যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র • Rajshahi Board • রাজশাহী বোর্ড ২০১৯

যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র প্রশ্ন

  1. ক)

    উপলক্ষণ কী?

    (1)
  2. খ)

    জাত্যর্থের সাথে লক্ষণের সম্পর্ক কী?

    (2)
  3. গ)

    চিত্র-১ দ্বারা পাঠ্যবইয়ের কোন বিষয়ের উদাহরণ নির্দেশিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো ।

    (3)
  4. ঘ)

    চিত্র-২ এর দুটি নির্দেশিত শ্রেণিবাচক পদের সম্পর্ক পাঠ্যবইয়ের আলোকে মূল্যায়ন করো ।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যে গুণ কোনো পদের মূল জাত্যর্থের অংশ নয়, কিন্তু জাত্যর্থ থেকে অনিবার্যভাবে নিঃসৃত হয়, তাকে উপলক্ষণ বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    লক্ষণ হলো কোনো পদের আসন্নতম জাতি এবং বিভেদক লক্ষণের একত্র সমাবেশ, যা মূলত পদের সম্পূর্ণ জাত্যর্থকে প্রকাশ করে। যুক্তিবিদ্যায় লক্ষণ বলতে কোনো পদের আবশ্যিক গুণাবলি অর্থাৎ পূর্ণ জাত্যর্থের সুস্পষ্ট বিবৃতিকে বোঝায়। তাই জাত্যর্থ হলো বস্তুর অভ্যন্তরীণ গুণগত দিক, আর লক্ষণ হলো সেই জাত্যর্থের ভাষাগত প্রকাশ। সুতরাং লক্ষণের মূল ভিত্তিই হলো জাত্যর্থ।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    চিত্র-১ দ্বারা যুক্তিবিদ্যার 'বিধেয়ক' (Predicables)-এর বিভিন্ন প্রকারের (বিশেষত অবান্তর লক্ষণ ও এর প্রকারভেদ) উদাহরণ নির্দেশিত হয়েছে।

    উদ্দীপকের ১নং বাক্যে 'সকল গরু হয় চতুষ্পদী প্রাণী'—এটি জাতিগত অবিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণের উদাহরণ। ২নং বাক্যে 'বিড়াল হয় সাদা বর্ণের প্রাণী'—এটি জাতিগত বিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ নির্দেশ করে। ৩নং বাক্যে 'করিমের জন্ম হয় ৬ জানুয়ারি'—এটি ব্যক্তিগত অবিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ এবং ৪নং বাক্যে 'সেলিম হয় খুবই ভোজনবিলাসী'—এটি ব্যক্তিগত বিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণের দৃষ্টান্ত।

    সুতরাং, বিধেয়কের পাঁচ প্রকারের মধ্যে 'অবান্তর লক্ষণ' (Accident)-এর চারটি রূপভেদ (শ্রেণিগত/জাতিগত অবিচ্ছেদ্য ও বিচ্ছেদ্য এবং ব্যক্তিগত অবিচ্ছেদ্য ও বিচ্ছেদ্য) চিত্র-১-এর দৃষ্টান্তগুলোর মাধ্যমে নিখুঁতভাবে উপস্থাপিত ও নির্দেশিত হয়েছে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    চিত্র-২-এ দুটি বৃত্তের মাধ্যমে 'ছাত্র' ও 'মানুষ' নামক দুটি শ্রেণিবাচক পদ নির্দেশ করা হয়েছে। এদের পারস্পরিক সম্পর্ক হলো 'উপজাতি' (Species) এবং 'জাতি' (Genus)-এর সম্পর্ক।

    যুক্তিবিদ্যায় যখন দুটি শ্রেণিবাচক পদ এমনভাবে সম্পর্কিত থাকে যে একটির ব্যক্ত্যর্থ বৃহত্তর এবং অন্যটি তার অন্তর্ভুক্ত হয়, তখন বৃহত্তর পদটিকে 'জাতি' (Genus) এবং তার অন্তর্ভুক্ত ক্ষুদ্রতর পদটিকে 'উপজাতি' (Species) বলা হয়। চিত্র-২-এ 'মানুষ' পদটির বিস্তৃতি বা ব্যক্ত্যর্থ বৃহত্তর হওয়ায় এটি বাইরের বড় বৃত্ত দ্বারা নির্দেশিত হয়েছে এবং এটি এখানে 'জাতি'। অন্যদিকে 'ছাত্র' হলো মানুষেরই একটি অংশবিশেষ, যা ভেতরের বৃত্তে অবস্থান করছে; তাই 'ছাত্র' হলো 'উপজাতি'।

    সকল ছাত্রই মানুষ, কিন্তু সকল মানুষ ছাত্র নয়। এখানে 'মানুষ' পদের ব্যক্ত্যর্থের অংশবিশেষ নিয়ে 'ছাত্র' শ্রেণিটি গঠিত হয়েছে। সুতরাং, চিত্র-২ এর নির্দেশিত পদ দুটির সম্পর্ক যুক্তিবিদ্যার বিধেয়কের অন্তর্ভুক্ত জাতি ও উপজাতির সুনির্দিষ্ট সম্পর্ককে যথার্থভাবে মূল্যায়ন করে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন