ক)AI-তৈরি নমুনা উত্তর
যে সময়ে কোনো তেজস্ক্রিয় পদার্থের প্রারম্ভিক পরমাণুর ঠিক অর্ধেক পরিমাণ তেজস্ক্রিয় ক্ষয়ের মাধ্যমে ভেঙে যায়, তাকে ওই পদার্থের অর্ধায়ু বলে।
খ)AI-তৈরি নমুনা উত্তর
যে নিউক্লীয় বিক্রিয়ায় একাধিক হালকা নিউক্লিয়াস একত্রিত বা সংযুক্ত হয়ে একটি অপেক্ষাকৃত ভারী নিউক্লিয়াস গঠন করে এবং বিপুল পরিমাণ শক্তি নির্গত হয়, তাকে নিউক্লীয় ফিউশন বলে। যেমন: সূর্যের অভ্যন্তরে উচ্চ তাপ ও চাপে হাইড্রোজেনের আইসোটোপসমূহ একত্রিত হয়ে হিলিয়াম নিউক্লিয়াস গঠন করে। এ বিক্রিয়া শুরু করার জন্য অত্যন্ত উচ্চ তাপমাত্রার (কয়েক কোটি ডিগ্রি সেলসিয়াস) প্রয়োজন হয় বলে একে তাপ-নিউক্লীয় বিক্রিয়াও বলা হয়।
গ)AI-তৈরি নমুনা উত্তর
কম্পটন বিক্ষেপণ নীতি অনুসারে,
বিক্ষিপ্ত এক্স-রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য, λ′=λ+m0ch(1−cosϕ)
এখানে,
আপতিত রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য, λ=0.2300 nm=0.2300×10−9 m
বিক্ষেপণ কোণ, ϕ=60∘
ইলেকট্রনের নিশ্চল ভর, m0=9.1×10−31 kg
প্লাঙ্কের ধ্রুবক, h=6.63×10−34 J⋅s
আলোর বেগ, c=3×108 m/s
অতএব, কম্পটন তরঙ্গদৈর্ঘ্য পরিবর্তন,
Δλ=m0ch(1−cos60∘)
=9.1×10−31×3×1086.63×10−34×(1−0.5)
=2.73×10−226.63×10−34×0.5
≈2.4286×10−12×0.5 m=1.2143×10−12 m=0.0012143 nm
অতএব, বিক্ষিপ্ত এক্স-রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য,
λ′=0.2300 nm+0.0012143 nm≈0.2312 nm বা 2.312×10−10 m।
ঘ)AI-তৈরি নমুনা উত্তর
আপতিত এক্স-রশ্মির শক্তি,
E=λhc
=0.2300×10−96.63×10−34×3×108
=0.2300×10−91.989×10−25≈8.6478×10−16 J
'গ' হতে পাই, বিক্ষিপ্ত এক্স-রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য, λ′≈2.312143×10−10 m
সুতরাং, বিক্ষিপ্ত এক্স-রশ্মির শক্তি,
E′=λ′hc
=2.312143×10−106.63×10−34×3×108
=2.312143×10−101.989×10−25≈8.6024×10−16 J
শক্তির হ্রাস,
ΔE=E−E′=(8.6478−8.6024)×10−16 J=0.0454×10−16 J=4.54×10−18 J
শক্তির শতকরা পরিবর্তন বা হ্রাসের হার:
EΔE×100%=8.6478×10−164.54×10−18×100%≈0.525%
দেখা যাচ্ছে যে, শক্তির পরিবর্তন মাত্র প্রায় 0.525%, যা অতি সামান্য। সুতরাং, বিক্ষিপ্ত এক্স-রশ্মিটির শক্তি আপতিত রশ্মির চেয়ে অতি সামান্য কম— উক্তিটি গাণিতিকভাবে সত্য।