বাংলা ২য় পত্র • Barishal Board • বরিশাল বোর্ড ২০১৭
বাংলা ২য় পত্র প্রশ্ন
3.
(ক) উদাহরণসহ সর্বনাম পদের শ্রেণিবিভাগ আলোচনা করো।অথবা,(খ) নিচের অনুচ্ছেদ থেকে পাঁচটি বিশেষণ পদ চিহ্নিত করো:"নীল আকাশ। রোদেলা দুপুর। পাখিটি পাখনা মেলে দিগন্তের পথে পাড়ি জমাচ্ছে। দখিনা বাতাসে টকটকে লাল পলাশ ফুল দুলছে। তাই দেখে সাদা মেঘের দলও বলাকার মত উড়ছে; যাব দূরে বহুদূরে।"
উত্তর ও ব্যাখ্যা
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
(ক) উদাহরণসহ সর্বনাম পদের শ্রেণিবিভাগ:
বিশেষ্যের পরিবর্তে যে পদ ব্যবহৃত হয়, তাকে সর্বনাম পদ বলে। বাংলা ভাষায় সর্বনাম পদকে সাধারণত নিম্নলিখিত শ্রেণিতে ভাগ করা যায়:
১. ব্যক্তিবাচক বা পুরুষবাচক সর্বনাম: ব্যক্তির নামের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়। যেমন: আমি, তুমি, সে, তিনি।
২. নির্দেশক সর্বনাম: যা বক্তার নিকটবর্তী বা দূরবর্তী কোনো কিছু নির্দেশ করে। যেমন: এ, এই, ও, ওই, ইনি, উনি।
৩. অনির্দেশক সর্বনাম: অনির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। যেমন: কেউ, কোনো, কিছু, কেহ।
৪. আত্মবাচক সর্বনাম: কর্তা নিজেই কাজটি করেছে তা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। যেমন: নিজে, স্বয়ং, আপনি।
৫. পারস্পরিক বা অন্বয়বাচক সর্বনাম: দুই বা ততোধিক পক্ষের পারস্পরিক সম্পর্ক নির্দেশ করে। যেমন: পরস্পর, আপনা-আপনি।
৬. প্রশ্নবাচক সর্বনাম: প্রশ্ন জিজ্ঞাসার জন্য ব্যবহৃত হয়। যেমন: কে, কী, কার, কোনটি।
৭. সাপেক্ষ সর্বনাম: পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল দুটি সর্বনামের সংযোগ ঘটায়। যেমন: যে-সে, যিনি-তিনি, যা-তা।
৮. সাকুল্যবাচক সর্বনাম: সমগ্র ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝায়। যেমন: সব, সকল, উভয়, সমুদয়।
৯. ব্যতিহারিক সর্বনাম: দুই বা ততোধিক পক্ষের মধ্যকার পারস্পরিক ক্রিয়া বোঝায়। যেমন: নিজেরা নিজেরা, আপনা-আপনি।
১০. অন্যবাচক সর্বনাম: নিজ ভিন্ন অন্য ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। যেমন: অন্য, অপর, পর।
অথবা,
(খ) প্রদত্ত অনুচ্ছেদ থেকে পাঁচটি বিশেষণ পদ চিহ্নিত করা হলো:
১. নীল (গুণবাচক বিশেষণ — আকাশের রূপ নির্দেশক)
২. রোদেলা (অবস্থাবাচক বিশেষণ — দুপুরের অবস্থা নির্দেশক)
৩. দখিনা (অবস্থাবাচক বিশেষণ — বাতাসের ধরন নির্দেশক)
৪. টকটকে (বিশেষণের বিশেষণ / তীব্রতাবাচক বিশেষণ — লালের তীব্রতা নির্দেশক)
৫. লাল (গুণবাচক বা বর্ণবাচক বিশেষণ — পলাশ ফুলের বর্ণ নির্দেশক)
(অন্যান্য বিশেষণ: 'সাদা', 'বহুদূর')
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও