ব্যবসায় উদ্যোগ • Barishal Board • বরিশাল বোর্ড ২০২২

ব্যবসায় উদ্যোগ প্রশ্ন

মি. রয়েলের একটি বৈদ্যুতিক বাল্ব তৈরির কারখানা আছে। বর্তমানে তিনি চীনের একটি কোম্পানির সাথে চুক্তিতে আবদ্ধ হয়েছেন। চুক্তি মতে, তিনি শুধু ঐ কোম্পানির বৈদ্যুতিক বাল্ব তৈরি ও বিক্রয় করবেন এবং ঐ কোম্পানি থেকে বৈদ্যুতিক বাল্ব তৈরির সরঞ্জাম আমদানি করবেন। তার শো-রুমটি একটি দাহ্য পদার্থের কারখানার পাশে হওয়ায় তিনি প্রায়ই নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন। তাছাড়া জাহাজে করে বিভিন্ন যন্ত্রাংশ আমদানির সময়ও তিনি দুশ্চিন্তায় থাকেন।

  1. ক)

    পেটেন্ট কী?

    (1)
  2. খ)

    আলু সারা বছর পাওয়া যায় বিপণনের কোন কার্যাবলির মাধ্যমে? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে মি. রয়েলের চুক্তির ধরন ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    "বিমার মাধ্যমে জনাব রয়েলের দুশ্চিন্তা লাঘব সম্ভব"- বিমার ধরন উল্লেখপূর্বক উক্তিটি মূল্যায়ন করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    পেটেন্ট হলো এক ধরনের মেধাসম্পদ, যার মাধ্যমে আবিষ্কারককে তার আবিষ্কারের জন্য নির্দিষ্ট সময়ের জন্য একচেটিয়া মালিকানা দেওয়া হয়।

  2. খ)

    আলু সারা বছর পাওয়া যায় গুদামজাতকরণ কার্যের মাধ্যমে। আলুর উৎপাদন মৌসুমভিত্তিক হলেও বছরব্যাপী চাহিদা থাকে। উৎপাদনের পর আলু হিমাগারে বা গুদামে সংরক্ষণ করা হলে প্রয়োজনের সময় বাজারে সরবরাহ করা যায়। এভাবে গুদামজাতকরণ সময়গত বাধা দূর করে সারা বছর আলু পাওয়া নিশ্চিত করে।

  3. গ)

    উদ্দীপকে মি. রয়েলের চুক্তির ধরন ফ্র্যানসাইজ চুক্তি।

    কোনো খ্যাতনামা কোম্পানির নাম ব্যবহার এবং এর পণ্য তৈরি, বিক্রি বা বিতরণ করার অধিকারকে ফ্র্যানসাইজিং বলে। এতে ফ্র্যানসাইজার ও ফ্র্যানসাইজি নামে দুটি পক্ষ থাকে। উদ্দীপকে চীনের কোম্পানি ফ্র্যানসাইজার এবং রয়েল ফ্র্যানসাইজি। চুক্তি অনুযায়ী রয়েল শুধু ঐ কোম্পানির বাল্ব তৈরি ও বিক্রয় করবেন এবং তাদের কাছ থেকেই সরঞ্জাম আমদানি করবেন। তাই চুক্তিটি ফ্র্যানসাইজ চুক্তি।

  4. ঘ)

    আমি একমত যে বিমার মাধ্যমে জনাব রয়েলের দুশ্চিন্তা লাঘব সম্ভব। নিচে বিমার ধরন উল্লেখ করে বিশ্লেষণ করা হলো।

    ১. অগ্নি বিমা: রয়েলের শো-রুম দাহ্য পদার্থের কারখানার পাশে হওয়ায় আগুনের ঝুঁকি আছে। অগ্নি বিমা করা থাকলে আগুনে শো-রুম ও মালামাল পুড়ে গেলে বিমাকারী ক্ষতিপূরণ দেবে।
    ২. নৌ বিমা: জাহাজে যন্ত্রাংশ আমদানির সময় ঝড়, ঢেউ, দস্যুতা বা দুর্ঘটনায় ক্ষতি হতে পারে। নৌ বিমা করা থাকলে এ ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে।
    ৩. বিমা চুক্তিতে নির্দিষ্ট প্রিমিয়ামের বিনিময়ে ঝুঁকির দায় বিমাকারী গ্রহণ করে। ফলে রয়েল নিশ্চিন্তে ব্যবসায় চালাতে পারবেন।

    সুতরাং, অগ্নি বিমা ও নৌ বিমার মাধ্যমে রয়েলের দুশ্চিন্তা লাঘব সম্ভব।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন