ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০২০

ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং প্রশ্ন

মিসেস রুবিনা সম্প্রতি যমুনা ব্যাংকে একটি হিসাব খোলার সিদ্ধান্ত নেন। তার ইচ্ছা এ হিসাব মেয়ের বৃত্তির টাকা এবং সংসার খরচ থেকে বাঁচানো উদ্বৃত্ত টাকা জমা রখিবেন। রুবিনার বান্ধবী সীমার ভাই সৌদি আরবে থাকেন। সম্প্রতি সীমা ঢাকায় রুবিনার বাসায় বেড়াতে এসে জানতে পারেন যে, তার ভাই সোনালী ব্যাংকের যশোর শাখায় সীমার হিসাবে কিছু টাকা পাঠিয়েছে। সীমা, ঢাকায় সোনালী ব্যাংকের একটি শাখা থেকে ঐ টাকা উত্তোলন করতে চাইলে ব্যাংক অপারগতা প্রকাশ করে। অথচ তার নগদ টাকার প্রয়োজন ছিল।

  1. ক)

    ক্রেডিট কার্ড কী?

    (1)
  2. খ)

    হিসাব খোলার জন্য কোন ব্যাংক বেশি নিরাপদ?ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    মিসেস রুবিনার জন্য উপযুক্ত হিসাব কোনটি? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    তুমি কি মনে করো ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং সীমার সমস্যার সমাধান করতে পারত? যুক্তি দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    ক্রেডিট কার্ড হলো ব্যাংক কর্তৃক প্রদত্ত এমন একটি প্লাস্টিক কার্ড, যা দিয়ে গ্রাহক নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত বাকিতে পণ্য কিনতে বা সেবা নিতে পারে এবং পরে ব্যাংকের কাছে তা পরিশোধ করে।

  2. খ)

    হিসাব খোলার জন্য সেই ব্যাংক বেশি নিরাপদ, যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদনপ্রাপ্ত তফসিলি ব্যাংক এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ ও তদারকির আওতাধীন। এমন ব্যাংক বিধিবদ্ধ নগদ জমা ও তারল্য সংরক্ষণ করে এবং আমানতকারীর স্বার্থ রক্ষার নিয়ম মেনে চলে। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক সরকারি মালিকানার কারণে অধিক আস্থার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়।

  3. গ)

    মিসেস রুবিনার জন্য সঞ্চয়ী হিসাব (Savings Account) উপযুক্ত।

    সঞ্চয়ী হিসাব সাধারণ মানুষের ছোট ছোট সঞ্চয় জমা রাখার হিসাব। এতে সুদ পাওয়া যায় এবং উত্তোলনের সংখ্যার ওপর কিছু সীমা থাকে। রুবিনা মেয়ের বৃত্তির টাকা ও সংসার খরচ থেকে বাঁচানো উদ্বৃত্ত টাকা জমাতে চান। এই সঞ্চয়ের ইচ্ছা ও সুদ অর্জনের সুযোগ সঞ্চয়ী হিসাবেই পাওয়া যায়। তাই এটি তাঁর জন্য উপযুক্ত।

  4. ঘ)

    হ্যাঁ, আমার মনে হয় ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং সীমার সমস্যার সমাধান করতে পারত।

    সীমার ভাই সোনালী ব্যাংকের যশোর শাখায় টাকা পাঠিয়েছেন, কিন্তু ঢাকার শাখা থেকে তা তোলা যায়নি।

    ১. অনলাইন ব্যাংকিং: শাখাগুলো কেন্দ্রীয় ডেটাবেসে যুক্ত থাকলে যেকোনো শাখা থেকে হিসাবের টাকা উত্তোলন করা যায়।
    ২. এটিএম ও ডেবিট কার্ড: কার্ড থাকলে এটিএম বুথ থেকে ঢাকায় বসেই নগদ টাকা তোলা যেত।
    ৩. মোবাইল ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং: এর মাধ্যমে সীমা সহজে টাকা স্থানান্তর বা প্রয়োজনীয় লেনদেন করতে পারতেন।

    সুতরাং, ইলেকট্রনিক ব্যাংকিংয়ের সুবিধা থাকলে সীমা সময়মতো ঢাকায় বসেই নগদ টাকা পেতেন।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন