পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Jashore Board • যশোর বোর্ড ২০২২
পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন
মিতানুর দ্বাদশ শ্রেণির মানবিক বিভাগের একজন ছাত্রী। কলেজ যাতায়াতের সময় পথে প্রায় কয়েকজন বখাটে মিটানোর কে লক্ষ্য করে শিশ দেয়,অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করে উত্ত্যক্ত করে। মিতানুর বিষয়টি শ্রেণী শিক্ষককে জানাই।শ্রেণি শিক্ষক বখাটেদেরকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
- ক)(1)
খাদ্য ভেজাল কী?
- খ)(2)
এইডস রোগ কিভাবে ছড়ায়?
- গ)(3)
উদ্দীপকে নাগরিক কোন সমস্যার কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
উক্ত সমস্যার সমাধানে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের পাশাপাশি নাগরিকের ভূমিকা আলোচনা কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
খাবারের গুণগত মান নষ্ট করে তাতে নিম্নমানের, ক্ষতিকর, অপ্রয়োজনীয় বা রাসায়নিক উপাদান মিশিয়ে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করাকে খাদ্য ভেজাল বলা হয়।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
এইচআইভি (HIV) সংক্রমিত ব্যক্তির রক্তের সংস্পর্শ, অনিরাপদ ও অনৈতিক শারীরিক সম্পর্ক, একই সূচ বা সিরিঞ্জ একাধিক ব্যক্তির ব্যবহার এবং এইচআইভি পজিটিভ গর্ভবতী মায়ের মাধ্যমে তাঁর গর্ভস্থ বা দুগ্ধপোষ্য শিশুর দেহে এইডস রোগ ছড়ায়। সাধারণ ছোঁয়া, হাঁচি-কাশি বা একত্রে চলাফেরায় এ রোগ ছড়ায় না।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে বর্তমান সময়ের মারাত্মক সামাজিক ও নাগরিক সমস্যা 'ইভটিজিং' (যৌন হয়রানি)-এর কথা বলা হয়েছে।
সাধারণত প্রকাশ্য স্থানে বা জনসমক্ষে মেয়েদের লক্ষ্য করে অশালীন মন্তব্য, ইঙ্গিত, শিস দেওয়া বা যেকোনো ধরনের মানসিক ও শারীরিক হেনস্তাকে ইভটিজিং বলা হয়। এটি নারী উন্নয়ন, শিক্ষা ও নারীর নিরাপত্তার অন্যতম প্রধান অন্তরায়।
উদ্দীপকে দেখা যায়, দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী মিতানুরকে কলেজে যাতায়াতের পথে কয়েকজন বখাটে উদ্দেশ্য করে শিস দেয় এবং অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করে উত্ত্যক্ত করে। এটি স্পষ্টভাবে ইভটিজিংয়ের সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে। এর ফলে সমাজে নারীদের স্বাভাবিক চলাচল বিঘ্নিত হয় এবং নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি হয়।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ইভটিজিং প্রতিরোধে সরকারের নানামুখী পদক্ষেপের পাশাপাশি সাধারণ নাগরিকের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ:
১. সরকার ইভটিজিং প্রতিরোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট) পরিচালনা ও দণ্ডবিধির ৫০৯ ধারা প্রয়োগ করে দোষীদের তাৎক্ষণিক শাস্তির ব্যবস্থা করছে।
২. জরুরি সেবা হটলাইন (যেমন: ৯৯৯, ১০৯) চালু করে অভিযোগ জানানোর দ্রুত সুযোগ সৃষ্টি করেছে।
৩. বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী কমিটি গঠনের বিধান করেছে।নাগরিকের ভূমিকা:
১. পারিবারিক সচেতনতা ও মূল্যবোধ: পরিবারে সন্তানদের মধ্যে নারীর প্রতি শ্রদ্ধাশীল মানসিকতা এবং নৈতিক শিক্ষার বিকাশ ঘটাতে হবে।
২. সামাজিক প্রতিরোধ: পথেঘাটে কোথাও এমন ঘটনা ঘটতে দেখলে নীরব দর্শক না থেকে বখাটেদের প্রতিহত করা এবং তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে অবহিত করতে হবে, যা উদ্দীপকের শিক্ষক করেছেন।
৩. আইনি সহযোগিতা: ভুক্তভোগীকে দোষারোপ না করে তাকে মানসিক সমর্থন দেওয়া এবং আইনি পদক্ষেপে সাহায্য করা।
৪. কমিউনিটি উদ্যোগ: পাড়া-মহল্লায় সামাজিক নিরাপত্তা কমিটি গঠন ও কিশোর গ্যাংগুলোর ওপর নজরদারি বৃদ্ধি করা।অতএব, কেবল সরকারি আইনি ব্যবস্থার ওপর নির্ভর না করে নাগরিকদের সচেতন ও সোচ্চার ভূমিকা পালনের মাধ্যমেই ইভটিজিংমুক্ত সমাজ গঠন সম্ভব।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও