উৎপাদন ব্যাবস্থাপনা ও বিপণন ১ম পত্র • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০১৯
উৎপাদন ব্যাবস্থাপনা ও বিপণন ১ম পত্র প্রশ্ন
নিচের সারণিতে একটি উৎপাদনধর্মী প্রতিষ্ঠানের দুই মাসের কিছু তথ্য দেওয়া হলো:-
বিবরণ | প্রথম মাস | দ্বিতীয় মাস
উৎপাদনের পরিমাণ | ৮,০০০ একক | ৯,০০০ একক
বিক্রয় মূল্য (এককপ্রতি) | ৩০ টাকা | ৪০ টাকা
কাঁচামালের ব্যয় (এককপ্রতি) | ৮ টাকা | ৭ টাকা
শ্রম বাবদ ব্যয় (এককপ্রতি) | ১০ টাকা | ১২ টাকা
অন্যান্য ব্যয় (মোট) | ১০,০০০ টাকা | ১১,০০০ টাকা
- ক)(1)
সময়গত উপযোগ কী?
- খ)(2)
উৎপাদন কীভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে? ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
উদ্দীপকের আলোকে প্রথম মাসের শ্রম উৎপাদনশীলতা নির্ণয় করো।
- ঘ)(4)
১ম ও ২য় মাসের মোট উৎপাদনশীলতার ভিত্তিতে উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটির অগ্রগতি মূল্যায়ন করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
পণ্য এক সময় থেকে অন্য সময়ে গুদামজাতকরণের মাধ্যমে সংরক্ষণ করে যে উপযোগ সৃষ্টি করা হয়, তাকে সময়গত উপযোগ বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উৎপাদন হলো প্রাকৃতিক সম্পদের রূপ পরিবর্তন করে মানুষের ব্যবহারোপযোগী নতুন উপযোগ সৃষ্টি করার প্রক্রিয়া। উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কারখানা স্থাপন, কাঁচামাল সংগ্রহ, যন্ত্রপাতি পরিচালনা, তদারকি ও বিপণনের জন্য প্রচুর শ্রমিকের প্রয়োজন হয়। ফলে উৎপাদন বৃদ্ধির সাথে সাথে শিল্প কারখানায় নতুন নতুন কর্মক্ষেত্রের সৃষ্টি হয় এবং মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি পায়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
প্রথম মাসের শ্রম উৎপাদনশীলতা নিচে নির্ণয় করা হলো:
আমরা জানি,
শ্রমের উৎপাদনশীলতা (উৎপাদনের মূল্যের ভিত্তিতে) = মোট উৎপাদনের আর্থিক মূল্য / মোট শ্রম ব্যয়প্রথম মাসের জন্য:
মোট উৎপাদন = ৮,০০০ একক
এককপ্রতি বিক্রয়মূল্য = ৩০ টাকা
সুতরাং, মোট উৎপাদনের আর্থিক মূল্য = ৮,০০০ × ৩০ = ২,৪০,০০০ টাকা।এককপ্রতি শ্রম ব্যয় = ১০ টাকা
সুতরাং, মোট শ্রম বাবদ ব্যয় = ৮,০০০ × ১০ = ৮০,০০০ টাকা।অতএব, প্রথম মাসের শ্রম উৎপাদনশীলতা = ২,৪০,০০০ / ৮০,০০০ = ৩ (বা ৩ টাকা)।
[বিকল্পভাবে, এককভিত্তিক শ্রম উৎপাদনশীলতা = মোট উৎপাদনের পরিমাণ (একক) / মোট শ্রম ব্যয় = ৮,০০০ / ৮০,০০০ = ০.১ একক প্রতি টাকায়]।সুতরাং, প্রতিষ্ঠানটির প্রথম মাসের শ্রমের উৎপাদনশীলতা ৩ টাকা।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
প্রতিষ্ঠানটির ১ম ও ২য় মাসের মোট উৎপাদনশীলতা নির্ণয় করে অগ্রগতি মূল্যায়ন করা হলো:
আমরা জানি,
মোট উৎপাদনশীলতা = মোট উৎপাদনের আর্থিক মূল্য / মোট উপকরণের আর্থিক মূল্য১ম মাসের ক্ষেত্রে:
মোট উৎপাদনের মূল্য = ৮,০০০ × ৩০ = ২,৪০,০০০ টাকা।
উপকরণের মোট ব্যয়:
কাঁচামাল ব্যয় = ৮,০০০ × ৮ = ৬৪,০০০ টাকা
শ্রম ব্যয় = ৮,০০০ × ১০ = ৮০,০০০ টাকা
অন্যান্য ব্যয় = ১০,০০০ টাকা
মোট উপকরণ ব্যয় = ৬৪,০০০ + ৮০,০০০ + ১০,০০০ = ১,৫৪,০০০ টাকা।
সুতরাং, ১ম মাসের মোট উৎপাদনশীলতা = ২,৪০,০০০ / ১,৫৪,০০০ ≈ ১.৫৬২য় মাসের ক্ষেত্রে:
মোট উৎপাদনের মূল্য = ৯,০০০ × ৪০ = ৩,৬০,০০০ টাকা।
উপকরণের মোট ব্যয়:
কাঁচামাল ব্যয় = ৯,০০০ × ৭ = ৬৩,০০০ টাকা
শ্রম ব্যয় = ৯,০০০ × ১২ = ১,০৮,০০০ টাকা
অন্যান্য ব্যয় = ১১,০০০ টাকা
মোট উপকরণ ব্যয় = ৬৩,০০০ + ১,০৮,০০০ + ১১,০০০ = ১,৮২,০০০ টাকা।
সুতরাং, ২য় মাসের মোট উৎপাদনশীলতা = ৩,৬০,০০০ / ১,৮২,০০০ ≈ ১.৯৮তুলনা ও মূল্যায়ন:
দেখা যাচ্ছে, ১ম মাসে মোট উৎপাদনশীলতা ছিল ১.৫৬ এবং ২য় মাসে তা বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ১.৯৮। অর্থাৎ দ্বিতীয় মাসে উপকরণের তুলনায় উৎপাদনের আর্থিক মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় সামগ্রিক উৎপাদনশীলতা ০.৪২ বৃদ্ধি পেয়েছে। সুতরাং, মোট উৎপাদনশীলতার দৃষ্টিকোণ থেকে উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটির অগ্রগতি ইতিবাচক ও সন্তোষজনক।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও