অর্থনীতি ২য় পত্র • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০১৭
অর্থনীতি ২য় পত্র প্রশ্ন
বর্তমান সরকার উচ্চতর প্রবৃদ্ধি অর্জন, খাদ্য নিরাপত্তা পত্তা নিশ্চিতকরণ, নারীসমাজকে উন্নয়নের মূলস্রোতে সম্পৃক্তকরণ, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবিলা, দক্ষতা অর্জন ও ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিকাশ ও প্রয়োগে ৬ষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
- ক)(1)
৬ষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সময়কাল কোনটি?
- খ)(2)
স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনার প্রয়োজন হয় কেন?
- গ)(3)
উদ্দীপকের পরিকল্পনাটির উদ্দেশ্যসমূহ ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
তুমি কি মনে কর, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে পরিকল্পনাটি সহায়ক ভূমিকা রাখবে?- যুক্তি দাও।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
বাংলাদেশের ৬ষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সময়কাল ২০১১ সালের জুলাই থেকে ২০১৫ সালের জুন (২০১১-২০১৫)।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার লক্ষ্য অর্জনের জন্য এবং অর্থনীতির তাৎক্ষণিক বা জরুরি সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের উদ্দেশ্যে স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনার প্রয়োজন হয়। দেশের বার্ষিক বাজেট প্রণয়ন, অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা নিয়ন্ত্রণ এবং পঞ্চবার্ষিক বা প্রেক্ষিত পরিকল্পনার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে স্বল্পমেয়াদি পদক্ষেপ অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে ৬ষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার প্রধান উদ্দেশ্যসমূহ সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে:
১. উচ্চতর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি (জিডিপি প্রবৃদ্ধি) অর্জন করে দারিদ্র্য হ্রাস করা;
২. কৃষি উৎপাদন বাড়িয়ে সার্বিক খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা;
৩. নারীর ক্ষমতায়ন ও নারীসমাজকে অর্থনীতির মূলধারায় সম্পৃক্ত করা;
৪. জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব ও দুর্যোগ ঝুঁকি সফলভাবে মোকাবিলা করা; এবং
৫. মানবসম্পদের দক্ষতা উন্নয়ন ও ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির (ICT) বিস্তার ঘটানো। - ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
হ্যাঁ, আমি মনে করি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ৬ষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাটি অত্যন্ত সহায়ক ও দিকনির্দেশনামূলক ভূমিকা রেখেছে।
কারণ, একটি দেশের সুষম ও টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ খাতকে এই পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। উচ্চ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের ফলে শিল্প ও সেবা খাতের বিকাশ ঘটে, যা কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও মাথাপিছু আয় বৃদ্ধিতে অবদান রাখে। নারী উন্নয়ন ও দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে শ্রমশক্তির উৎপাদনশীলতা বহুলাংশে বৃদ্ধি পায়। এছাড়া আইসিটির ব্যবহারের মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও সেবা খাতের আধুনিকায়ন ত্বরান্বিত হয়। অতএব, বাংলাদেশের অর্থনীতিকে নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তরের ভিত্তি তৈরিতে এই পরিকল্পনা অনন্য ও বাস্তবসম্মত ভূমিকা পালন করেছে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও