বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা • Jashore Board • যশোর বোর্ড ২০২৫
বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা প্রশ্ন
উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া দুটি পার্শ্ববর্তী ও পৃথক রাষ্ট্র। উত্তর কোরিয়া স্বৈরাচারী ও সামরিক শক্তিতে বেশি গুরুত্ব প্রদান করলেও দক্ষিণ কোরিয়া জ্ঞান-বিজ্ঞান, শিল্প-সাহিত্য ও গণতান্ত্রিক চর্চায় অধিক মনোযোগী হওয়ায় তাদের জীবনমান অনেক উন্নত।
- ক)(1)
রোম নগরীর প্রতিষ্ঠাতা কে?
- খ)(2)
রোমকে ত্রয়ী শাসনের নগরী বলার কারণ ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
উদ্দীপকে উল্লেখিত উত্তর কোরিয়া গ্রিক সভ্যতার কোন নগররাষ্ট্রের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে উল্লেখিত রাষ্ট্র দুটির সাথে সম্পর্কযুক্ত গ্রিক সভ্যতার নগররাষ্ট্র দুটির তুলনামূলক পার্থক্য লিপিবদ্ধ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
কিংবদন্তি অনুযায়ী রোম নগরীর প্রতিষ্ঠাতা রোমিউলাস।
- খ)
রোমের ইতিহাসে ক্ষমতা তিনজন নেতার হাতে ভাগ হয়েছিল, তাই একে ত্রয়ী শাসনের নগরী বলা হয়। প্রথম ত্রয়ী শাসনে ছিলেন জুলিয়াস সিজার, পম্পি ও ক্রাসাস। দ্বিতীয় ত্রয়ী শাসনে ছিলেন অক্টাভিয়ান, অ্যান্টনি ও লেপিডাস।
- গ)
উদ্দীপকের উত্তর কোরিয়া গ্রিক সভ্যতার স্পার্টা নগররাষ্ট্রের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
উত্তর কোরিয়া স্বৈরাচারী ও সামরিক শক্তিকে বেশি গুরুত্ব দেয়। স্পার্টাও ছিল সামরিক শক্তিনির্ভর রাষ্ট্র, যেখানে রাষ্ট্র কঠোরভাবে নাগরিকদের নিয়ন্ত্রণ করত এবং সামরিক শিক্ষা ও শৃঙ্খলাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হতো। জ্ঞান-বিজ্ঞান ও শিল্প-সাহিত্য সেখানে অবহেলিত ছিল। তাই উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে স্পার্টার মিল আছে।
- ঘ)
উদ্দীপকের উত্তর কোরিয়া গ্রিক নগররাষ্ট্র স্পার্টা এবং দক্ষিণ কোরিয়া এথেন্সের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। এ দুটির পার্থক্য নিচে দেওয়া হলো।
১. শাসনব্যবস্থা: স্পার্টায় ছিল সংকীর্ণ ও কঠোর শাসন, আর এথেন্সে গণতন্ত্র গড়ে উঠেছিল।
২. শিক্ষা: স্পার্টায় শিক্ষার লক্ষ্য ছিল দক্ষ সৈনিক তৈরি, এথেন্সে শিক্ষার লক্ষ্য ছিল সর্বাঙ্গীণ বিকাশ।
৩. জ্ঞান-বিজ্ঞান ও শিল্প-সাহিত্য: স্পার্টায় এসবের চর্চা ছিল সীমিত, এথেন্স ছিল দর্শন, সাহিত্য ও শিল্পকলার কেন্দ্র।
৪. গুরুত্ব: স্পার্টা সামরিক শক্তিতে বিখ্যাত ছিল, এথেন্স বুদ্ধিবৃত্তিক ও সাংস্কৃতিক অগ্রগতির জন্য।সুতরাং, স্পার্টা সামরিক শক্তিতে এবং এথেন্স জ্ঞান ও গণতান্ত্রিক চর্চায় এগিয়ে ছিল।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও