বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০২৬
বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা প্রশ্ন
- ক)(1)
সক্রেটিসের শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য কী ছিল?
- খ)(2)
'মরা মানুষের ঢিবি' বলতে কী বোঝায়?
- গ)(3)
তথ্য-১ এ উল্লিখিত দেবতারা কোন সভ্যতা কে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
তথ্য-২ এ উল্লিখিত ভাস্কর্য শিল্পীরা সভ্যতায় কীভাবে অবদান রেখেছেন? বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
সক্রেটিসের শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য ছিল আদর্শ রাষ্ট্র ও সৎ নাগরিক গড়ে তোলা।
- খ)
‘মরা মানুষের ঢিবি’ বলতে সিন্ধু সভ্যতার বিখ্যাত নগর মহেঞ্জোদাড়োকে বোঝায়। পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের লারকানা জেলায় এখানে উঁচু উঁচু মাটির ঢিবি ছিল। স্থানীয় লোকেরা এগুলোকে মরা মানুষের ঢিবি বলত। মহেঞ্জোদাড়ো শব্দের অর্থও তাই। রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে খননের সময় এখানেই সিন্ধু সভ্যতার নিদর্শন আবিষ্কৃত হয়।
- গ)
তথ্য-১ এ উল্লিখিত দেবতা (ইশতার, এনলিল, শামাশ) মেসোপটেমীয় সভ্যতাকে নির্দেশ করে।
১. মেসোপটেমিয়ার মানুষ সূর্য দেবতা শামাশ, বৃষ্টি-বাতাস-বন্যার দেবতা এনলিল এবং প্রেম ও উর্বরতার দেবী ইশতারের (ইনাননা) পূজা করত।
২. এ ছাড়া তারা পানির দেবতা এনকি ও প্লেগের দেবতা নারগালের আরাধনা করত।
৩. দেব-দেবীর উদ্দেশে তেল, মাখন, ফল, ফুল ও শাকসবজি উৎসর্গ করা হতো।
৪. জিগুরাত নামের মন্দিরে পুরোহিত রাজা (পাতেজী) ধর্ম পরিচালনা করতেন।অতএব, দেবতাদের এই নামগুলো মেসোপটেমীয় ধর্মবিশ্বাসের পরিচয় বহন করে।
- ঘ)
তথ্য-২ এ উল্লিখিত মাইরন, ফিদিয়াস (ফিডিয়াস) ও প্রাকসিটেলেস প্রাচীন গ্রিক সভ্যতার ভাস্কর্য শিল্পী। তাঁদের অবদান নিম্নরূপ—
১. স্বর্ণযুগ সৃষ্টি: তাঁদের শিল্পকর্ম বিশ্বের শিল্পকলার ইতিহাসে ভাস্কর্যের এক স্বর্ণযুগের জন্ম দিয়েছিল।
২. ধর্মীয় ও সামাজিক জীবনের প্রতিফলন: গ্রিকরা দেব-দেবী ও বীরযোদ্ধাদের পূজা করত। তাঁদের ভাস্কর্যে এসব বিষয় শিল্পরূপ পেয়েছে।
৩. স্থাপত্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি: পার্থেনন মন্দিরের মতো স্থাপত্যকীর্তির সাথে ভাস্কর্য গ্রিক শিল্পের উৎকর্ষের পরিচয় দিয়েছে।
৪. পরবর্তী প্রভাব: গ্রিক শিল্পরীতি রোমানরা অনুসরণ ও অনুকরণ করে, ফলে এর প্রভাব পরবর্তী সভ্যতায় ছড়িয়ে পড়ে।সুতরাং, এই ভাস্কর শিল্পীরা সভ্যতার সমৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও