রসায়ন ২য় পত্র • Rajshahi Board • রাজশাহী বোর্ড ২০১৯

রসায়ন ২য় পত্র প্রশ্ন

  1. ক)

    মোলার দ্রবণ কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    কার্বন মনোক্সাইড কে নীরব ঘাতক বলা হয় কেন?

    (2)
  3. গ)

    30° C তাপমাত্রায় A ও B গ্যাস  মিশ্রণের মোট চাপ নির্ণয় কর।

    (3)
  4. ঘ)

    B ও C পাত্রের গ্যাস সমূহের মধ্যে কোনটি অধিক হারে ব্যাপিত হবে বিশ্লেষণ কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় প্রতি লিটার দ্রবণে এক মোল দ্রব দ্রবীভূত থাকলে তাকে মোলার দ্রবণ বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    কার্বন মনোক্সাইড (CO) একটি বর্ণহীন, গন্ধহীন বিষাক্ত গ্যাস। নিঃশ্বাসের মাধ্যমে এটি দেহে প্রবেশ করলে রক্তের হিমোগ্লোবিনের সাথে যুক্ত হয়ে অত্যন্ত স্থিতিশীল কার্বক্সিহিমোগ্লোবিন গঠন করে। ফলে রক্তের অক্সিজেন পরিবহন ক্ষমতা চরমভাবে ব্যাহত হয় এবং কোনো প্রকার দৃশ্যমান সতর্কতা ছাড়াই ব্যক্তি অচেতন হয়ে মারা যেতে পারে। এ কারণে কার্বন মনোক্সাইডকে নীরব ঘাতক বলা হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    A ও B গ্যাস মিশ্রণের মোট আয়তন V = 2 L + 1 L = 3 L। 25°C-এ মিশ্রণের মোট চাপ P_1 = (P_AV_A + P_BV_B)/V = (0.98682 + 1.48041)/3 ≈ 1.1513 atm। পরবর্তীতে 30°C তাপমাত্রায় Gay-Lussac-এর সূত্র প্রয়োগ করে মিশ্রণের মোট চাপ P_2 = P_1*(303.15/298.15) ≈ 1.17 atm (বা 118.6 kPa)।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    B পাত্রের গ্যাসের আণবিক ভর M_B = (wRT)/(PV) = (2.21 * 0.0821 * 298)/(1.48 * 1) ≈ 36.51 g/mol। C পাত্রের গ্যাসের আণবিক ভর M_C = (dRT)/P = (1.25 * 0.0821 * 273)/1 ≈ 28.02 g/mol। গ্রাহামের ব্যাপন সূত্রানুসারে আণবিক ভর কম হলে ব্যাপনের হার বেশি হয়। যেহেতু M_C < M_B, তাই C পাত্রের গ্যাস অধিক হারে ব্যাপিত হবে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন