ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র • Barishal Board • বরিশাল বোর্ড ২০২৩
ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র প্রশ্ন

- ক)(1)
বাজেট কী?
- খ)(2)
"নিয়ন্ত্রণকার্য ভিত্তিনির্ভর"-ব্যাখা কর।
- গ)(3)
উদ্দীপকে " গ" চিহ্নিত স্থানে কি রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকের রেখাচিত্রের ধাপগুলোর ফলপ্রদতা- বিশ্লেষণ কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
পরিকল্পনার সংখ্যাত্মক বা সংখ্যায় প্রকাশিত রূপকে বাজেট বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
নিয়ন্ত্রণকার্য পরিকল্পনানির্ভর হওয়ায় একে ভিত্তিনির্ভর কাজ বলা হয়।
নিয়ন্ত্রণের প্রধান ভিত্তি হলো পরিকল্পনা বা আদর্শমান। পরিকল্পনার আলোকে আদর্শমান নির্ধারিত হয় এবং সেই মানের সাথে প্রকৃত কাজের তুলনা করে কাজের সঠিকতা ও বিচ্যুতি নির্ণয় করা হয়। কোনো ভিত্তি বা মানদণ্ড না থাকলে কাজের পরিমাপ বা বিচ্যুতি নির্ণয় করা অসম্ভব। তাই নিয়ন্ত্রণকার্য সবসময় পূর্বনির্ধারিত ভিত্তির ওপর নির্ভর করে পরিচালিত হয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে 'গ' চিহ্নিত স্থানে নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়ার ৩য় ধাপ—"অর্জিত কার্যফলের সাথে আদর্শমানের তুলনা" বা "তুলনাকরণ" রয়েছে।
নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়ার ধারাবাহিক পদক্ষেপগুলো হলো: আদর্শমান নির্ধারণ, কার্যফল পরিমাপ, আদর্শমানের সাথে সম্পাদিত কার্যের তুলনা, বিচ্যুতির কারণ নির্ণয় ও মূল্যায়ন এবং সংশোধনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ।
উদ্দীপকের চিত্রে নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়ার বিভিন্ন স্তর বা ধাপ নির্দেশ করা হয়েছে। এখানে ২য় ধাপে কার্যফল পরিমাপের পর এবং ৪র্থ ধাপে বিচ্যুতির কারণ নির্ণয়ের পূর্বে ৩য় ধাপে 'গ' চিহ্নিত স্থানটি রয়েছে। এই ধাপে ২য় ধাপে পরিমাপকৃত প্রকৃত কার্যফলকে ১ম ধাপের নির্ধারিত আদর্শমানের সাথে তুলনা করা হয়। তুলনার মাধ্যমেই মূলত কাজে কোনো বিচ্যুতি বা ঘাটতি আছে কি না তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। সুতরাং, 'গ' চিহ্নিত স্থানে রয়েছে 'অর্জিত ফলের সাথে আদর্শমানের তুলনা' ধাপটি।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের রেখাচিত্রে উপস্থাপিত নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়ার ধাপগুলো প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক লক্ষ্য অর্জনে অত্যন্ত ফলপ্রসূ ও অপরিহার্য।
চিত্রটিতে একটি সুশৃঙ্খল নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়ার ৫টি ধাপ দেখানো হয়েছে—আদর্শমান নির্ধারণ, কার্যফল পরিমাপ, মানের সাথে তুলনা, বিচ্যুতির কারণ বিশ্লেষণ এবং সংশোধনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ। এই ধাপগুলো ধারাবাহিকভাবে অনুসরণের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ কার্যকর হয়ে ওঠে।
ধাপগুলোর ফলপ্রদতা নিচে বিশ্লেষণ করা হলো:
১. আদর্শমান নির্ধারণ: এটি কর্মীদের জন্য কাজের সুস্পষ্ট লক্ষ্য ও মানদণ্ড তৈরি করে, যা কাজের দিকনির্দেশনা প্রদান করে।
২. কার্যফল পরিমাপ: এর মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ান্তে প্রকৃত সম্পাদিত কাজের পরিমাণ ও গুণগত মান সঠিকভাবে জানা যায়।
৩. তুলনা সাধন: আদর্শমানের সাথে প্রকৃত ফলের তুলনা করে কাজ প্রত্যাশা অনুযায়ী হচ্ছে কি না বা কোনো ব্যবধান রয়েছে কি না তা শনাক্ত করা যায়।
৪. বিচ্যুতির কারণ নির্ণয় ও মূল্যায়ন: কোনো ঘাটতি বা বিচ্যুতি থাকলে তা কেন হলো (যেমন: কাঁচামালের অভাব, দক্ষতার ঘাটতি ইত্যাদি) তা উদঘাটন করা যায়।
৫. সংশোধনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ: চিহ্নিত কারণ অনুযায়ী সময়মতো সঠিক ও প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ নিশ্চিত করে যাতে ভবিষ্যতে একই ভুলের পুনরাবৃত্তি না ঘটে।পরিশেষে বলা যায়, নিয়ন্ত্রণের ধাপগুলো একটি অপরটির সাথে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত এবং চক্রাকারে আবর্তিত হয়। এই ধারাবাহিক ধাপগুলো যথাযথভাবে অনুসরণের ফলেই অপচয় রোধ হয়, সম্পদের সদ্ব্যবহার ঘটে এবং প্রতিষ্ঠানের কাঙ্ক্ষিত উদ্দেশ্য সফলভাবে অর্জিত হয়।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও