ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০১৬
ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র প্রশ্ন
জাওয়াদ সাহেব বৃহদায়তন ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। প্রতিষ্ঠানে কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে তিনি শ্রমিক ইউনিয়ন ও কর্মরত কর্মকর্তাদের সুপারিশকে গুরুত্ব দেন। এতে কর্মচারীরাও বেশ খুশি থাকে।
- ক)(1)
প্রশিক্ষণ কী?
- খ)(2)
আউট সোর্সিং বলতে কী বোঝ?
- গ)(3)
কর্মী নিয়োগে উদ্দীপকে কোন উৎস ব্যবহার করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
জাওয়াদ সাহেব কর্তৃক ব্যবহৃত কর্মী সংগ্রহের উৎসের যৌক্তিকতা বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের কাজের দক্ষতা, যোগ্যতা ও জ্ঞান বৃদ্ধির জন্য যে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাদান বা প্রক্রিয়ার সাহায্য নেওয়া হয়, তাকে প্রশিক্ষণ বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
প্রতিষ্ঠানের কোনো নির্দিষ্ট কাজ নিজস্ব কর্মী দিয়ে না করিয়ে চুক্তিভিত্তিক বাইরের কোনো বিশেষজ্ঞ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সম্পাদন করিয়ে নেওয়াকে আউটসোর্সিং বলে।
এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান মূল কাজের বাইরে সহায়ক বা বিশেষায়িত কাজগুলো তুলনামূলক কম খরচে ও উন্নত মানের সেবা নিয়ে করিয়ে নিতে পারে, যা প্রতিষ্ঠানের খরচ কমায় ও সময় সাশ্রয় করে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
কর্মী নিয়োগে উদ্দীপকে কর্মী সংগ্রহের অভ্যন্তরীণ উৎস (Internal Source) ব্যবহার করা হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে কর্মরত কর্মী, শ্রমিক ইউনিয়ন বা বর্তমান কর্মকর্তাদের সুপারিশ কিংবা পদোন্নতির মাধ্যমে যখন নতুন কর্মী সংগ্রহ করা হয়, তখন তাকে কর্মী সংগ্রহের অভ্যন্তরীণ উৎস বলা হয়।
উদ্দীপকে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জাওয়াদ সাহেব প্রতিষ্ঠানে কর্মী সংগ্রহের ক্ষেত্রে বাইরে সরাসরি বিজ্ঞপ্তি না দিয়ে শ্রমিক ইউনিয়ন এবং বর্তমানে কর্মরত কর্মকর্তাদের সুপারিশকে অগ্রাধিকার দেন। যেহেতু প্রতিষ্ঠানের ভেতরের ব্যক্তিবর্গের সুপারিশের ভিত্তিতে কর্মী সংগ্রহ করা হচ্ছে, তাই এটি অভ্যন্তরীণ উৎসের অন্তর্ভুক্ত।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
জাওয়াদ সাহেব কর্তৃক ব্যবহৃত কর্মী সংগ্রহের অভ্যন্তরীণ উৎসটির যেমন কিছু সুবিধা রয়েছে, তেমনি দীর্ঘমেয়াদে এতে নানাবিধ সীমাবদ্ধতাও তৈরি হতে পারে; ফলে এককভাবে এই উৎসের ওপর নির্ভর করা পুরোপুরি যৌক্তিক নয়।
কর্মরত কর্মকর্তা ও শ্রমিক ইউনিয়নের সুপারিশে কর্মী নিয়োগ দিলে বর্তমান কর্মীদের মনোবল বৃদ্ধি পায় এবং তারা প্রতিষ্ঠানে সম্মানিত বোধ করে। পাশাপাশি নিয়োগকৃত কর্মীর বিশ্বস্ততা ও পরিচিতি সম্পর্কে আগে থেকেই জানা থাকে এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ার ব্যয় ও সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।
তবে বৃহদায়তন প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে কেবল সুপারিশের ভিত্তিতে কর্মী নিলে যোগ্য, মেধাবী ও দক্ষ নতুন কর্মী পাওয়া থেকে প্রতিষ্ঠান বঞ্চিত হয়। এতে স্বজনপ্রীতি, তোষণ এবং অযোগ্য কর্মীর অনুপ্রবেশের ঝুঁকি বাড়ে। তদুপরি, শ্রমিক ইউনিয়নের প্রভাব বাড়লে ভবিষ্যতে শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হতে পারে।
অতএব, বৃহদায়তন প্রতিষ্ঠানে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ বজায় রাখা ও যোগ্য জনবল পাওয়ার জন্য অভ্যন্তরীণ উৎসের পাশাপাশি উন্মুক্ত বা বাহ্যিক উৎস থেকে মেধার ভিত্তিতে কর্মী সংগ্রহ করাই অধিকতর যৌক্তিক ও কার্যকর কৌশল।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও