রসায়ন ১ম পত্র • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০১৭
রসায়ন ১ম পত্র প্রশ্ন

- ক)(1)
দ্রাব্যতা কী?
- খ)(2)
2d অরবিটাল সম্ভব নয় কেন?
- গ)(3)
উদ্দীপকের উপাদানসমূহের সংরক্ষণ পদ্ধতি আলোচনা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকের যৌগসমূহের অপরিমিত ব্যবহার মানব স্বাস্থ্য এবং পরিবেশের জন্য হুমকীস্বরূপ কিনা? বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় ১০০ গ্রাম দ্রাবককে সম্পৃক্ত দ্রবণে পরিণত করতে যত গ্রাম দ্রব দ্রবীভূত করতে হয়, তাকে ঐ তাপমাত্রায় ঐ দ্রবের দ্রাব্যতা বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
কোনো প্রধান শক্তিস্তরের জন্য সহকারী কোয়ান্টাম সংখ্যা -এর মান থেকে পর্যন্ত হতে পারে।
অরবিটালের ক্ষেত্রে প্রধান কোয়ান্টাম সংখ্যা । সুতরাং -এর সম্ভাব্য মানসমূহ হবে এবং (অর্থাৎ এবং অরবিটাল)।
যেহেতু অরবিটালের জন্য হওয়া আবশ্যক, কিন্তু শক্তিস্তরে হতে পারে না, তাই অরবিটাল সম্ভব নয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের চারটি পাত্রের উপাদানগুলো হলো যথাক্রমে গাঢ় , , এবং । এদের সংরক্ষণ পদ্ধতি নিচে আলোচনা করা হলো:
১. গাঢ় (পাত্র-A): গাঢ় সালফিউরিক এসিড তীব্র ক্ষয়কারী ও পানিশোষী। এটি আলো ও বাতাসের আর্দ্রতা থেকে দূরে প্লাস্টিক বা কাচের বোতলে সংরক্ষিত রাখা হয়। ক্ষারীয় পদার্থ ও পানি থেকে এটি সর্বদা নিরাপদ দূরত্বে এবং মাটির কাছাকাছি কোনো ট্রে বা আলমারির নিচের তাকে সংরক্ষণ করতে হয়।
২. দ্রবণ (পাত্র-B): এটি উদ্বায়ী অ্যামোনিয়া গ্যাস উৎপন্ন করে। তাই এটিকে ভালোভাবে সিল করা বায়ুরোধী কাচের বোতলে ঠাণ্ডা ও বায়ুচলাচলযুক্ত স্থানে রাখতে হয়। একে এসিড থেকে দূরে সংরক্ষণ করা আবশ্যক।
৩. (পাত্র-C): পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট একটি তীব্র জারক এবং এটি আলোর উপস্থিতিতে বিয়োজিত হয়। তাই এটিকে বাদামি বা রঙিন কাচের বায়ুরোধী বোতলে শুষ্ক ও ঠাণ্ডা স্থানে রাখতে হয়। এটি জৈব যৌগ ও বিজারক পদার্থ থেকে আলাদা রাখা প্রয়োজন।
৪. (পাত্র-D): লিথিয়াম অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রাইড অত্যন্ত সক্রিয় বিজারক এবং পানির সংস্পর্শে তীব্রভাবে বিস্ফোরিত হয়ে হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন করে। তাই একে সম্পূর্ণ শুষ্ক, নিষ্ক্রিয় পরিবেশে (যেমন- শুষ্ক নাইট্রোজেন বা আর্গন গ্যাসের নিচে) অথবা বায়ুরোধী শুষ্ক পাত্রে আর্দ্রতা থেকে সম্পূর্ণ দূরে সংরক্ষণ করতে হয়।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের যৌগসমূহের (গাঢ় , , এবং ) অপরিমিত ব্যবহার মানব স্বাস্থ্য এবং পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকীস্বরূপ। নিম্নে তা বিশ্লেষণ করা হলো:
১. গাঢ় : এটি অত্যন্ত ক্ষয়কারী হওয়ায় ত্বকে লাগলে মারাত্মকভাবে পুড়ে যায় এবং ক্ষত সৃষ্টি করে। এর বাষ্প শ্বাসতন্ত্রকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এটি অপরিশোধিত অবস্থায় পরিবেশে ফেলা হলে মাটি ও পানির পিএইচ (pH) মারাত্মকভাবে হ্রাস পায়, ফলে জলজ প্রাণীর মৃত্যু হয় এবং মাটির উর্বরতা নষ্ট হয়।
২. : অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড থেকে নিঃসৃত অ্যামোনিয়ার তীব্র ঝাঁঝালো বাষ্প শ্বাসতন্ত্রে প্রদাহ সৃষ্টি করে এবং চোখের ক্ষতি করে। অপরিমিত ব্যবহারের ফলে এটি জলাশয়ে মিশলে ইউট্রোফিকেশন ত্বরান্বিত হয় এবং শৈবালের মাত্রাতিরিক্ত বৃদ্ধিতে পানির দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ কমে গিয়ে জলজ বাস্তুতন্ত্র ধ্বংস হয়।
৩. : তীব্র জারক হওয়ার কারণে এটি ত্বক ও টিস্যুকে ক্ষয় করতে পারে। এর বিষাক্ত অবশেষ দীর্ঘমেয়াদে মানুষের স্নায়ুতন্ত্র ও পরিপাকতন্ত্রে বিরূপ প্রভাব ফেলে। অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে পরিবেশে ভারী ধাতু ম্যাঙ্গানিজের (Mn) দূষণ ঘটে, যা উদ্ভিদ ও জলজ জীবের জন্য অত্যন্ত বিষাক্ত।
৪. : এটি একটি বিপজ্জনক রাসায়নিক। পরিবেশের সংস্পর্শে এলে তা আর্দ্রতার সাথে বিক্রিয়া করে অত্যন্ত দাহ্য হাইড্রোজেন গ্যাস ও তাপ উৎপন্ন করে অগ্নিকাণ্ড ও বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে। এর বর্জ্য লিথিয়াম এবং অ্যালুমিনিয়ামের বিষক্রিয়া ঘটিয়ে মাটি ও ভূগর্ভস্থ পানিকে বিষাক্ত করে তোলে।
অতএব, উদ্দীপকের যৌগসমূহ তীব্র অম্লীয়, ক্ষারীয়, জারক ও বিজারক হওয়ায় এদের অসতর্ক ও অপরিমিত ব্যবহার মানব স্বাস্থ্য এবং সামগ্রিক পরিবেশের ভারসাম্যের জন্য অত্যন্ত হুমকীস্বরূপ।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও