বাংলা ১ম পত্র • Jashore Board • যশোর বোর্ড ২০২৫
বাংলা ১ম পত্র প্রশ্ন
জন্ম থেকেই রাইমা দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী। তবে বাবা-মায়ের পরম যত্ন, সহযোগিতা এবং নিজের চেষ্টায় আজ সে সমাজে সম্মানের সাথে প্রতিষ্ঠিত। স্বাবলম্বী হয়ে রাইমা প্রমাণ করেছে যে, প্রতিবন্ধীরা সমাজ ও পরিবারের বোঝা নয়। উপযুক্ত পরিবেশ পেলে তারাও দেশ ও জাতির কল্যাণে ভূমিকা রাখতে পারে।
- ক)(1)
সুভার পিতার নাম কী?
- খ)(2)
প্রতাপের প্রতি তার বাবা-মায়ের নিরাশ হওয়ার কারণ বুঝিয়ে লেখ।
- গ)(3)
উদ্দীপকের রাইমার সাথে 'সুভা' গল্পের সুভার বৈসাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকের রাইমার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার দিকটিই সুভা' গল্পের লেখকের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য।- মন্তব্যটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
সুভার পিতার নাম বাণীকণ্ঠ।
- খ)
প্রতাপ কোনো কাজকর্ম না করে অলসভাবে সময় কাটাত, ছিপ ফেলে মাছ ধরাই ছিল তার প্রধান শখ। পরিবারের জন্য সে কোনো উপার্জন বা দায়িত্ব পালন করত না। তাই তার বাবা-মা তার ভবিষ্যৎ নিয়ে হতাশ হয়ে পড়েছিলেন এবং তার প্রতি নিরাশ ছিলেন।
- গ)
রাইমা দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হয়েও বাবা-মায়ের যত্ন ও নিজের চেষ্টায় সমাজে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। অন্যদিকে 'সুভা' গল্পের সুভা বাকপ্রতিবন্ধী এবং এই কারণে পরিবার ও সমাজে অবহেলিত।
বৈসাদৃশ্য: রাইমা বাবা-মায়ের সহযোগিতা ও উপযুক্ত পরিবেশ পেয়েছে, সুভা তা পায়নি। বাবা-মা সুভাকে বোঝা বা কলঙ্ক ভাবত। রাইমা স্বাবলম্বী হয়ে সম্মান পেয়েছে, আর সুভা নীরব বেদনায় নিজের সৌন্দর্য ও অনুভূতি প্রকাশ করতে পারেনি। এখানেই রাইমা ও সুভার বৈসাদৃশ্য।
- ঘ)
রাইমা প্রতিবন্ধী হয়েও পরিবারের সহযোগিতা ও নিজের চেষ্টায় সমাজে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। 'সুভা' গল্পের লেখকও সম্ভবত এমন দিকই কামনা করেছেন, মন্তব্যটি যথার্থ।
১. প্রতিবন্ধীর প্রতি সহানুভূতি: লেখক সুভার প্রতি সমাজের অবহেলাকে মানবিক দৃষ্টিতে তুলে ধরেছেন। তিনি চেয়েছেন, তাকে বোঝা না ভেবে সহানুভূতির সঙ্গে দেখা হোক।
২. মানুষ হিসেবে মর্যাদা: সুভার অনুভূতি ও সৌন্দর্য ছিল, কিন্তু কেউ তা বোঝেনি। রাইমা সেই মর্যাদা পেয়েছে।
৩. পারিবারিক সহযোগিতা: রাইমার সাফল্যের পেছনে পরিবারের ভূমিকা রয়েছে, যা সুভার জীবনে অনুপস্থিত ছিল।সুতরাং, প্রতিবন্ধী মানুষ পরিবার ও সমাজের সহযোগিতা পেলে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে, এ দিকটিই লেখকের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও