ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০২৫

ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র প্রশ্ন

একটি বৃহৎ কোম্পানিতে কিছু সংখ্যক কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়। স্থায়ীকরণের পূর্বে তাদের এক পদ থেকে অন্য পদে স্থানান্তর করে অধিকতর দক্ষ করে গড়ে তোলা হয়। এতে তাদের বিভিন্ন পদ ও কাজ সম্পর্কে নতুন নতুন ধারণা জন্ম লাভ করে।

  1. ক)

    কর্মী সংগ্রহ কী?

    (1)
  2. খ)

    কর্মীসংস্থান বলতে কী বোঝ?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে কোন ধরনের প্রশিক্ষণ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে? ব্যাখ্যা, করো।

    (3)
  4. ঘ)

    তুমি কি মনে করো একজন কর্মীর দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণের গৃহীত পদ্ধতিই যথেষ্ট? মতামত দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    প্রতিষ্ঠানের শূন্য পদের জন্য সম্ভাব্য ও যোগ্য প্রার্থীদের আবেদন করতে উৎসাহিত ও আকৃষ্ট করার প্রক্রিয়াকে কর্মী সংগ্রহ বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    কর্মীসংস্থান হলো প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রয়োজনীয় মানবসম্পদ পরিকল্পনা, কর্মী সংগ্রহ, নির্বাচন, নিয়োগ, প্রশিক্ষণ, পদোন্নতি এবং তাদের যথাযথ উন্নয়নের সামগ্রিক প্রক্রিয়া।

    প্রতিষ্ঠানের কাজ সফলভাবে পরিচালনার জন্য সঠিক সময়ে সঠিক পদে যোগ্য ব্যক্তি নিয়োগ ও ধরে রাখাই কর্মীসংস্থানের মূল লক্ষ্য। এটি ব্যবস্থাপনার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মানবীয় উপাদান।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে প্রশিক্ষণ পদ্ধতি হিসেবে 'পদ পরিবর্তন' বা 'পদ ঘূর্ণন' (Job Rotation) পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে।

    কাজে বহাল রেখে প্রশিক্ষণ (On-the-job training) পদ্ধতির একটি জনপ্রিয় মাধ্যম হলো পদ পরিবর্তন। এ পদ্ধতিতে একজন কর্মীকে একটি নির্দিষ্ট কাজ বা পদে স্থায়ী না রেখে পর্যায়ক্রমে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন বিভাগ বা পদে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য স্থানান্তর করা হয়। ফলে কর্মী বিভিন্ন ধরনের কাজ সম্পর্কে অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পায়।

    উদ্দীপকে দেখা যায়, একটি বৃহৎ কোম্পানিতে নবনিযুক্ত কর্মকর্তাদের স্থায়ীকরণের পূর্বে এক পদ থেকে অন্য পদে স্থানান্তর করা হয়, যাতে তারা বিভিন্ন কাজের অভিজ্ঞতা লাভ করতে পারে। সুতরাং, উদ্দীপকে ব্যবহৃত প্রশিক্ষণ পদ্ধতিটি হলো 'পদ পরিবর্তন' বা 'পদ ঘূর্ণন' পদ্ধতি।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    আমি মনে করি না যে একজন কর্মীর সামগ্রিক দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য উদ্দীপকে গৃহীত পদ পরিবর্তন পদ্ধতিই যথেষ্ট।

    পদ পরিবর্তনের মাধ্যমে কর্মীরা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন বিভাগ বা পদের কাজ সম্পর্কে বহুমুখী ধারণা লাভ করতে পারে। এতে তাদের সাধারণ কাজের অভিজ্ঞতা বৃদ্ধি পায় এবং বিভাগীয় সমন্বয় সহজ হয়। তবে কোনো নির্দিষ্ট বিশেষায়িত কাজে গভীর জ্ঞান বা কারিগরি দক্ষতা অর্জনের জন্য কেবল পদ পরিবর্তন যথেষ্ট নয়।

    একজন কর্মীকে চূড়ান্তভাবে দক্ষ করে তুলতে পদ পরিবর্তনের পাশাপাশি অন্যান্য প্রশিক্ষণ পদ্ধতি প্রয়োগ করা প্রয়োজন। যেমন: কর্মশালা, সেমিনার, বক্তৃতা, সিমুলেশন বা কৃত্রিম পরিবেশের মাধ্যমে বাস্তবধর্মী প্রশিক্ষণ, শিক্ষা সফর এবং বিশেষজ্ঞ দ্বারা কারিগরি প্রশিক্ষণ। আধুনিক ব্যবসায়িক জটিলতা ও তথ্যপ্রযুক্তির পরিবর্তনের সাথে তাল মেলাতে তাত্ত্বিক জ্ঞান এবং প্রায়োগিক বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ দুটোই অপরিহার্য।

    অতএব, পদ পরিবর্তন একটি সহায়ক পদ্ধতি হলেও কর্মীর সর্বাঙ্গীন দক্ষতা বৃদ্ধি ও বিশেষজ্ঞ জ্ঞান অর্জনের জন্য এটি একাই যথেষ্ট নয়; এর সাথে অন্যান্য আধুনিক প্রশিক্ষণ পদ্ধতির সমন্বয় প্রয়োজন।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন