‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Barishal Board • বরিশাল বোর্ড ২০২৩

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন

বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে পৃথিবী ক্রমাগত উত্তপ্ত হচ্ছে। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ছে, সৃষ্টি হচ্ছে নানাবিদ দুর্যোগ। পরিবর্তিত হচ্ছে প্রকৃতি ও আবহাওয়া।

  1. ক)

    ইভটিজিং কী?

    (1)
  2. খ)

    দুর্নীতির মূল কারণ গুলো কী কী?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে যে পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছে, বাংলাদেশে তার প্রভাব বর্ণনা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    উক্ত পরিবর্তনজনিত সমস্যা মোকাবেলায় তোমার সুপারিশ লেখ।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    প্রকাশ্য স্থানে বা পথেঘাটে নারীদের উদ্দেশ্য করে কোনো ধরনের অশোভন মন্তব্য, ইঙ্গিত, হয়রানি বা উত্ত্যক্ত করাকে ইভটিজিং বলা হয়।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    দুর্নীতির মূল কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো মানুষের নৈতিক অবক্ষয় ও সীমাহীন লোভ। এছাড়া আইনের দুর্বল প্রয়োগ, জবাবদিহিতার অভাব, দারিদ্র্য ও নিম্ন বেতন কাঠামো, রাজনৈতিক সদিচ্ছার ঘাটতি, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণে সমাজে দুর্নীতির বিস্তার ঘটে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কথা বলা হয়েছে। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাবের অন্যতম প্রধান শিকার বাংলাদেশ।

    এর ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পেয়ে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের বিশাল এলাকা প্লাবিত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। এর প্রভাবে উপকূলের কৃষিজমিতে লবণাক্ততা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যার ফলে সুপেয় পানির সংকট এবং ফসলের উৎপাদন হ্রাস পাচ্ছে। এছাড়াও বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙন ও খরার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের তীব্রতা ও পুনরাবৃত্তি বেড়ে চলেছে। এর ফলে বহু মানুষ ভিটেমাটি হারিয়ে জলবায়ু উদ্বাস্তু হয়ে শহরে পাড়ি জমাচ্ছে, যা জাতীয় অর্থনীতি ও সার্বিক জনজীবনে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উল্লিখিত বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমস্যা মোকাবেলায় গৃহীত পদক্ষেপ ও সুপারিশসমূহ নিচে উল্লেখ করা হলো:

    ১. পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়ন: ব্যাপক হারে বৃক্ষরোপণ অভিযান পরিচালনা করা এবং বিদ্যমান বনভূমি উজাড় রোধ করা। ম্যানগ্রোভ বা সুন্দরবন সংরক্ষণ জোরদার করা।
    ২. নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার: জীবাশ্ম জ্বালানির (কয়লা, তেল ইত্যাদি) ব্যবহার কমিয়ে সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি ও অন্যান্য পরিবেশবান্ধব নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি করা।
    ৩. টেকসই অবকাঠামো নির্মাণ: উপকূলীয় বাঁধ নির্মাণ ও সংস্কার করা এবং দুর্যোগ সহনশীল আধুনিক সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণ করা।
    ৪. লবণাক্ততা ও খরা সহনশীল ফসলের উদ্ভাবন: জলবায়ু উপযোগী কৃষিব্যবস্থার উন্নয়ন এবং লবণাক্ততাসহিষ্ণু ফসলের জাত সম্প্রসারণ করা।
    ৫. সচেতনতা ও আইন প্রয়োগ: পরিবেশ দূষণ রোধে কঠোর আইন প্রয়োগ করা এবং সাধারণ জনগণের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা তৈরি করা।
    ৬. আন্তর্জাতিক সহযোগিতা: জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী উন্নত দেশগুলো থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ে আন্তর্জাতিক ফোরামে জোরালো কূটনৈতিক তৎপরতা চালানো।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন