বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০২৪

বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা প্রশ্ন

মিথিলার বাড়ি ফরিদপুর জেলায়। শীতকালীন ছুটিতে সে বাবার সাথে ঐতিহাসিক স্থান মহাস্থানগড় বেড়াতে যায়। সেখানে সে এক প্রাচীন নগরীর ধ্বংসাবশেষ দেখতে পায়। তাছাড়া সে সেখানে পাথরের উপর বিশেষ ধরনের লেখা দেখতে পায়।

  1. ক)

    গৌড়ের রাজধানী কোথায় ছিল?

    (1)
  2. খ)

    প্রাচীন বাংলার শাসকগণ কীভাবে একাধিক জনপদের শাসনক্ষমতা লাভ করতেন? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    মিথিলার বাড়ি প্রাচীন বাংলার কোন জনপদের অন্তর্ভুক্ত? ব্যাখ্যা করো।.

    (3)
  4. ঘ)

    মিথিলার দেখা জনপদটি সভ্যতার নিদর্শনের দিক থেকে প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে সমৃদ্ধ জনপদ- বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    গৌড়ের রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ।

  2. খ)

    প্রাচীন বাংলায় শক্তিশালী শাসকেরা যুদ্ধে প্রতিবেশী জনপদ জয় করে নিজের রাজ্যের সঙ্গে যুক্ত করতেন। এভাবে একজন শাসকের অধীনে একাধিক জনপদ আসত। যেমন শশাঙ্ক, পাল ও সেন শাসকেরা বিভিন্ন জনপদ নিজেদের অধীনে এনে শাসনক্ষমতা বিস্তার করেছিলেন।

  3. গ)

    মিথিলার বাড়ি ফরিদপুর জেলায়, যা প্রাচীন বাংলার বঙ্গ জনপদের অন্তর্ভুক্ত।

    প্রাচীন বঙ্গ জনপদ বর্তমান ফরিদপুরসহ দক্ষিণ-মধ্য বাংলার নিচু জলাভূমি অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল। ঐতিহাসিকদের মতে, ফরিদপুর, বাখেরগঞ্জ ও পটুয়াখালী অঞ্চল এর অংশ ছিল। তাই ফরিদপুর বঙ্গ জনপদের অন্তর্ভুক্ত।

  4. ঘ)

    মিথিলার দেখা মহাস্থানগড় প্রাচীন পুণ্ড্র জনপদে অবস্থিত, যা সভ্যতার নিদর্শনের দিক থেকে প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে সমৃদ্ধ জনপদ।

    ১. উদ্দীপকে বর্ণিত প্রাচীন নগরীর ধ্বংসাবশেষ হলো পুণ্ড্রনগর বা পুণ্ড্রবর্ধন, যা পুণ্ড্র জনপদের রাজধানী ছিল।
    ২. মহাস্থানগড়ে প্রাপ্ত ব্রাহ্মী লিপির শিলালিপি প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে পুরোনো লিখিত প্রমাণগুলোর একটি। উদ্দীপকের পাথরের লেখা এটিকেই নির্দেশ করে।
    ৩. এই জনপদের পাহাড়পুরের মতো বিখ্যাত বৌদ্ধ বিহার ও অন্যান্য প্রত্নস্থল এর সমৃদ্ধির প্রমাণ।

    সুতরাং, সভ্যতার নিদর্শনের দিক থেকে পুণ্ড্র প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে সমৃদ্ধ জনপদ।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন