পৌরনীতি ও নাগরিকতা • Chattogram Board • চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৪
পৌরনীতি ও নাগরিকতা প্রশ্ন
- ক)(1)
VGF-এর পূর্ণরূপ কী?
- খ)(2)
জনসংখ্যা সমস্যা বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
পাঠ্যপুস্তকের মাধ্যমে সচেতনতা বৃদ্ধি কীভাবে নারী নির্যাতন রোধে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
আইনের কঠোর প্রয়োগ ও আইনি সহায়তা নিয়ে নারী নির্যাতন সম্পূর্ণ নির্মূল সম্ভব"-তোমার মতামত দাও।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
VGF এর পূর্ণরূপ Vulnerable Group Feeding (ভালনারেবল গ্রুপ ফিডিং)।
- খ)
কোনো দেশের সম্পদ ও সুযোগ-সুবিধার তুলনায় জনসংখ্যা অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়ার ফলে সৃষ্ট সমস্যাকে জনসংখ্যা সমস্যা বলে।
জনসংখ্যা বেশি হলে খাদ্য, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা ও কর্মসংস্থানের মতো প্রয়োজনীয় চাহিদা মেটানো কঠিন হয়। ফলে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও পরিবেশের ওপর চাপ বাড়ে।
- গ)
পাঠ্যপুস্তকের মাধ্যমে সচেতনতা বৃদ্ধি নারী নির্যাতন রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
১. শিক্ষার্থীরা ছোটবেলা থেকেই নারী-পুরুষের সমান মর্যাদা ও নারীর অধিকার সম্পর্কে জানতে পারে। এতে তাদের মানসিকতা গড়ে ওঠে।
২. নারী নির্যাতন যে অপরাধ এবং এর শাস্তি ও প্রতিকার কী, তা জানা যায়। ফলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নারীর প্রতি সহিংসতা থেকে দূরে থাকে।
৩. শিক্ষার্থীরা পরিবারে ও সমাজে অন্যদেরও সচেতন করতে পারে এবং নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে উদ্বুদ্ধ হয়। - ঘ)
আমি মনে করি, আইনের কঠোর প্রয়োগ ও আইনি সহায়তা নারী নির্যাতন কমাতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও শুধু এগুলো দিয়ে এটি সম্পূর্ণ নির্মূল করা সম্ভব নয়।
১. আইনের ভূমিকা: কঠোর শাস্তি অপরাধীদের মনে ভয় তৈরি করে এবং আইনি সহায়তা নির্যাতিত নারীকে বিচার পেতে সাহায্য করে, ফলে অপরাধ কমে।
২. সীমাবদ্ধতা: নারী নির্যাতনের পেছনে সামাজিক কুসংস্কার, পুরুষতান্ত্রিক মনোভাব ও লোকলজ্জার ভয় কাজ করে। এ কারণে অনেক ঘটনা প্রকাশই পায় না এবং আইনের আওতায় আসে না।
৩. অন্যান্য উদ্যোগ: এর পাশাপাশি শিক্ষা ও পাঠ্যপুস্তকের মাধ্যমে সচেতনতা, নারীর অর্থনৈতিক স্বাবলম্বন, পারিবারিক মূল্যবোধ ও গণমাধ্যমের ভূমিকা প্রয়োজন।সুতরাং, ছকের তিনটি পদক্ষেপ একসঙ্গে বাস্তবায়ন করা গেলে নারী নির্যাতন উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে, কিন্তু শুধু আইনের প্রয়োগ ও সহায়তায় এটি পুরোপুরি নির্মূল সম্ভব নয়।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও