছে, অর্থাৎ বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন নেওয়া হয়েছে।

  4. ঘ)

    ঋণ দেওয়ার আগে ব্যাংককে নিরাপত্তা নীতি অনুসরণ করে ঋণগ্রহীতার যোগ্যতা ও দলিলপত্র যাচাই করতে হয়।

    উদ্দীপকে সুমন মিয়া ৩.২৫ লক্ষ টাকা ঋণ চান। তিনি ঋণ পরিশোধে সক্ষম এবং জমি বন্ধক রাখতে ইচ্ছুক, যা ঋণ প্রদানের অনুকূল দিক। কিন্তু তাঁর দেওয়া তথ্য ও দলিলপত্রে যথেষ্ট অমিল রয়েছে, যা ভবিষ্যতে আইনি জটিলতা ও ঋণ আদায়ে ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে। দলিল সঠিক না হলে বন্ধকী সম্পত্তি থেকে অর্থ আদায় করা কঠিন হবে।

    সুতরাং, তথ্য ও দলিলের অমিল দূর না হওয়া পর্যন্ত সুমন মিয়াকে ঋণ দেওয়া ব্যাংকের পক্ষে যুক্তিসংগত হবে না। যাচাই-বাছাই শেষে সব ঠিক পাওয়া গেলে ঋণ মঞ্জুর করা যেতে পারে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন