পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০২৫
পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন

- ক)(1)
Libery শব্দটি ল্যাটিন কোন শব্দ থেকে এসেছে?
- খ)(2)
মানুষ আইন মান্য করে কেন?
- গ)(3)
উদ্দীপকে প্রশ্নবোধক (?) চিহ্নটি কোন বিষয়টির প্রতি ইঙ্গিত করে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে প্রশ্নবোধক (?) চিহ্নিত বিষয়টি নাগরিক স্বাধীনতার অন্যতম রক্ষাকবচ- বিশ্লেষণ করো। 8
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
Liberty শব্দটি ল্যাটিন শব্দ 'Liber' থেকে এসেছে, যার অর্থ স্বাধীন।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
মানুষ মূলত সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা, নিজের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং শাস্তির ভয়ে আইন মান্য করে।
আইন মান্য করার পেছনে নৈতিক চেতনা ও সামাজিক উপযোগিতাবোধ কাজ করে। মানুষ উপলব্ধি করে যে আইন না মানলে সমাজে অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হবে, যার ফলে কারোরই জীবন ও সম্পত্তির নিরাপত্তা থাকবে না। এছাড়া রাষ্ট্রের সার্বভৌমিক ক্ষমতার প্রয়োগ এবং আইন অমান্য করলে শাস্তির ভয় মানুষকে আইন মেনে চলতে বাধ্য করে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে প্রশ্নবোধক (?) চিহ্নিত বিষয়টি 'আইনের উৎস'-এর প্রতি ইঙ্গিত করে।
রাষ্ট্রবিজ্ঞানী হল্যান্ডের মতে আইনের প্রধান উৎস ছয়টি: প্রথা, ধর্ম, বিচারকের রায়, ন্যায়বিচার, বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা এবং আইনসভা। উদ্দীপকে প্রশ্নবোধক চিহ্নের সাথে আইনসভা, বিচারকের রায়, ধর্ম এবং প্রথা সম্পর্কিত দেখানো হয়েছে, যা সরাসরি আইনের প্রধান উৎসসমূহকে নির্দেশ করে।
প্রাচীনকাল থেকেই সমাজে প্রচলিত রীতিনীতি বা প্রথা পরবর্তীতে রাষ্ট্রে আইন হিসেবে স্বীকৃতি পায়। ধর্মীয় অনুশাসন মানুষের আচার-আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে আইনের রূপ লাভ করে। বিচারকগণ কোনো মামলার নিষ্পত্তি করতে গিয়ে প্রচলিত আইনের ব্যাখ্যা দেন বা নতুন সিদ্ধান্ত দেন, যা উত্তরকালে আইন হিসেবে গণ্য হয়। আর আধুনিককালে আইনের প্রধান ও সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ উৎস হলো আইনসভা। সুতরাং, উদ্দীপকের ছকটিতে প্রশ্নবোধক (?) চিহ্ন দ্বারা আইনের উৎস বা আইনকে নির্দেশ করা হয়েছে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে প্রশ্নবোধক (?) চিহ্নিত বিষয়টি হলো 'আইন', যা নাগরিক স্বাধীনতার অন্যতম প্রধান রক্ষাকবচ— উক্তিটি যথার্থ ও সর্বজনস্বীকৃত।
আইন ও স্বাধীনতার সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়। জন লকের বিখ্যাত উক্তি অনুসারে, "যেখানে আইন নেই, সেখানে স্বাধীনতা থাকতে পারে না" (Where there is no law, there is no freedom)। আইন নাগরিকের স্বাধীনতাকে সংকুচিত করে না, বরং সংরক্ষণ ও সম্প্রসারিত করে।
আইন কেন নাগরিক স্বাধীনতার রক্ষাকবচ তা নিম্নে বিশ্লেষণ করা হলো:
১. অধিকার ও স্বাধীনতার স্বীকৃতি: রাষ্ট্রীয় আইন নাগরিকের মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতার সীমারেখা নির্ধারণ করে দেয় এবং তা সংবিধানে লিপিবদ্ধ করে সুরক্ষা প্রদান করে।
২. সবলের অত্যাচার থেকে দুর্বলের রক্ষা: আইন না থাকলে সমাজে 'জোর যার মুলুক তার' অবস্থা সৃষ্টি হতো। আইন সমাজ থেকে অরাজকতা দূর করে দুর্বলের ওপর সবলের আধিপত্য রোধ করে সবার স্বাধীনতা নিশ্চিত করে।
৩. স্বাধীনতার পরিধি নির্ধারণ ও সামঞ্জস্য বিধান: একজনের অবাধ স্বাধীনতা অন্যজনের স্বাধীনতা হরণের কারণ হতে পারে। আইন প্রত্যেকের স্বাধীনতার সীমা নির্দিষ্ট করে পারস্পরিক সংঘর্ষ দূর করে।
৪. শাস্তির ব্যবস্থা: নাগরিকের স্বাধীনতায় কেউ হস্তক্ষেপ করলে আইন ভঙ্গকারীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নিশ্চয়তা দেয়।অতএব, উপর্যুক্ত পর্যালোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, আইন নাগরিক স্বাধীনতার পরিপন্থী নয়; বরং আইনই নাগরিকের স্বাধীনতার প্রকৃত অভিভাবক ও অন্যতম প্রধান রক্ষাকবচ।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও