পৌরনীতি ও নাগরিকতা • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২৩

পৌরনীতি ও নাগরিকতা প্রশ্ন

মি. আজিজ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কর্মরত। ২০১৫ সালে তিনি একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার অধীনে গোলযোগপূর্ণ সুদানে শান্তি রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। অন্যদিকে মি. জহির বেসামরিক নাগরিক হওয়া সত্ত্বেও অন্য একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার মহাসচিব পদে দায়িত্ব পালন করেন। সংস্থাটি বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধকালীন সরকারের পক্ষে জনমত সৃষ্টিতে কাজ করেছে।

  1. ক)

    কমনওয়েলথ প্রধান কে?

    (1)
  2. খ)

    অছি এলাকা কী? ব্যাখ্যা করো

    (2)
  3. গ)

    মি. আজিজ কোন আন্তর্জাতিক সংস্থার অধীনে কর্মরত? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    মি. জহির যে আন্তর্জাতিক সংস্থার মহাসচিব তার সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    কমনওয়েলথের প্রধান হলেন ব্রিটেনের রাজা বা রানি (বর্তমানে রাজা তৃতীয় চার্লস)।

  2. খ)

    অছি এলাকা হলো এমন এলাকা, যা নিজেদের শাসন পরিচালনায় সক্ষম নয় বলে জাতিসংঘের অছি পরিষদের তত্ত্বাবধানে কোনো সদস্য রাষ্ট্রের অছি হিসেবে শাসিত হয়। এর উদ্দেশ্য ছিল অধিবাসীদের স্বায়ত্তশাসন বা স্বাধীনতার পথে এগিয়ে নেওয়া। জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠার সময় এরূপ কিছু এলাকা অছি ব্যবস্থার আওতায় আনা হয়েছিল।

  3. গ)

    মি. আজিজ সেনাবাহিনীর সদস্য হিসেবে সুদানে শান্তি রক্ষায় ভূমিকা রেখেছেন। বিশ্বের সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে শান্তিরক্ষী বাহিনী পাঠানোর কাজটি জাতিসংঘ (UN) করে।

    জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সেনাসদস্যদের নিয়ে শান্তিরক্ষী বাহিনী গঠন করে এবং সংঘাতপূর্ণ এলাকায় যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণ ও শান্তি প্রতিষ্ঠার কাজে নিয়োজিত করে। বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অংশগ্রহণকারী অন্যতম প্রধান দেশ। অতএব, মি. আজিজ জাতিসংঘের অধীনে কর্মরত।

  4. ঘ)

    উদ্দীপকের মি. জহির যে সংস্থার মহাসচিব, সেটি কমনওয়েলথ (Commonwealth of Nations)। বাংলাদেশের সঙ্গে এ সংস্থার সম্পর্ক বিশ্লেষণ করা হলো।

    ১. সদস্যপদ: বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ১৮ এপ্রিল কমনওয়েলথের সদস্যপদ লাভ করে এবং সক্রিয় সদস্য হিসেবে এর কার্যক্রমে অংশ নেয়।
    ২. মুক্তিযুদ্ধে সমর্থন: উদ্দীপকে বলা হয়েছে, সংস্থাটি মুক্তিযুদ্ধকালীন সরকারের পক্ষে জনমত সৃষ্টিতে কাজ করেছে, যা বাংলাদেশের সঙ্গে এর আন্তরিক সম্পর্কের পরিচয় দেয়।
    ৩. সহযোগিতা: অর্থনৈতিক, শিক্ষা ও প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে কমনওয়েলথ সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশকে সহায়তা দিয়ে থাকে।

    সুতরাং, কমনওয়েলথের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক সহযোগিতামূলক ও ঘনিষ্ঠ।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন