বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২৪
বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা প্রশ্ন
- ক)(1)
ঐতিহ্য কী?
- খ)(2)
ইতিহাস কীভাবে আত্মসম্মান বৃদ্ধিতে সহায়তা করে? ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
উদ্দীপকের চিত্র-১ এ ইতিহাসের কোন ধরনের উপাদান প্রদর্শিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
চিত্র-১ ও চিত্র-২ এ প্রদর্শিত উপাদানের সমন্বয়ে ইতিহাস রচনা পূর্ণতা পায়- বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
ঐতিহ্য হলো পূর্বপুরুষদের কাছ থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত সংস্কৃতি, রীতিনীতি, মূল্যবোধ ও কীর্তির ধারাবাহিক রূপ।
- খ)
ইতিহাস অতীতের গৌরবময় কীর্তি, সংগ্রাম ও সাফল্যের কথা তুলে ধরে। নিজের জাতি ও দেশের এই গৌরবময় অতীত সম্পর্কে জানলে মানুষ নিজের পরিচয় নিয়ে গর্ববোধ করে।
উদাহরণস্বরূপ, ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানলে বাঙালি জাতি তার আত্মত্যাগ ও সংগ্রামী চেতনা উপলব্ধি করে। এভাবে ইতিহাস মানুষের আত্মসম্মান ও আত্মবিশ্বাস বাড়ায়।
- গ)
উদ্দীপকের চিত্র-১-এ একটি গ্রন্থের প্রচ্ছদ দেখানো হয়েছে, যা ইতিহাসের লিখিত বা সাহিত্যিক উপাদানের অন্তর্ভুক্ত।
লিখিত উপাদান বলতে বই, পাণ্ডুলিপি, আত্মজীবনী, স্মৃতিকথা, ভ্রমণকাহিনি, দলিলপত্র ইত্যাদিকে বোঝায়। এসব থেকে তৎকালীন সমাজ, রাজনীতি ও মানুষের চিন্তাভাবনা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। তাই চিত্র-১ ইতিহাসের লিখিত বা সাহিত্যিক উপাদান নির্দেশ করে।
- ঘ)
চিত্র-১ লিখিত বা সাহিত্যিক উপাদান এবং চিত্র-২ একটি স্মৃতিসৌধ, অর্থাৎ স্থাপত্যনির্ভর প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। এ দুয়ের সমন্বয়ে ইতিহাস রচনা পূর্ণতা পায়।
১. লিখিত উপাদান থেকে ঘটনার বিবরণ, কারণ, ব্যক্তির চিন্তা ও সমকালীন সমাজের কথা জানা যায়।
২. প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন থেকে সেই সময়ের স্থাপত্য, শিল্প, জীবনযাত্রা ও স্মৃতি সম্পর্কে বাস্তব প্রমাণ পাওয়া যায়।
৩. লিখিত তথ্যের সঙ্গে নিদর্শন মিলিয়ে দেখলে তথ্যের সত্যতা যাচাই হয় এবং কোনো উপাদানের অভাব অন্যটি পূরণ করে।সুতরাং উভয় উপাদানের সমন্বয়েই ইতিহাস রচনা পূর্ণাঙ্গ ও নির্ভরযোগ্য হয়।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও