বাংলা ১ম পত্র • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০২২
বাংলা ১ম পত্র প্রশ্ন
মেহের আলি পশ্চিম পাকিস্তানিদের অন্যতম দোসর। সাধারণ মানুষদের পরে এলে নির্যাতন-নিপীড়ন চালাত এবং অনেককে হত্যা করত। তাই মানুষ তাকে ঘৃণার চোখে দেখত। অপর পক্ষে সাজিদ সাহেব দেশের স্বার্থে স্বাধীনতা সংগ্রামী চেতনা নিয়ে সাধারণ মানুষকে উৎসাহ-উদ্দীপনা ও অনুপ্রেরণা জুগিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য উদ্বুদ্ধ করতেন।
- ক)(1)
বুধা কার বাড়িতে আগুন ধরিয়েছিল?
- খ)(2)
বুধাকে গ্রামের লোক বিভিন্ন নামে ডাকত কেন?
- গ)(3)
উদ্দীপকের মেহের আলির সাথে 'কাকতাড়ুয়া' উপন্যাসের যে চারিত্রিক মিল খুঁজে পাওয়া যায় তা ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
"উদ্দীপকের সাজিদ সাহেব ও উপন্যাসের শাহাবুদ্দীন এর লক্ষ্য-উদ্দেশ্য এক ও অভিন্ন"- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- খ)
বুদ্ধি-বিবেচনা ও পরিচয়ে গুরুত্বহীন, অনাথ ও নিঃস্ব হওয়ায় সমাজে সে নানা নামে পরিচিত ছিল। গ্রামের লোকের চোখে বুধার নির্দিষ্ট মর্যাদা বা স্থান ছিল না, তাই যে যার মতো করে তাকে নানা নামে ডাকত। এই নামগুলো তার সামাজিক অবহেলা ও অবস্থানই প্রকাশ করে।
- গ)
উদ্দীপকের মেহের আলি পাকিস্তানি হানাদারদের দোসর হয়ে সাধারণ মানুষের ওপর নির্যাতন ও হত্যা চালায়। ‘কাকতাড়ুয়া’ উপন্যাসেও হানাদার বাহিনী ও তাদের সহযোগীরা নির্যাতন-হত্যায় লিপ্ত ছিল।
সুতরাং চারিত্রিক মিল হলো নিষ্ঠুরতা ও সাধারণ মানুষের ওপর অত্যাচারের প্রবণতা। - ঘ)
উদ্দীপকের সাজিদ সাহেব স্বাধীনতার চেতনা নিয়ে মানুষকে উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা জুগিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য উদ্বুদ্ধ করেন। ‘কাকতাড়ুয়া’ উপন্যাসে শাহবুদ্দীনও বুধাকে স্বাধীন মানুষ হওয়ার স্বপ্ন দেখান এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ করেন।
১. দুজনেই সাধারণ মানুষকে স্বাধীনতার জন্য সচেতন করেছেন।
২. দুজনেই ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে দেশের মুক্তি চেয়েছেন।
৩. দুজনেরই লক্ষ্য মানুষকে অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধে অনুপ্রাণিত করা।
সুতরাং, সাজিদ সাহেব ও শাহবুদ্দীনের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য অভিন্ন—মন্তব্যটি যথার্থ।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও