ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র • Chattogram Board • চট্টগ্রাম বোর্ড ২০১৫
ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র প্রশ্ন
জনাব জোবায়ের ২০১৪ সালে তার প্রতিষ্ঠান থেকে ২ লক্ষ পিস শার্ট বিক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করলেন। কিন্তু তিনি তার বিক্রয় বিভাগ, বাজারজাতকরণ বিভাগ ও অর্থবিভাগের সাথে কোন রকম যোগাযোগ না করায় অনেক শার্ট অবিক্রিত থেকে যায়। যার কারণে গুদামজাতকরণে সমস্যা দেখা দেয় এবং প্রতিষ্ঠানটি প্রচুর আর্থিক লোকসানের সম্মুখীন হয়। এ অবস্থায় জনাব জোবায়ের তার প্রতিষ্ঠানের সকল নীতিমালা নতুন করে সাজানোর চিন্তা করছেন। কারণ সকলের সাথে আলাপ আলোচনা না করে নীতিমালা তৈরি করলে লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব হয় না।
- ক)(1)
যোগাযোগ কী?
- খ)(2)
ভারসাম্যের নীতি বলতে কী বোঝায়?
- গ)(3)
জনাব জোবায়েরের প্রতিষ্ঠানে ব্যবস্থাপনার কোন কাজের ঘাটতি পরিলক্ষিত হয়? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকের জোবায়ের তার প্রতিষ্ঠানের সফলতার জন্য যে পদক্ষেপ নিয়েছেন তার যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
দুই বা ততোধিক ব্যক্তি বা পক্ষের মধ্যে তথ্য, সংবাদ, ভাব বা মতামতের পারস্পরিক বিনিময়কে যোগাযোগ বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন বিভাগ, উপ-বিভাগ এবং কর্মীদের দায়িত্ব, ক্ষমতা ও কাজের মধ্যে সুষম সামঞ্জস্য ও সমতা বজায় রাখার নীতিকে ভারসাম্যের নীতি বলে।
ব্যবস্থাপনায় ভারসাম্যের নীতি বাস্তবায়িত হলে কোনো একটি বিভাগ বা ব্যক্তির ওপর অতিরিক্ত কাজের চাপ পড়ে না এবং কাজের অগ্রগতি সব ক্ষেত্রে সমানতালে বজায় থাকে, যা সামগ্রিক লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক হয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
জনাব জোবায়েরের প্রতিষ্ঠানে ব্যবস্থাপনার 'সমন্বয়সাধন' (Coordination) এবং 'যোগাযোগ' কাজের মারাত্মক ঘাটতি পরিলক্ষিত হয়।
প্রতিষ্ঠানের অভিন্ন লক্ষ্য অর্জনের জন্য বিভিন্ন বিভাগ, উপ-বিভাগ ও ব্যক্তির প্রচেষ্টাকে একত্রিত ও সংহত করার প্রক্রিয়াকে সমন্বয়সাধন বলে। এর জন্য আন্তঃবিভাগীয় কার্যকর যোগাযোগ অপরিহার্য।
উদ্দীপকে জনাব জোবায়ের ২ লক্ষ পিস শার্ট বিক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করলেও বিক্রয়, বিপণন ও অর্থবিভাগের সাথে কোনো রকম যোগাযোগ বা সমন্বয় করেননি। ফলে বাস্তব চাহিদার সাথে উৎপাদনের সামঞ্জস্য না থাকায় বিপুল পরিমাণ শার্ট অবিক্রিত থেকে যায় এবং আর্থিক ক্ষতি হয়। এতে সুস্পষ্টভাবে সমন্বয়ের অভাব প্রমাণিত হয়।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
জনাব জোবায়ের তার প্রতিষ্ঠানের সফলতার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে সকল নীতিমালা নতুন করে সাজানোর যে পদক্ষেপ নিয়েছেন, তা অত্যন্ত সময়োপযোগী ও যথার্থ।
ব্যবস্থাপনায় নীতি প্রণয়ন ও পরিকল্পনা গ্রহণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় প্রধান ও অধস্তনদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করলে পরিকল্পনা বাস্তবমুখী হয়। উদ্দীপকে জনাব জোবায়ের পূর্বে একক সিদ্ধান্তে ২ লক্ষ পিস শার্ট বিক্রয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করায় এবং অন্যান্য বিভাগের সাথে যোগাযোগ রক্ষা না করায় প্রতিষ্ঠানটি আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ে।
বিপুল আর্থিক লোকসান ও গুদামজাতকরণ সমস্যার পর তিনি উপলব্ধি করেন যে, সকলের সাথে আলোচনা না করে এককভাবে নীতি তৈরি করলে সাফল্য আসে না। নতুন নীতিমালা প্রণয়নে বিক্রয়, বিপণন ও অর্থ বিভাগের সাথে সমন্বিত আলোচনা প্রতিষ্ঠানের বাস্তব অবস্থা মূল্যায়নে সাহায্য করবে। এর ফলে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন সহজ হবে এবং প্রাতিষ্ঠানিক লক্ষ্য অর্জন নিশ্চিত হবে। অতএব, তার গৃহীত পদক্ষেপটি সম্পূর্ণ যৌক্তিক ও কার্যকর।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও