ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০১৫
ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র প্রশ্ন

- ক)(1)
ব্যবস্থাপনা চক্র কী?
- খ)(2)
ব্যবস্থাপনার সার্বজনীনতা বলতে কি বুঝ?
- গ)(3)
উদ্দীপকের চিত্রের ১নং? চিহ্নিত স্থানে কোনটি বসবে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
৪নং? চিহ্নিত স্থানে যে বিষয়টি বসবে তা পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য অপরিহার্য— তুমি কি বক্তব্যের সাথে একমত? তোমার মতের সপক্ষে যুক্তি দাও।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ব্যবস্থাপনার কার্যাবলি চক্রাকারে ধারাবাহিকভাবে আবর্তিত হওয়াকে ব্যবস্থাপনা চক্র বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ব্যবস্থাপনার সার্বজনীনতা বলতে বুঝায় ব্যবস্থাপনা সব ক্ষেত্রে বা সকল সংগঠনেই সমানভাবে প্রযোজ্য ও কার্যকর।
গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিসের মতে, 'ব্যবস্থাপনা সার্বজনীন'। পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, সামাজিক সংগঠন কিংবা রাষ্ট্র—যেখানেই মানুষের দলবদ্ধ প্রচেষ্টা থাকে, সেখানেই লক্ষ্য অর্জনের জন্য পরিকল্পনা, সংগঠন, কর্মীসংস্থান, নির্দেশনা, প্রেষণা ও নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি ব্যবস্থাপনা কার্যাবলির প্রয়োজন হয়। অর্থাৎ স্থান, কাল ও পাত্রভেদে সকল যৌথ কর্মকাণ্ডেই ব্যবস্থাপনার আবশ্যকতা বিদ্যমান থাকায় একে সার্বজনীন বলা হয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের চিত্রের ১নং ? চিহ্নিত স্থানে ব্যবস্থাপনার প্রথম ও মৌলিক কাজ 'পরিকল্পনা' বসবে।
ভবিষ্যতে কী করা হবে, কখন করা হবে, কীভাবে করা হবে এবং কার দ্বারা করা হবে তা আগে থেকেই ঠিক করে নেওয়ার প্রক্রিয়াকে পরিকল্পনা বলা হয়। এটি ব্যবস্থাপনার অন্যান্য কার্যাবলির ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।
উদ্দীপকের চিত্রে ব্যবস্থাপনা চক্রের কার্যাবলিকে ক্রমানুসারে উপস্থাপন করা হয়েছে। নিয়ন্ত্রণ হলো ব্যবস্থাপনার সর্বশেষ ধাপ (যা চিত্রে ৫ নং অংশে প্রদর্শিত) এবং পরিকল্পনা হলো প্রথম ধাপ। নিয়ন্ত্রণ পরবর্তী সময়ে প্রতিষ্ঠানের সংশোধনী ব্যবস্থার আলোকে পুনরায় নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। চিত্রে ২ নম্বরে সংগঠন ও ৩ নম্বরে কর্মীসংস্থান রয়েছে। অতএব, কর্মীসংস্থান ও সংগঠনের পূর্বে অর্থাৎ ব্যবস্থাপনা চক্রের শুরুতেই ১নং চিহ্নিত স্থানে 'পরিকল্পনা' বসবে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
হ্যাঁ, ৪নং ? চিহ্নিত স্থানে যে বিষয়টি বসবে (নির্দেশনা/নেতৃত্ব) তা পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য অপরিহার্য—আমি এই বক্তব্যের সাথে সম্পূর্ণ একমত।
উদ্দীপকের চিত্রটি পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ১ নম্বরে পরিকল্পনা, ২ নম্বরে সংগঠন, ৩ নম্বরে কর্মীসংস্থান, ৪ নম্বরে নির্দেশনা (বা নেতৃত্ব) এবং ৫ নম্বরে নিয়ন্ত্রণ অবস্থান করছে।
পরিকল্পনা হলো ভবিষ্যতের একটি নীল নকশা বা দিকনির্দেশক দলিল। সংগঠন ও কর্মীসংস্থানের মাধ্যমে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয় মানবীয় ও বস্তুগত উপায়-উপকরণ প্রস্তুত করা হয়। কিন্তু কর্মীদের যদি সঠিকভাবে কাজ বুঝিয়ে দেওয়া না হয়, দিকনির্দেশনা না দেওয়া হয় এবং তাদের আদেশ বা উপদেশ প্রদান না করা হয়, তবে কোনো পরিকল্পনাই স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাস্তবায়িত হতে পারে না। নির্দেশনা বা নেতৃত্বের মাধ্যমেই কর্মীরা কাজে নিয়োজিত হয় এবং পরিকল্পনা বাস্তবে রূপ পায়। কার্যকর নির্দেশনা ব্যতীত সকল আয়োজন ও পরিকল্পনা নিষ্ফল হয়ে যায়।
সুতরাং, পরিকল্পনার সফল বাস্তবায়ন সম্পূর্ণরূপে কর্মীদের সঠিক পরিচালনা ও নির্দেশনার ওপর নির্ভরশীল। তাই ৪নং চিহ্নিত বিষয়টি (নির্দেশনা) পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য অপরিহার্য।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও