পৌরনীতি ও নাগরিকতা • Barishal Board • বরিশাল বোর্ড ২০২৪
পৌরনীতি ও নাগরিকতা প্রশ্ন
সংস্থা | দপ্তর | কাজ
P | জেদ্দা | ইসলামী রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সাহায্য সহযোগিতাআলোচনা, আপস রফার মাধ্যমে সংঘর্ষ নিরসন
Q | নিউইয়র্ক | বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের মাধ্যমে উন্নত ও সমৃদ্ধ বিশ্ব গড়ে তোলা
- ক)(1)
সার্কের প্রথম উদ্দেশ্যটি লেখো।
- খ)(2)
নিরাপত্তা পরিষদকে জাতিসংঘের শাসন বিভাগ বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
ছকে উল্লেখিত 'P' দ্বারা কোন আন্তর্জাতিক সংগঠনকে বুঝানো হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
"ছকে উল্লেখিত '' সংস্থাটির সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর- উক্রিটি বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
সার্ক (SAARC)-এর প্রথম উদ্দেশ্য হলো দক্ষিণ এশিয়ার জনগণের কল্যাণ সাধন এবং তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা।
- খ)
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার প্রধান দায়িত্বপ্রাপ্ত অঙ্গ। এটি আন্তর্জাতিক বিরোধ মীমাংসা করে, আক্রমণকারী রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে এবং প্রয়োজনে সামরিক ব্যবস্থা নেয়। এটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও তা কার্যকর করার ক্ষমতা রাখে। সরকারের শাসন বিভাগও আইন কার্যকর করে। এ কারণে নিরাপত্তা পরিষদকে জাতিসংঘের শাসন বিভাগ বলা হয়।
- গ)
ছকে 'P' এর দপ্তর জেদ্দা এবং কাজ ইসলামী রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও আলোচনার মাধ্যমে সংঘর্ষ নিরসন। তাই 'P' হলো ওআইসি (Organisation of Islamic Cooperation)।
ওআইসি ১৯৬৯ সালে মরক্কোর রাবাতে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায়। মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে ঐক্য, সংহতি ও সহযোগিতা বৃদ্ধি, ফিলিস্তিনিদের অধিকার সমর্থন এবং সদস্য দেশগুলোর অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন এর লক্ষ্য।
- ঘ)
ছকে 'Q' এর দপ্তর নিউইয়র্ক এবং কাজ বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ঘটানো। তাই 'Q' হলো জাতিসংঘ। প্রশ্নে সংস্থার নাম ফাঁকা থাকায় 'Q'-কেই বোঝানো হয়েছে বলে ধরা হলো। বাংলাদেশের সঙ্গে জাতিসংঘের সম্পর্ক সত্যিই গভীর।
১. সদস্যপদ: বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের সদস্য হয়।
২. শান্তিরক্ষা: শান্তিরক্ষা মিশনে সৈন্য ও পুলিশ প্রেরণ করে বাংলাদেশ বিশ্বশান্তিতে ভূমিকা রাখছে।
৩. উন্নয়ন সহায়তা: ইউনিসেফ, ডব্লিউএইচও, ইউএনডিপি প্রভৃতি সংস্থা বাংলাদেশে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও দারিদ্র্য বিমোচনে সহায়তা করে।
৪. আদর্শগত মিল: বাংলাদেশ জাতিসংঘ সনদের আদর্শ ও বিশ্বশান্তির নীতি অনুসরণ করে।সুতরাং, বাংলাদেশ ও জাতিসংঘের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর, উক্তিটি যথার্থ।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও