‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Barishal Board • বরিশাল বোর্ড ২০২২

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন

জনাব Y যে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন তা ২০০৪ সালে কাজ শুরু করে। উক্ত প্রতিষ্ঠানটিকে ব্যক্তি, সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মচারীদের সম্ভাব্য অনিয়মের বিষয়ে অনুসন্ধান ও তদন্ত করে মামলা করার জন্য ব্যাপক ক্ষমতা দেওয়া হয়। উক্ত প্রতিষ্ঠানে কার্যকর ভূমিকার ওপর প্রশাসন নির্ভর করে।

  1. ক)

    HIV- এর পূর্ণরূপ কী?

    (1)
  2. খ)

    খাদ্য ভেজাল বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    জনাব Y কোন ধরনের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বরত? প্রতিষ্ঠানের কার্যাবলী ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    বাংলাদেশের অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধে উক্ত প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা বিশ্লেষণ কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    HIV-এর পূর্ণরূপ হলো Human Immunodeficiency Virus।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    খাদ্যদ্রব্যের সাথে ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ, অপ্রয়োজনীয় উপাদান বা নিম্নমানের দ্রব্য মিশ্রিত করে খাদ্যের গুণগত মান বিনষ্ট করা এবং মানবস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ করে তোলাকে খাদ্য ভেজাল বলা হয়। খাদ্যের ওজন বাড়ানো, পচন রোধ করা বা অধিক মুনাফা লাভের উদ্দেশ্যে অসাধু ব্যবসায়ীরা এতে ফরমালিন, কৃত্রিম রঙ, ইউরিয়া ইত্যাদি বিষাক্ত উপাদান মিশিয়ে থাকে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে জনাব Y দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) কর্মরত আছেন। উল্লেখ্য, এটি একটি স্বাধীন ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হলেও উদ্দীপকে এটিকে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ২০০৪ সালের দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের অধীনে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত ও কার্যকর হয়।

    দুর্নীতি দমন কমিশনের কার্যাবলীর মধ্যে রয়েছে:
    ১. দুর্নীতি ও অনিয়ম সংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ, অনুসন্ধান ও তদন্ত পরিচালনা করা।
    ২. দুর্নীতির সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে উপযুক্ত আদালতে মামলা দায়ের ও পরিচালনা করা।
    ৩. দুর্নীতি প্রতিরোধের লক্ষ্যে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা, সততা ও নিষ্ঠাবোধ জাগ্রত করতে সততা সংঘ গঠনসহ নানা প্রচারমূলক কর্মসূচি পরিচালনা করা।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    ১. অনুসন্ধান ও বিচার প্রক্রিয়া: দুদক সরকারি কর্মকর্তা, রাজনীতিবিদ কিংবা ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে তা নিরপেক্ষভাবে অনুসন্ধান করে এবং আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। এর মাধ্যমে অপরাধীদের শাস্তির আওতায় এনে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়।
    ২. জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ: বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি দপ্তরে আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে দুদক নিয়মিত তদারকি ও নজরদারি চালায়, যা প্রাতিষ্ঠানিক অনিয়ম হ্রাসে সহায়ক।
    ৩. প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা ও সচেতনতা: কেবল শাস্তি নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সততার শিক্ষায় শিক্ষিত করতে তরুণদের নিয়ে 'সততা সংঘ' গঠন এবং জনগণের মধ্যে দুর্নীতির কুফল সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি দুদকের অন্যতম লক্ষ্য।

    তবে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থাকা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করা গেলে বাংলাদেশের অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধে দুদক আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন