‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০১৭

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান | → | রাষ্ট্রপতি
সৈয়দ নজরুল ইসলাম | → | উপ-রাষ্ট্রপতি
তাজ উদ্দীন আহমদ | → | প্রধানমন্ত্রী
খন্দকার মোশতাক আহমেদ | → | পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ক্যাপ্টেন (অবঃ) মনসুর আলী | → | অর্থমন্ত্রী
এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান | → | স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
জেনারেল এম.এ.জি ওসমানী | → | প্রধান সেনাপতি

  1. ক)

    দ্বৈত শাসন কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    কেন ভাষা আন্দোলন হয়েছিল?

    (2)
  3. গ)

    উল্লিখিত তথ্যটি তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন সরকারকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে উক্ত সরকারের ভূমিকা মূল্যায়ন কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    একই শাসনব্যবস্থায় দুটি পৃথক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে শাসনকাজ পরিচালনার পদ্ধতিকে দ্বৈত শাসন বলে (যেমন: ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের মাধ্যমে ব্রিটিশ ভারতে প্রদেশে হস্তান্তরিত ও সংরক্ষিত বিষয়ের বিভাজন)।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    পাকিস্তানের মোট জনসংখ্যার ৫৬ শতাংশের বেশি মানুষের মুখের ভাষা ছিল বাংলা। কিন্তু পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী বাঙালিদের নিজস্ব সংস্কৃতি ও স্বকীয়তা ধ্বংস করে উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে চাপিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করে। সংখ্যাগুরু বাঙালি নিজেদের মাতৃভাষার সম্মান ও মর্যাদাকে রক্ষা এবং রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই ভাষা আন্দোলন গড়ে তোলে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উল্লিখিত তথ্যটি পাঠ্যবইয়ের ১৯৭১ সালে গঠিত 'মুজিবনগর সরকার' (বা বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার)-কে নির্দেশ করে।

    ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি করে গঠিত হয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার ভবেরপাড়া গ্রামে (বর্তমান মুজিবনগর) এই সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে। বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে উপ-রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন এবং তাজউদ্দীন আহমদ প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। এই সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জনে সর্বাধিনায়ক হিসেবে জেনারেল এম.এ.জি ওসমানীসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে ব্যক্তিবর্গকে দায়িত্ব বণ্টন করে দেয়।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে মুজিবনগর সরকারের ভূমিকা ছিল অনন্য ও অপরিহার্য।

    প্রথমত, ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ কালরাতে হানাদার বাহিনী আক্রমণ শুরু করার পর এই সরকারের গঠন মুক্তিযুদ্ধকে একটি প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি ভিত্তি দেয়। এটি স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র আনুষ্ঠানিক রূপ দেয় এবং বহির্বিশ্বে প্রমাণ করে যে মুক্তিযুদ্ধ কোনো বিচ্ছিন্ন বিদ্রোহ নয়, বরং একটি সাংবিধানিক ও নির্বাচিত সরকারের অধীনে পরিচালিত বৈধ মুক্তির লড়াই।

    দ্বিতীয়ত, মুজিবনগর সরকার সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে সুশৃঙ্খলভাবে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করে। মুক্তিবাহিনীকে সুসংগঠিত করা, খাদ্য ও অস্ত্র সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং শরণার্থীদের সহায়তায় এই সরকার বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখে।

    তৃতীয়ত, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে জনমত গঠন এবং ভারত, সোভিয়েত ইউনিয়নসহ পরাশক্তিগুলোর সমর্থন আদায়ে মুজিবনগর সরকারের কূটনীতি অত্যন্ত সফল হয়েছিল। সুতরাং, এই সরকারের বলিষ্ঠ নেতৃত্বেই দীর্ঘ নয় মাসের সশস্ত্র সংগ্রাম শেষে অর্জিত হয় স্বাধীন বাংলাদেশ।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন