‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Barishal Board • বরিশাল বোর্ড ২০২২

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন

রিতা কলেজ আসা-যাওয়ার পথে কিছু বখাটে ছেলে তাকে প্রায় বিরক্ত করে। একদিন সাহস করে সে তাদের আচরণের প্রতিবাদ করে এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে অভিযোগ দায়ের করে। ফলে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হয়।

  1. ক)

    বাংলাদেশের সংবিধানে রাষ্ট্রীয় মূলনীতি কয়টি?

    (1)
  2. খ)

    মন্ত্রিমিশন পরিকল্পনা কী?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের রিতা কোন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে? তার কারণ সমূহ চিহ্নত কর।

    (3)
  4. ঘ)

    সমাজ জীবনে উক্ত সমস্যার প্রভাব বিশ্লেষণ কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বাংলাদেশের সংবিধানে মূল রাষ্ট্রীয় নীতি চারটি (জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা)।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ১৯৪৬ সালে ব্রিটিশ সরকার ভারতীয় নেতৃবৃন্দের সাথে আলোচনা করে সংবিধান প্রণয়ন ও ক্ষমতা হস্তান্তরের রূপরেখা নির্ধারণের লক্ষ্যে ব্রিটিশ মন্ত্রিসভার তিন সদস্যকে (প্যাধিক লরেন্স, স্যার স্ট্যাফোর্ড ক্রিপস ও এ. ভি. আলেকজান্ডার) ভারতে পাঠায়। তাঁদের সমন্বয়ে গঠিত কমিশন ভারতীয় সমস্যার সমাধানে যে প্রস্তাব উপস্থাপন করে, তাকে 'মন্ত্রিমিশন পরিকল্পনা' বা 'ক্যাবিনেট মিশন পরিকল্পনা' বলা হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের রিতা 'ইভটিজিং' বা যৌন হয়রানির সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে।

    ইভটিজিং বা এই ধরনের হয়রানির প্রধান কারণসমূহ হলো:
    ১. নৈতিক অবক্ষয় ও সঠিক পারিবারিক শিক্ষার অভাব: সমাজে নৈতিক মূল্যবোধের সংকট ও সঠিক দিকনির্দেশনার অভাবে তরুণদের একাংশ বিপথগামী হয়।
    ২. লিঙ্গবৈষম্য ও পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা: সমাজে নারীকে অধস্তন ও দুর্বল মনে করার মানসিকতা থেকে অনেকে নারীদের হেনস্তা করার সাহস পায়।
    ৩. আইনের যথাযথ প্রয়োগের ঘাটতি ও আকাশ সংস্কৃতির অপপ্রভাব: অনেক ক্ষেত্রে বখাটেদের দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়া এবং ইন্টারনেট বা মিডিয়া থেকে নেতিবাচক আচরণ অনুসরণের কারণে এই সমস্যা বৃদ্ধি পায়।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    সমাজ জীবনে ইভটিজিং বা উত্ত্যক্তকরণের প্রভাব অত্যন্ত নেতিবাচক ও সুদূরপ্রসারী।

    ১. নারী শিক্ষা ও অগ্রগতিতে বাধা: পথে ঘাটে উত্ত্যক্ত হওয়ার ভয়ে অনেক ছাত্রী বিদ্যালয় বা কলেজে যাওয়া বন্ধ করে দেয়। অভিভাবকরা নিরাপত্তা রক্ষার্থে কন্যা সন্তানদের পড়াশোনা বন্ধ করে বাল্যবিবাহ দিতে বাধ্য হন, যা নারীর অগ্রযাত্রাকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করে।
    ২. মানসিক ও শারীরিক ক্ষতি: উত্ত্যক্তের শিকার কিশোরী ও নারীরা চরম মানসিক ট্রমা, হতাশা ও হীনম্মন্যতায় ভোগে। অনেকে এই গ্লানি সইতে না পেরে আত্মহত্যার পথ পর্যন্ত বেছে নেয়।
    ৩. সামাজিক নিরাপত্তাহীনতা ও অস্থিরতা: সমাজে নারীদের চলাফেরার স্বাধীনতা সংকুচিত হয় এবং পরিবারগুলোর মধ্যে সার্বক্ষণিক আতঙ্ক বিরাজ করে। এমনকি প্রতিবাদকারী অভিভাবক বা সচেতন নাগরিকরাও অনেক সময় বখাটেদের আক্রমণের শিকার হন।

    অতএব, একটি সুস্থ ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের জন্য ইভটিজিং প্রতিরোধে পরিবার, প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাসহ সকল স্তরের মানুষের সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা অপরিহার্য।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন