পৌরনীতি ও নাগরিকতা • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০২৩
পৌরনীতি ও নাগরিকতা প্রশ্ন
'X' সংস্থাটির প্রথম সম্মেলন ঢাকায় শুরু হয় যার সদর দপ্তর কাঠমান্ডুতে। সংস্থাটির বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৮। অপরদিকে 'Y' নামক সংস্থাটির প্রথম সম্মেলন শুরু হয় মরক্কোর রাজধানী রাবাতে যার সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায়। এর প্রাথমিক সদস্য সংখ্যা ছিল ২৩।
- ক)(1)
জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব কে ছিলেন?
- খ)(2)
কমনওয়েলথ গঠনের উদ্দেশ্য কী ছিল? ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
উদ্দীপকের 'X' সংস্থাটি তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন সংস্থার সাথে মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকের 'Y' সংস্থার সাথে রয়েছে বাংলাদেশের গভীর সম্পর্ক- বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব ছিলেন নরওয়ের ট্রিগভে লি (Trygve Lie)।
- খ)
কমনওয়েলথ গঠনের মূল উদ্দেশ্য ছিল সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা। এর মাধ্যমে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদার করা, বিশ্বশান্তি রক্ষা এবং গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের প্রসারে একযোগে কাজ করা সম্ভব হয়। শিক্ষা, বাণিজ্য ও প্রযুক্তিতে সহযোগিতা বাড়ানোও এর লক্ষ্য।
- গ)
উদ্দীপকের 'X' সংস্থাটির সঙ্গে পাঠ্যবইয়ের সার্ক (SAARC)-এর মিল রয়েছে।
সার্ক-এর প্রথম শীর্ষ সম্মেলন ১৯৮৫ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়। এর সদর দপ্তর নেপালের কাঠমান্ডুতে অবস্থিত এবং বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৮ (বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ ও আফগানিস্তান)। উদ্দীপকে 'X' সংস্থার প্রথম সম্মেলন ঢাকায় শুরু, সদর দপ্তর কাঠমান্ডুতে ও সদস্য সংখ্যা ৮ হওয়ায় এটি সার্কের সঙ্গে মিলে যায়।
- ঘ)
উদ্দীপকের 'Y' সংস্থাটি হলো ইসলামী সম্মেলন সংস্থা (OIC)। এর প্রথম সম্মেলন ১৯৬৯ সালে মরক্কোর রাবাতে হয় এবং সদর দপ্তর জেদ্দায়। এ সংস্থার সঙ্গে বাংলাদেশের গভীর সম্পর্ক রয়েছে।
১. সদস্যপদ: বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে এ সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে এবং তখন থেকে সক্রিয় সদস্য হিসেবে অংশ নিচ্ছে।
২. অর্থনৈতিক সহযোগিতা: সংস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক (IDB) বাংলাদেশের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে ঋণ ও অনুদান দিয়ে সহায়তা করে।
৩. কূটনৈতিক সমর্থন: আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিষয়ে, বিশেষ করে রোহিঙ্গা সংকটে, মুসলিম দেশগুলোর সমর্থন আদায়ে এ সংস্থা ভূমিকা রাখে।
৪. শ্রমবাজার ও বাণিজ্য: সদস্য রাষ্ট্রগুলোতে বাংলাদেশের শ্রমিক ও পণ্যের বাজার সম্প্রসারণে এ সংস্থার মাধ্যমে সুযোগ তৈরি হয়েছে।সুতরাং, ওআইসির সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উভয় ক্ষেত্রেই গভীর।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও