‍অর্থনীতি ১ম পত্র • Jashore Board • যশোর বোর্ড ২০১৯

‍অর্থনীতি ১ম পত্র প্রশ্ন

Question

  1. ক)

    সংগঠনকে ‘Captain of the Industry' কে বলেছেন?

    (1)
  2. খ)

    NGO বলতে কী বোঝ?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের [?] চিহ্নিত স্থানে যা বসবে তার কার্যাবলি ব্যাখ্যা করো ।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে ‘B' কারবারটি কী ধরনের কারবার? এর সুবিধাগুলো বিশ্লেষণ করো ।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    অর্থনীতিবিদ আলফ্রেড মার্শাল (Alfred Marshall) সংগঠন বা উদ্যোক্তাকে ‘Captain of the Industry’ বা 'শিল্পের অধিনায়ক' বলে অভিহিত করেছেন।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    NGO এর পূর্ণরূপ হলো Non-Governmental Organization, যার বাংলা অর্থ বেসরকারি সংস্থা। এটি সরকার-বহির্ভূত এমন একটি অলাভজনক ও স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান, যা সমাজের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা প্রদান ও মানবাধিকার রক্ষায় কাজ করে থাকে। সরকারের পাশাপাশি দেশের সার্বিক উন্নয়নে পরিপূরক হিসেবে এনজিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের [?] চিহ্নিত স্থানে বসবে 'উদ্যোক্তা' বা 'সংগঠক' (Entrepreneur/Organizer)।

    যে ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ উৎপাদনের উপাদানসমূহ (ভূমি, শ্রম ও মূলধন) একত্রিত করে ব্যবসায় উদ্যোগ গ্রহণ ও ঝুঁকি বহন করে উৎপাদন কার্য পরিচালনা করেন, তাকে উদ্যোক্তা বা সংগঠক বলে। নিচে উদ্দীপকে নির্দেশিত উদ্যোক্তার কার্যাবলি ব্যাখ্যা করা হলো:

    ১. লক্ষ্য নির্ধারণ: উদ্যোক্তা কারবারের উদ্দেশ্য ও ভবিষ্যৎ লক্ষ্য নির্ধারণ করেন। তিনি নির্ধারণ করেন কী উৎপাদিত হবে, কার জন্য এবং কী পরিমাণে উৎপাদিত হবে।

    ২. পরিকল্পনা প্রণয়ন: লক্ষ্য অর্জনের জন্য উদ্যোক্তাকে সঠিক ও সুদূরপ্রসারী কর্মপরিকল্পনা তৈরি করতে হয়। উৎপাদনের বিভিন্ন উপকরণের জোগান ও সেগুলোর যথাযথ ব্যবহারের রূপরেখা তিনি তৈরি করেন।

    ৩. নতুনত্ব প্রবর্তন (উদ্ভাবন): জোসেফ শুম্পিটারের মতে, উদ্যোক্তার প্রধান কাজ হলো নতুনত্ব উদ্ভাবন। তিনি নতুন উৎপাদন পদ্ধতি, নতুন পণ্যের ডিজাইন বা নতুন বাজার সৃষ্টির মাধ্যমে উৎপাদন প্রক্রিয়ায় গতিশীলতা আনেন।

    ৪. ঝুঁকি ও অনিশ্চয়তা বহন: ব্যবসায়িক যাবতীয় আর্থিক ও অর্থনৈতিক ঝুঁকি উদ্যোক্তা নিজেই বহন করেন।

    ৫. সমন্বয়সাধন ও তদারকি: ভূমি, শ্রম ও মূলধনের মধ্যে যথোপযুক্ত সংযোগ স্থাপন করে সামগ্রিক উৎপাদন কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করা উদ্যোক্তার অন্যতম কাজ।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে ‘B’ কারবারটি হলো 'যৌথ মূলধনী কারবার' বা 'কোম্পানি সংগঠন' (Joint Stock Company)। কারণ উদ্দীপকে উল্লিখিত স্থায়ী অস্তিত্ব বা প্রতিষ্ঠান, বৃহদায়তন প্রকৃতি এবং শেয়ারহোল্ডারদের সীমাবদ্ধ দায়—এগুলো যৌথ মূলধনী কারবারের মৌলিক বৈশিষ্ট্য।

    যৌথ মূলধনী কারবারের প্রধান সুবিধাগুলো নিচে বিশ্লেষণ করা হলো:

    ১. বিপুল মূলধন সংগ্রহ: শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে জনগণের সঞ্চিত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র তহবিল সংগ্রহ করে এ কারবার বিপুল পরিমাণ মূলধন গঠন করতে পারে, যা বৃহদায়তন উৎপাদনের উপযোগী।

    ২. সীমাবদ্ধ দায়: এ কারবারে শেয়ারহোল্ডারদের দায় তাদের ক্রীত শেয়ারের অভিহিত মূল্য দ্বারা সীমাবদ্ধ থাকে। ফলে ব্যক্তিগত সম্পত্তি ঝুঁকির মুখে পড়ে না, যা বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করে।

    ৩. চিরন্তন বা স্থায়ী অস্তিত্ব: আইনের দ্বারা গঠিত হওয়ায় কোনো শেয়ারহোল্ডারের মৃত্যু, দেউলিয়াত্ব বা অবসরের কারণে কোম্পানির অস্তিত্ব বিলুপ্ত হয় না।

    ৪. শেয়ার হস্তান্তরযোগ্যতা: পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির শেয়ার অবাধে হস্তান্তর করা যায়, ফলে বিনিয়োগকারীরা সহজেই তাদের বিনিয়োগ নগদে রূপান্তর করতে পারেন।

    ৫. দক্ষ ও পেশাদার ব্যবস্থাপনা: পর্যাপ্ত মূলধন থাকায় যৌথ মূলধনী কোম্পানি উচ্চ বেতন দিয়ে যোগ্য ও পেশাদার ব্যবস্থাপক নিয়োগ করতে পারে, যা কারবারের দক্ষতা বৃদ্ধি করে।

    ৬. বৃহদায়তন উৎপাদনের সুবিধা: বিপুল মূলধন ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের কারণে কোম্পানি বৃহদায়তন উৎপাদনের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক ব্যয়সংকোচ সুবিধা লাভ করে, যা স্বল্প ব্যয়ে উন্নত পণ্য উৎপাদনে সহায়ক।

    অতএব, আধুনিক অর্থব্যবস্থায় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও শিল্পায়নে যৌথ মূলধনী কারবার সবচেয়ে সুবিধাজনক ও কার্যকর ব্যবসায় সংগঠন হিসেবে বিবেচিত।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন