যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০১৭

যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র প্রশ্ন

  1. ক)

    পদ কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    সকল শব্দই কি পদ ?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে ১নং চিত্রে পদের কোন দিকটির প্রতিফলন ঘটেছে? বিশ্লেষণ কর।

    (3)
  4. ঘ)

    পাঠ্যবইয়ের আলোকে ১ ও ২নং চিত্রের তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যে শব্দ বা শব্দসমষ্টি কোনো যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য বা বিধেয় হিসেবে ব্যবহৃত হয় বা ব্যবহৃত হওয়ার যোগ্যতা রাখে, তাকে পদ (Term) বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    সকল শব্দ পদ নয়। যুক্তিবিদ্যায় শব্দকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে— পদযোগ্য শব্দ (Categorematic words), সহ-পদযোগ্য শব্দ (Syncategorematic words) এবং পদ-অযোগ্য শব্দ (Acategorematic words)। এদের মধ্যে কেবল পদযোগ্য শব্দই অন্য কোনো শব্দের সাহায্য ছাড়া এককভাবে যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য বা বিধেয় হতে পারে। সহ-পদযোগ্য শব্দ নিজে পদ হতে পারে না, তবে অন্য পদের সাথে যুক্ত হয়ে ব্যবহৃত হয় (যেমন: এবং, কিন্তু, অথবা)। আর পদ-অযোগ্য শব্দ কখনোই কোনো যুক্তিবাক্যের পদ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে না (যেমন: হায়!, আহা!)। সুতরাং, সকল পদই শব্দ হলেও সকল শব্দ পদ নয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের ১নং চিত্রে পদের ব্যক্তর্থের দিকটির প্রতিফলন ঘটেছে।

    যুক্তিবিদ্যায় একটি পদের দুটি দিক থাকে— ব্যক্তর্থ (Denotation) ও যাত্যর্থ (Connotation)। কোনো পদ একই অর্থে যে বস্তু বা বস্তুসমূহের ওপর প্রযোজ্য হয়, তার পরিমাণ বা সংখ্যাকে সেই পদের ব্যক্তর্থ বলে। অর্থাৎ ব্যক্তর্থ হলো পদের সংখ্যার বা পরিমাণের দিক।

    উদ্দীপকের চিত্র-১-এ 'ক' কলেজের ২০১৪, ২০১৫ এবং ২০১৬ সালের পরীক্ষার্থীর সংখ্যা এবং তাদের মধ্যে কৃতকার্য পরীক্ষার্থীর নির্দিষ্ট সংখ্যা (৭০০ জনের মধ্যে ৫০০ জন, ৬৫০ জনের মধ্যে ৫৫০ জন, ৬০০ জনের মধ্যে ৫৭০ জন) তুলে ধরা হয়েছে। এখানে পরীক্ষার্থী ও কৃতকার্য পরীক্ষার্থীর কোনো গুণ বা বৈশিষ্ট্যের কথা না বলে তাদের পরিমাণের দিকটি প্রকাশ করা হয়েছে। যুক্তিবিদ্যায় বস্তু বা বিষয়ের এই সংখ্যাগত দিকটিই হলো ব্যক্তর্থ। সুতরাং, উদ্দীপকের চিত্র-১-এ পদের ব্যক্তর্থের প্রতিফলন ঘটেছে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    পাঠ্যবইয়ের আলোকে উদ্দীপকের ১ ও ২নং চিত্র বিশ্লেষণ করলে পদের ব্যক্তর্থের হ্রাস-বৃদ্ধি বা পরিমাণের তুলনামূলক পরিবর্তন প্রতিফলিত হয়।

    যুক্তিবিদ্যায় ব্যক্তর্থ হলো কোনো পদের সংখ্যার দিক। সাধারণত একটি পদের ব্যক্তর্থ বৃদ্ধি পেলে যাত্যর্থ হ্রাস পায় এবং ব্যক্তর্থ হ্রাস পেলে যাত্যর্থ বৃদ্ধি পায়, যা ব্যক্তর্থ ও যাত্যর্থের বিপরীতমুখী নিয়মের নির্দেশক।

    উদ্দীপকের ১নং চিত্রে 'ক' কলেজে দেখা যায়:
    ১. মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ক্রমান্বয়ে হ্রাস পেয়েছে (২০১৪ সালে ৭০০ → ২০১৫ সালে ৬৫০ → ২০১৬ সালে ৬০০)।
    ২. অপরদিকে, মোট পরীক্ষার্থী হ্রাস পেলেও কৃতকার্য পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে (৫০০ → ৫৫০ → ৫৭০)। অর্থাৎ পাসের সংখ্যাগত পরিধি বা ব্যক্তর্থ বেড়েছে।

    উদ্দীপকের ২নং চিত্রে 'খ' কলেজে দেখা যায়:
    ১. মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে (২০১৪ সালে ৭৫০ → ২০১৫ সালে ৮২০ → ২০১৬ সালে ৮৫০)।
    ২. কিন্তু মোট পরীক্ষার্থী বৃদ্ধি পাওয়া সত্ত্বেও কৃতকার্য পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ক্রমান্বয়ে হ্রাস পেয়েছে (৭০০ → ৬৫০ → ৬০০)। অর্থাৎ পাসের ব্যক্তর্থ কমেছে।

    তুলনামূলকভাবে দেখা যায়, ১নং চিত্রে ব্যক্তর্থের যে পরিবর্তন (হ্রাস ও বৃদ্ধির রূপ) দেখা যায়, ২নং চিত্রে তার সম্পূর্ণ বিপরীত ধারা প্রতিফলিত হয়েছে। ১নং চিত্রে মোট পরীক্ষার্থীর ব্যক্তর্থ কমলেও সফলতার ব্যক্তর্থ বেড়েছে, আর ২নং চিত্রে মোট পরীক্ষার্থীর ব্যক্তর্থ বাড়লেও সফলতার ব্যক্তর্থ কমেছে। এভাবে উদ্দীপকের চিত্র দুটি পদের পরিমাণের দিক বা ব্যক্তর্থের বিপরীতমুখী পরিবর্তনের রূপ তুলে ধরে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন