গার্হস্থ্য বিজ্ঞান • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২৩

গার্হস্থ্য বিজ্ঞান প্রশ্ন

রহমান সাহেব একজন রুচিশীল মানুষ। তিনি তার টাইলস করা বসার কক্ষের একটি ছোট কার্পেট মেঝের রঙের সাথে মিল করে বিছিয়েছেন যা কক্ষটিকে আরো আকর্ষণীয় করে তুলেছে। অপরদিকে তার পরিবারের সদস্যরা সারাদিনের কর্মব্যস্ততা শেষে সন্ধ্যার পর সবাই একটি কক্ষে মিলিত হয়ে তাদের প্রয়োজনীয় আলাপ আলোচনা ও খাওয়া-দাওয়া শেষ করে বিশ্রামের জন্য চলে যায়।

  1. ক)

    উপযোগ কী?

    (1)
  2. খ)

    পরিবারের কীসের সাথে সামঞ্জস্য রেখে আসবাব নির্বাচন করতে হয়? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    রহমান সাহেবের বসার কক্ষের নান্দনিকতা বৃদ্ধিতে কোন বিষয়টি প্রাধান্য পেয়েছে তা ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে উল্লিখিত পরিবারের সদস্যদের একত্রিত হওয়ার স্থানটিকে কেমন ভাবে সাজানো উচিত বলে তুমি মনে করো? বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    কোনো দ্রব্য বা সেবার মানুষের অভাব পূরণের যে ক্ষমতা, তাকে উপযোগ (Utility) বলে।

  2. খ)

    আসবাব নির্বাচনের সময় পরিবারের আয়, সদস্যসংখ্যা, প্রয়োজন ও রুচির সাথে সামঞ্জস্য রাখতে হয়।

    পরিবারের আয়ের চেয়ে বেশি দামের আসবাব কিনলে সংসারে আর্থিক চাপ পড়ে। আবার সদস্যসংখ্যা ও কক্ষের আকার বিবেচনা না করলে ঘর অপ্রয়োজনীয় আসবাবে ভরে যায় বা সদস্যদের বসা-শোয়ার জায়গা কম পড়ে। তাই প্রয়োজন, সামর্থ্য ও কক্ষের মাপের সাথে মিল রেখে আসবাব নির্বাচন করা উচিত।

  3. গ)

    রহমান সাহেবের বসার কক্ষের নান্দনিকতা বৃদ্ধিতে রঙের সামঞ্জস্য প্রাধান্য পেয়েছে।

    তিনি টাইলস করা মেঝের রঙের সাথে মিল রেখে কার্পেট বিছিয়েছেন। রঙের এ সামঞ্জস্য কক্ষে ঐক্য ও সৌন্দর্য সৃষ্টি করে এবং কক্ষটি দেখতে সুন্দর ও আকর্ষণীয় হয়। একই সাথে এতে তার রুচিশীলতারও প্রকাশ ঘটেছে। সুন্দর রঙের সমন্বয় ঘরে প্রশান্তি এনে দেয় এবং ঘরের পরিবেশ উন্নত করে।

  4. ঘ)

    উদ্দীপকে পরিবারের সদস্যরা সন্ধ্যার পর একটি কক্ষে মিলিত হয়ে আলাপ-আলোচনা, খাওয়া-দাওয়া ও বিশ্রাম করেন। এ কক্ষটি হলো পারিবারিক কক্ষ। এটি এমনভাবে সাজানো উচিত যাতে সবাই আরামে সময় কাটাতে পারে:

    ১. আরামদায়ক আসন: সবার জন্য পর্যাপ্ত ও আরামদায়ক বসার ব্যবস্থা থাকবে যাতে সবাই কাছাকাছি বসে আলাপ করতে পারে।
    ২. খাওয়ার ব্যবস্থা: ঐ কক্ষে বা তার সাথে সংলগ্ন জায়গায় খাবার টেবিল বা মেঝেতে বসার পরিচ্ছন্ন ব্যবস্থা রাখতে হবে।
    ৩. আলো-বাতাস ও রং: পর্যাপ্ত আলো-বাতাস এবং হালকা ও প্রশান্তিদায়ক রং ব্যবহার করলে কক্ষে আনন্দময় পরিবেশ তৈরি হয়।
    ৪. সহজ চলাচল ও পরিচ্ছন্নতা: আসবাব কম রেখে চলাচলের জায়গা ফাঁকা রাখতে হবে এবং যেন সহজে পরিষ্কার করা যায়।
    ৫. সদস্যদের রুচি ও প্রয়োজন: বই, ছবি বা পারিবারিক স্মৃতির জিনিস দিয়ে সাজালে ঘরটি আপন ও আকর্ষণীয় হয়।

    সুতরাং, পারিবারিক কক্ষটি সরল, আরামদায়ক ও পরিচ্ছন্নভাবে সাজালে পরিবারের বন্ধন দৃঢ় হবে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন