বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০২৩
বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা প্রশ্ন
- ক)(1)
বিজ্ঞানসম্মত ইতিহাসের জনক কে ছিলেন?
- খ)(2)
গ্রিক নগর রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ মনোভাব গড়ে উঠেছিল কেন? ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
উদ্দীপকের চিত্রে কোন সভ্যতার লিখন পদ্ধতি প্রদর্শিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উক্ত সভ্যতার লোকজন ধর্ম দ্বারা ব্যাপকভাবে প্রভাবিত ছিল। বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
থুসিডিডিসকে বিজ্ঞানসম্মত ইতিহাসের জনক বলা হয়।
- খ)
গ্রিক নগর রাষ্ট্রগুলো রাজনৈতিকভাবে আলাদা ও স্বাধীন হলেও তাদের মধ্যে ভাষা, ধর্ম ও সংস্কৃতিগত ঐক্য ছিল। সবাই নিজেদের হেলেনীয় বলে পরিচয় দিত এবং একই দেব-দেবতার পূজা করত। চার বছর পরপর অলিম্পিক খেলায় সব নগর রাষ্ট্রের মানুষ একত্র হতো। এই মিলগুলোর কারণে তাদের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ মনোভাব গড়ে ওঠে।
- গ)
উদ্দীপকের চিত্রে হায়ারোগ্নিফিক লিপি দেখা যাচ্ছে, যা প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতার লিখন পদ্ধতি।
মিশরীয়রা ছবি ও প্রতীকের সাহায্যে ভাব প্রকাশ করত। পাথর, মন্দিরের দেয়াল ও প্যাপিরাসে তারা এই লিপি লিখত। এই লিপি পড়ার চাবিকাঠি পাওয়া যায় রসেটা পাথর থেকে। এর মাধ্যমে মিশরীয় ইতিহাস ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জানা সম্ভব হয়েছে।
- ঘ)
মিশরীয় সভ্যতার মানুষ জীবনের প্রায় সব ক্ষেত্রে ধর্ম দ্বারা প্রভাবিত ছিল।
১. তারা বহু দেবতায় বিশ্বাসী ছিল, যেমন সূর্যদেবতা 'রে' বা 'আমনরে' এবং পরজগতের দেবতা 'ওসিরিস'।
২. ফারাওকে দেবতার প্রতিনিধি বা দেবতার সন্তান মনে করা হতো, তাই রাজনীতিও ধর্মের সঙ্গে জড়িত ছিল।
৩. পরকাল ও পুনর্জীবনে বিশ্বাসের কারণে তারা মমি তৈরি করত এবং বিশাল পিরামিড ও মন্দির নির্মাণ করত।সুতরাং, মিশরীয় জীবন, সমাজ ও শিল্প-স্থাপত্য ধর্মবিশ্বাসের গভীর প্রভাবে গড়ে উঠেছিল।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও