বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০২৪

বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা প্রশ্ন

(i) ১১টি ভাগ(ii) ১৫৩টি অনুচ্ছেদ(iii) ৪টি তফসিল

  1. ক)

    বাংলাদেশ কখন জাতিসংঘের সদস্য হিসেবে যোগ দেয়?

    (1)
  2. খ)

    "জাতীয় শিশুনীতি ২০১১" প্রণয়নের উদ্দেশ্য কী ছিল? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের তথ্যগুলো স্বাধীনতা পরবর্তী 'কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত? উত্ত বিষয়টির পটভূমি বর্ণনা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    তুমি কি মনে কর উক্ত বিষয় বাংলাদেশের জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলনে সহায়ক ভূমিকা রাখবে? মতের সপক্ষে যুক্তি দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।

  2. খ)

    জাতীয় শিশুনীতি ২০১১ প্রণয়নের উদ্দেশ্য ছিল শিশুদের অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিত করা। এর মাধ্যমে শিশুর স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পুষ্টি ও নিরাপত্তা, এবং শোষণ ও নির্যাতন থেকে সুরক্ষার ব্যবস্থা করা হয়। জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদের আলোকে শিশুদের সুষ্ঠু বিকাশ ও উন্নত ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করাও এর লক্ষ্য ছিল।

  3. গ)

    উদ্দীপকের ১১টি ভাগ, ১৫৩টি অনুচ্ছেদ ও ৪টি তফসিল স্বাধীনতার পর প্রণীত ১৯৭২ সালের বাংলাদেশের সংবিধানের সঙ্গে সম্পর্কিত।
    পটভূমি: স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের জানুয়ারিতে অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি হয়। এরপর গণপরিষদ ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে একটি খসড়া কমিটি গঠন করে। কমিটির খসড়া ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়।

  4. ঘ)

    আমি মনে করি, বাংলাদেশের সংবিধান জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলনে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
    ১. সংবিধানে জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র (শোষণমুক্ত সমাজ) ও ধর্মনিরপেক্ষতার চার মূলনীতি আছে, যা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতিফলন।
    ২. মৌলিক অধিকার সংবিধানে নিশ্চিত করা হয়েছে এবং সব ক্ষমতার মালিক জনগণ।
    ৩. এটি দুষ্পরিবর্তনীয় হওয়ায় সহজে পরিবর্তন করা যায় না, ফলে অধিকার সুরক্ষিত থাকে।
    সুতরাং, সংবিধান বাস্তবায়িত হলে তা জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে সহায়ক হবে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন