অর্থনীতি ২য় পত্র • Jashore Board • যশোর বোর্ড ২০১৭

অর্থনীতি ২য় পত্র প্রশ্ন

করিম খুলনায় জুট মিলে কাজ করে। সে মিলের পাশেই বস্তিতে বসবাস করে। সেখানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে অনেক লোকের বাস। নাই পয়ঃনিষ্কাশন ও রাস্তাঘাটের সুবিধা। আমাশয়, কলেরা, ডায়রিয়া প্রভৃতি রোগ লেগেই আছে। একদিন টেলিভিশন দেখে সে জানতে পারল- এ দেশের স্বাস্থ্যগত সমস্যা, পরিবেশ দূষণ প্রভৃতি জনসংখ্যা বেশি হওয়ার কারণেই হচ্ছে।

  1. ক)

    জনসংখ্যার ঘনত্ব কী?

    (1)
  2. খ)

    প্রশিক্ষণ কীভাবে মানবসম্পদ উন্নয়নে সহায়তা করে?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রভাবসমূহ ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে করিমের সমস্যা সমাধানে কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে?

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    কোনো দেশের মোট জনসংখ্যাকে সে দেশের মোট ভূমির আয়তন বা ক্ষেত্রফল দিয়ে ভাগ করলে যে অনুপাত পাওয়া যায়, তাকে জনসংখ্যার ঘনত্ব বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সাধারণ ও অদক্ষ মানবসম্পদকে কর্মোপযোগী, দক্ষ ও উৎপাদনশীল শক্তিতে রূপান্তর করা যায়। প্রশিক্ষণ মানুষের জ্ঞান, কারিগরি দক্ষতা ও কাজের মান বৃদ্ধি করে, যা শ্রমের উৎপাদনশীলতা বহুগুণে বাড়িয়ে দিয়ে দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টিতে প্রত্যক্ষ ভূমিকা রাখে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে করিমের বস্তি জীবন ও টেলিভিশনের খবরের মাধ্যমে বাংলাদেশের অতিরিক্ত জনসংখ্যা বৃদ্ধির নানা ক্ষতিকর প্রভাব তুলে ধরা হয়েছে:
    ১. পরিবেশ দূষণ ও বস্তির বিস্তার: অতিরিক্ত জনসংখ্যার কারণে শহরে আবাসন সংকট তীব্র হয় এবং বস্তির সংখ্যা বাড়ে, যার ফলে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সংকট তৈরি হয়।
    ২. স্বাস্থ্য সংকট ও রোগব্যাধির বিস্তার: অতিরিক্ত জনসংখ্যার চাপে নিরাপদ পানি, সঠিক পয়ঃনিষ্কাশন এবং পর্যাপ্ত চিকিৎসা সেবার অভাবে ডায়রিয়া, আমাশয় ও কলেরার মতো সংক্রামক ব্যাধি ছড়িয়ে পড়ে।
    ৩. নাগরিক সুবিধার অপ্রতুলতা: অতিরিক্ত চাপের কারণে রাস্তাঘাট, পরিবহন, বাসস্থানসহ মৌলিক অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধাগুলোর ওপর মারাত্মক ঘাটতি দেখা দেয়।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে করিম যে মানবেতর পরিবেশ ও স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে বসবাস করছে, তা সমাধানের জন্য নিম্নোক্ত পদক্ষেপসমূহ গ্রহণ করা যেতে পারে:
    ১. স্বাস্থ্যকর আবাসন ও বস্তি উন্নয়ন: বস্তিবাসীদের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে স্বাস্থ্যসম্মত বাসস্থান নির্মাণ, পর্যাপ্ত পয়ঃনিষ্কাশন ও বিশুদ্ধ খাবার পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।
    ২. বিনামূল্যে বা স্বল্পমূল্যে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদান: সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে বস্তি এলাকায় নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ স্বাস্থ্য ক্যাম্প ও টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা করা।
    ৩. জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও পরিবার পরিকল্পনা: জনসংখ্যা বৃদ্ধির ক্ষতিকর প্রভাব রোধে পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম জোরদার করা এবং সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
    ৪. গ্রামীণ উন্নয়ন ও বিকেন্দ্রীকরণ: শহরমুখী অভিবাসন রোধে গ্রামাঞ্চলে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রম বিকেন্দ্রীকরণ করা।
    ৫. শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি ও জীবনমান উন্নয়ন: মিল শ্রমিকদের জীবনযাত্রার ব্যয় অনুযায়ী মজুরি বৃদ্ধি এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

    এসব পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে করিমের মতো বস্তিবাসী শ্রমিকের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা সম্ভব।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন