রসায়ন ১ম পত্র • Chattogram Board • চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৬
রসায়ন ১ম পত্র প্রশ্ন

- ক)(1)
রাইডার ধ্রুবক কাকে বলে?
- খ)(2)
বিজারণ শিখায় উত্তপ্ত করলে কালি পড়ে কেন?
- গ)(3)
উদ্দীপকের 'A' পাত্রটি ব্যবহার করে Na2CO3\text{Na}_2\text{CO}_3 এর ডেসিমোলার দ্রবণ প্রস্তুতি বর্ণনা কর।
- ঘ)(4)
প্রয়োজনীয় ঝুঁকি চিহ্ন উল্লেখ করে উদ্দীপকের (i) ও (ii) নং যৌগের পরিবেশ ও মানব স্বাস্থ্যের উপর সম্ভাব্য ক্ষতিকর প্রভাব ব্যাখ্যা কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ব্যালেন্সের বিমের এক প্রান্ত থেকে শূন্য দাগ হতে রাইডারকে এক ঘর ডানে বা বাঁয়ে সরালে বিমের দুই পাল্লার ওজনের মধ্যে যে পার্থক্য সৃষ্টি হয়, তাকে রাইডার ধ্রুবক বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
বিজারণ শিখায় উত্তপ্ত করলে পর্যাপ্ত অক্সিজেনের অভাবের কারণে কালি পড়ে। বুনসেন বার্নারের বায়ুছিদ্র সম্পূর্ণ বা আংশিক বন্ধ থাকলে জ্বালানি গ্যাসের অপূর্ণ দহন ঘটে। এই অপূর্ণ দহনের ফলে সূক্ষ্ম কার্বন কণা সৃষ্টি হয়, যা দীপ্তিমান শিখা গঠন করে এবং উত্তপ্ত পাত্রের নিচে কার্বনের একটি কালো আস্তরণ বা কালি আকারে জমা হয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের 'A' পাত্রটি হলো একটি ২৫০ mL আয়তনিক ফ্লাস্ক (Volumetric flask)।
১. প্রয়োজনীয় হিসাব:
Na2CO3-এর আণবিক ভর (M) = (23 × 2) + 12 + (16 × 3) = 106 g/mol
ডেসিমোলার দ্রবণের মোলারিটি (S) = 0.1 M
দ্রবণের আয়তন (V) = 250 mLপ্রয়োজনীয় Na2CO3-এর ভর, W = (S × M × V) / 1000
বা, W = (0.1 × 106 × 250) / 1000 = 2.65 g২. প্রস্তুত প্রণালী:
- ডিজিটাল ব্যালেন্সে একটি ওয়াচ গ্লাস বা ওজন বোতলে সতর্কতার সাথে মেপে ঠিক ২.৬৫ গ্রাম বিশুদ্ধ ও শুষ্ক অনার্দ্র Na2CO3 নেওয়া হয়।
- সামান্য পাতিত পানি দ্বারা ওয়াচ গ্লাস থেকে Na2CO3 একটি বিকারে নিয়ে সম্পূর্ণ দ্রবীভূত করা হয়।
- এরপর একটি ফানেলের সাহায্যে দ্রবণটি ২৫০ mL এর আয়তনিক ফ্লাস্কে (পাত্র A) স্থানান্তর করা হয়। বিকার ও ফানেলটিকে ওয়াশ বোতলের পাতিত পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে ধৌত পানিও ফ্লাস্কে যোগ করা হয়।
- অতঃপর ফ্লাস্কে পাতিত পানি যোগ করে এর দাগাঙ্কিত রেখা পর্যন্ত পূর্ণ করা হয় (মেনিসকাসের নিম্নতল দাগ স্পর্শ করবে)।
- সবশেষে ছিপি লাগিয়ে ফ্লাস্কটি উল্টেপাল্টে ভালোভাবে ঝাঁকিয়ে সমসত্ত্ব ডেসিমোলার দ্রবণ প্রস্তুত করা হয়।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের যৌগ দুটি হলো:
(i) গাঢ় HNO3 (নাইট্রিক এসিড)
(ii) KMnO4 (পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট) দ্রবণ১. গাঢ় HNO3-এর ঝুঁকি প্রতীক ও সম্ভাব্য ক্ষতিকর প্রভাব:
- ঝুঁকি চিহ্ন: এটি তীব্র ক্ষয়কারী (Corrosive) ও জারক (Oxidizing)। এর জন্য ক্ষয়কারী (Corrosive hazard symbol) ও জারক প্রতীক প্রযোজ্য।
- মানব স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব: ত্বকে লাগলে মারাত্মক রাসায়নিক ক্ষত বা ক্ষতের সৃষ্টি হয় এবং চামড়া পুড়ে হলুদ হয়ে যায়। এর বাষ্প শ্বাসতন্ত্রে প্রবেশ করলে ফুসফুসের মারাত্মক প্রদাহ এবং শ্বাসকষ্ট সৃষ্টি হতে পারে। চোখে লাগলে অন্ধত্ব ঘটতে পারে।
- পরিবেশের ওপর প্রভাব: এটি জলাশয়ে মিশলে পানির pH কমে গিয়ে জলজ পরিবেশের অম্লতা অস্বাভাবিক বৃদ্ধি করে, যা জলজ উদ্ভিদের বিনাশ ও মাছের মৃত্যুর কারণ হয়।
২. KMnO4 দ্রবণের ঝুঁকি প্রতীক ও সম্ভাব্য ক্ষতিকর প্রভাব:
- ঝুঁকি চিহ্ন: এটি তীব্র জারক (Oxidizing) এবং পরিবেশের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ (Hazardous to environment)।
- মানব স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব: এটি ত্বক ও চোখে তীব্র জ্বালা সৃষ্টি করে এবং ত্বকে দাগ ফেলে দেয়। এর দ্রবণ দুর্ঘটনাবশত গিলে ফেললে পরিপাকতন্ত্রে ক্ষত ও বিষক্রিয়া হতে পারে।
- পরিবেশের ওপর প্রভাব: এটি জলজ জীবনের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর ও দীর্ঘমেয়াদি বিষাক্ত প্রভাব ফেলে। পানিতে অতিরিক্ত পারম্যাঙ্গানেটের উপস্থিতি জলজ বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য নষ্ট করে এবং উপকারী জলজ জীবাণুকে ধ্বংস করে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও