যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০১৯

যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র প্রশ্ন

হেপি একাদশ শ্রেণিতে মানবিক বিভাগে ভর্তি হলো। সে জানলো মানবিক বিভাগে একটি মজার বিষয় আছে। যার লক্ষ্য ‘সত্যকে প্রতিষ্ঠা করা এবং সেটি একটি আদর্শমূলক বিজ্ঞান ।’

  1. ক)

    Logos শব্দটির অর্থ কী?

    (1)
  2. খ)

    যুক্তিবিদ্যাকে কেন চিন্তামূলক বিজ্ঞান বলা হয়?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে কোন বিষয়ের ইঙ্গিত পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে উল্লেখিত বিষয়টি বাস্তব জীবনে প্রয়োগের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    গ্রিক শব্দ 'Logos' (লগোস) এর অর্থ হলো চিন্তা, জ্ঞান বা শব্দ/ভাষা।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যুক্তিবিদ্যা চিন্তার নিয়মাবলি নিয়ে আলোচনা করে বলে একে চিন্তামূলক বিজ্ঞান বলা হয়। এটি মূলত মানুষের বৈধ চিন্তা প্রক্রিয়ার সাধারণ নিয়ম, অনুমানের প্রকৃতি এবং সত্যতা অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় চিন্তার বিভিন্ন পদ্ধতি নিয়ে সুশৃঙ্খলভাবে অনুসন্ধান করে। তাই যুক্তিবিদ্যাকে আদর্শ চিন্তার বিজ্ঞান বা চিন্তামূলক বিজ্ঞান বলা হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে 'যুক্তিবিদ্যা' (Logic) বিষয়ের ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

    উদ্দীপকে বলা হয়েছে, বিষয়টির লক্ষ্য 'সত্যকে প্রতিষ্ঠা করা এবং সেটি একটি আদর্শমূলক বিজ্ঞান।' যুক্তিবিদ্যা এমন একটি আদর্শমূলক বিজ্ঞান যা সত্যের অনুসন্ধান ও অসত্যকে পরিহার করার উদ্দেশ্যে সঠিক চিন্তার নিয়মাবলি আলোচনা করে। যুক্তিবিদ্যার মূল লক্ষ্যই হলো বৈধ অনুমান ও যুক্তিপদ্ধতির মাধ্যমে পরম সত্যকে প্রতিষ্ঠা করা। এটি মানুষের মানসিক প্রক্রিয়া বা চিন্তাকে সত্যতার আদর্শে পরিচালিত করার উপায় নির্দেশ করে। সুতরাং উদ্দীপকের বৈশিষ্ট্যগুলো যুক্তিবিদ্যাকেই নির্দেশ করে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উল্লেখিত বিষয়টির (যুক্তিবিদ্যা) বাস্তব জীবনে প্রয়োগের গুরুত্ব অপরিসীম।

    বাস্তব জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে যুক্তিবিদ্যার গুরুত্ব নিম্নরূপ:
    ১. সঠিক ও নির্ভুল চিন্তন: যুক্তিবিদ্যা সঠিক যুক্তির নিয়মাবলি শেখায়, যার ফলে মানুষ আবেগ বা অন্ধবিশ্বাসের বশবর্তী না হয়ে যুক্তিসঙ্গত ও সুশৃঙ্খলভাবে চিন্তা করতে পারে।
    ২. অসত্য ও কুসংস্কার পরিহার: যুক্তিবিদ্যা যুক্তির অনুপপত্তি বা ত্রুটিগুলো ধরিয়ে দেয়, ফলে সমাজ থেকে বিভিন্ন কুসংস্কার, ভুল ধারণা ও বিভ্রান্তিকর মতবাদ দূর করা সম্ভব হয়।
    ৩. সিদ্ধান্ত গ্রহণ: ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক জীবনের জটিল পরিস্থিতিতে সঠিক ও যৌক্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে যুক্তিবিদ্যার জ্ঞান অত্যন্ত সহায়ক।
    ৪. বিতর্ক ও মতপ্রকাশ: নিজের মতামত সুন্দর ও সুসংগতভাবে উপস্থাপন এবং অপরের যুক্তি মূল্যায়নে যুক্তিবিদ্যার অনুমানের নিয়মাবলি মৌলিক ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।

    অতএব, সত্যের প্রতিষ্ঠা এবং বাস্তব জীবনে সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলার জন্য যুক্তিবিদ্যার জ্ঞান অপরিহার্য।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন